নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: লাখ নয়, কোটি কোটি টাকা! শ্রমদপ্তরে আর্থিক তছরুপের তদন্তে চাঞ্চল্যকর এই তথ্য পেয়েছে রাজ্য দুর্নীতি দমন শাখা (এসিবি)। মিনিমাম ওয়েজেস বিভাগে কর্মরত দপ্তরের অভিযুক্ত ইনসপেক্টর তপন কুমার ঘোষ পুরো টাকাটাই আত্মসাৎ করেছেন। বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের ১৭ কোটির বেশি টাকা ভুয়ো অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর হয়েছে। আদালতে নথি জমা দিয়ে এমনটাই দাবি করেছে এসিবি। এই টাকা তপনবাবু কোথায় বিনিয়োগ করেছেন, তারই তদন্ত চলছে। জেল হেফাজত শেষে বুধবার তাঁকে আদলতে তোলা হয়। বিচারক তাঁকে জেলেই পাঠান। সেই সঙ্গে জেলে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আর্জি মঞ্জুর করেছে আদালত। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় অডিট সংস্থা ক্যাগের অনুসন্ধানেই প্রথম এই দুর্নীতির বিষয়টি উঠে আসে। পরবর্তীকালে মলয় ঘটক শ্রমমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে এসিবিকে বিস্তারিত তদন্তের দেওয়া হয়।
Advertisement
সরকারি টাকা তছরুপের অভিযোগে কয়েকদিন আগেই দুর্নীতি দমন শাখার হাতে গ্রেপ্তার হন ইনসপেক্টর তপন কুমার ঘোষ। তার বিরুদ্ধে ১৫ লক্ষ টাকা হাতানোর অভিযোগ ছিল। বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পের টাকা ছাড়ার দায়িত্বে তিনি ছিলেন। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত অফিসার মালদহের হবিবপুরে পোস্টিং থাকাকালীন এই তছরুপ করেন। বিভিন্ন ব্যক্তির নথি জোগাড় করে একাধিক ভুয়ো অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন তিনি। সংশ্লিষ্টদের অসংগঠিত ক্ষেত্রে শ্রমিক হিসেবে দেখানো হয়েছিল। খাতায়কলমে বলা হয়েছিল, বিয়ে ও মৃত্যুর পর সামাজিক দিক থেকে তাঁদের সুরক্ষিত করার জন্য টাকা দেওয়া হয়েছে।
আদালতের জমা পড়া নথি থেকে জানা যাচ্ছে. পাঁচ বছর ধরে এই ধরনের অসংখ্য অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে। সেখান থেকে বোঝা যায়, তছরূপের পরিমাণ ১৫ লক্ষ টাকা নয়। শ্রম দপ্তরের কাছ থেকে সরকারি টাকা যে সমস্ত অ্যাকাউন্টে গিয়েছে তার বিস্তারিত নথি নেন তদন্তকারীরা। যে সমস্ত অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে সেগুলি যাচাই করতে গিয়ে অফিসাররা জেনেছেন, সেগুলি একটিও কোনও শ্রমিকের নয়। ভুয়ো নথি দিয়ে এই অ্যাকাউন্টগুলি খুলেছেন ওই ইনসপেক্টর। অ্যাকাউন্টস পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা যায়, সরকারি তহবিল থেকে ১৭.৮১ কোটি টাকা বেরিয়ে গিয়েছে। এই টাকা ভুয়ো অ্যাকাউন্টে জমা পড়ার পর তা আবার ট্রান্সফার হয়েছে অন্য অ্যাকাউন্টে। যেগুলি তপনবাবুর পরিবারের বিভিন্ন সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের নামে খোলা। সেখানে টাকা আসার পর তা তুলে নেওয়া হয়েছে। এই টাকা কোথায় গিয়েছে এবং তা দিয়ে নামে-বেনামে সম্পত্তি কোথায় কিনেছেন অভিযুক্ত ইনসপক্টর, তারই তদন্ত চলছে।
আদালতের জমা পড়া নথি থেকে জানা যাচ্ছে. পাঁচ বছর ধরে এই ধরনের অসংখ্য অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে। সেখান থেকে বোঝা যায়, তছরূপের পরিমাণ ১৫ লক্ষ টাকা নয়। শ্রম দপ্তরের কাছ থেকে সরকারি টাকা যে সমস্ত অ্যাকাউন্টে গিয়েছে তার বিস্তারিত নথি নেন তদন্তকারীরা। যে সমস্ত অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে সেগুলি যাচাই করতে গিয়ে অফিসাররা জেনেছেন, সেগুলি একটিও কোনও শ্রমিকের নয়। ভুয়ো নথি দিয়ে এই অ্যাকাউন্টগুলি খুলেছেন ওই ইনসপেক্টর। অ্যাকাউন্টস পরীক্ষা করতে গিয়ে দেখা যায়, সরকারি তহবিল থেকে ১৭.৮১ কোটি টাকা বেরিয়ে গিয়েছে। এই টাকা ভুয়ো অ্যাকাউন্টে জমা পড়ার পর তা আবার ট্রান্সফার হয়েছে অন্য অ্যাকাউন্টে। যেগুলি তপনবাবুর পরিবারের বিভিন্ন সদস্য ও আত্মীয়স্বজনের নামে খোলা। সেখানে টাকা আসার পর তা তুলে নেওয়া হয়েছে। এই টাকা কোথায় গিয়েছে এবং তা দিয়ে নামে-বেনামে সম্পত্তি কোথায় কিনেছেন অভিযুক্ত ইনসপক্টর, তারই তদন্ত চলছে।



