Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সমুদ্রসাথী প্রকল্পে টাকা বরাদ্দ হয়নি, ক্ষোভ মৎস্যজীবীদের  

সমুদ্রসাথী প্রকল্পে টাকা বরাদ্দ হয়নি, ক্ষোভ মৎস্যজীবীদের
 
  • ২৮ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, কাঁথি: ঘোষণার পর বছর ঘুরতে চলল। কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরের  উপকূল এলাকার মৎস্যজীবীদের জন্য ‘সমুদ্রসাথী’ প্রকল্পে এখনও টাকা বরাদ্দ হয়নি। গতবছর থেকেই এই প্রকল্পে মৎস্যজীবীদের পরিবারপিছু দু’মাসে ১০হাজার টাকা করে পাওয়ার কথা ছিল। অবিলম্বে প্রকল্প রূপায়ণের দাবিতে সোমবার জেলার উপকূলবর্তী ১৬টি ব্লকে অবস্থান বিক্ষোভের পাশাপাশি বিডিওকে ডেপুটেশন দিল পূর্ব মেদিনীপুর মৎস্যজীবী ফোরাম।
Advertisement
জেলা সহ মৎস্য-অধিকর্তা সুমন সাহা বলেন, টাকা বরাদ্দ-সংক্রান্ত কোনও নির্দেশিকা এখনও আমাদের কাছে আসেনি। কেন দেরি হচ্ছে, সেটা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে।  
গতবছর ৮ ফেব্রুয়ারি বাজেট অধিবেশনে রাজ্যের অর্থ প্রতিমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য ঘোষণা করেছিলেন, মৎস্যজীবীদের জন্য সমুদ্রসাথী প্রকল্প চালু হচ্ছে। ১৫এপ্রিল থেকে ১৪জুন পর্যন্ত দু’মাসের ব্যান পিরিয়ডে তাঁরা ১০হাজার টাকা পাবেন। গতবছর ৬ মার্চ রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব রোশনি সেন এবিষয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেন। তারপর জেলায় এপর্যন্ত ২২ হাজার ৩৭৯জন এই প্রকল্পে আবেদন করেছেন। কিন্তু গতবছরই  ব্যান পিরিয়ডে এই প্রকল্পে টাকা বরাদ্দ হয়নি। এবার ফের ব্যান পিরিয়ডের সময় আসছে।
পূর্ব মেদিনীপুর মৎস্যজীবী ফোরামের সভাপতি দেবাশিস শ্যামল বলেন, তথ্য জানার অধিকার আইনে রাজ্যের অর্থমন্ত্রীর কাছে জানতে চেয়েছিলাম, সমুদ্রসাথী প্রকল্পে টাকা বরাদ্দ হয়েছে কিনা। ডিরেক্টর অব ফিশারিজ-এর তরফে জানানো হয়েছে, ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে এই প্রকল্পের জন্য কোনও টাকা বরাদ্দ হয়নি। 
ফোরামের সভাপতি অমল ভুঁইয়া বলেন, একমাসের মধ্যে এই প্রকল্প বাস্তবায়িত করতে হবে। নয়তো জেলাশাসকের অফিস ঘেরাও করা হবে।
যাঁদের মৎস্যজীবী নিবন্ধীকরণ কার্ড রয়েছে, তাঁরাই এই প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করতে পারবেন। অভিযোগ, ওই কার্ডেই প্রচুর ভুল ও অসঙ্গতি রয়েছে। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শাসকদলের কিছু নেতা এমন লোকজনের নাম প্রকল্পের তালিকায় তুলেছে, যারা আদতে মৎস্যজীবী নয়। আবেদনকারীদের মধ্যে প্রকৃত মৎস্যজীবী কারা, তা এখনও ঝাড়াই-বাছাই করে উঠতে পারেনি মৎস্যদপ্তর। এছাড়া, মৎস্যজীবী সংগঠনের নেতাদের দাবি, প্রতিটি পঞ্চায়েতে সেই এলাকার নিবন্ধীকরণ কার্ড ও সমুদ্রসাথীর উপভোক্তাদের নাম টাঙিয়ে দেওয়া হোক। সেটাও করা হয়নি। এসব কারণে এখনও টাকা বরাদ্দ হয়নি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ