Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬

সমন্বয়ের অভাবেই ভরাডুবি, দাবি কংগ্রেস নেতার, মানছেন না শারদ

সমন্বয়ের অভাবেই ভরাডুবি, দাবি কংগ্রেস নেতার, মানছেন না শারদ
  • ২৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
মুম্বই: মহারাষ্ট্রে মহাবিকাশ আঘাড়ির (এমভিএ) পরাজয়ের পর কোন্দল প্রকাশ্যে। কেন এমন হার বুঝতেই পারছে না বিরোধী নেতৃত্ব। হারের জন্য পারস্পরিক সমন্বয়ের অভাবকেইযেমন  দায়ী করলেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা জি পরমেম্বর। তাঁর দলেরই সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল বলছেন, কেন হার তা বিশ্লেষণ করতে হবে। কোনও সাবোতাজের কথা এখনই বলা যাচ্ছে না। এনসিপি (শারদ) প্রধান শারদ পাওয়াওে বলেছেন, সমন্বয়ের অভাব ছিল না। তবে কেন হার সেটা খতিয়ে দেখতে হবে।
Advertisement
রবিবার কর্ণাটকের মন্ত্রী তথা মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের নির্বাচনী ইনচার্জ পরমেশ্বর অভিযোগ করেন, ভোটের জন্য উদ্ধব থ্যাকারে এবং শারদ পাওয়ার গোষ্ঠী যে রণকৌশল তৈরি করেছিল, তা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে। দলগুলি পরিকল্পনা মতো প্রচারে নামেনি। এছাড়া একে অপরকে সাহায্যও করেনি। তাঁর অভিযোগ, আমরা বহু আসনে একসঙ্গে কাজ করতে ব্যর্থ হয়েছি। জোটধর্ম মেনে উচিত ছিল, একে অপরের প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করা। কিন্তু সেটা হয়নি বলেই অন্তত ৪৯টি আসনে হারতে হয়েছে এমভিএ প্রার্থীদের। পরমেশ্বর বলেন, গত ৬ মাস ধরে যখন প্রচার চালাচ্ছে বিজেপির নেতৃত্বাধীন মহাযুতি জোট। সেখানে আমরা কার্যত নিশ্চুপ ছিলাম। 
এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেনুগোপাল বলেন, আমরা এরকম ফলাফলের জন্য মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না। পরাজয় শুধু কংগ্রেসের নয়, জোটেরও। শারদ পাওয়ার, উদ্ধবের শক্তিশালী ঘাঁটিতেও জোট হেরেছে। হারের কারণ বিশ্লেষণ করে দেখা হবে। অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব অবশ্য উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি। 
শারদ পাওয়ার বলেছেন, ভোট পর্বে আমি নিজেই বহু জেলা ঘুরেছি। সেখানে তিন দলেরই যৌথ প্রয়াস লক্ষ্য করেছি। কিন্তু ভোটের ফল আশানুরূপ হয়নি। তাই সমন্বয়ের অভাব ছিল এটা বলা যাবে না। হারের প্রাথমিক কারণ হিসেবে অর্থবল ও মেরুকরণকেই দায়ী করেছেন বর্ষীয়ান নেতা। ইভিএম কারচুপির অভিযোগ তোলেননি শারদ।
সম্পর্কিত সংবাদ