Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

সমাবর্তন ইস্যুতে স্থায়ী উপাচার্য পদ নিয়েই সংশয়! রাজভবনে ভাস্কর

সমাবর্তন ইস্যুতে স্থায়ী উপাচার্য পদ নিয়েই সংশয়! রাজভবনে ভাস্কর
  • ২১ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সমাবর্তন উৎসব নিয়ে টানাপোড়েনের আবহে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ নিয়েই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কেন তাঁর নির্দেশ না মেনে তড়িঘড়ি সমাবর্তন আয়োজন করা হয়েছে, তা নিয়ে বিরক্ত রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। উৎসবে উপস্থিত হওয়া দূরের কথা, এই ঘটনায় অস্থায়ী উপাচার্য ভাস্কর গুপ্তর কাছে জবাব তলব করেছেন তিনি। পরিস্থিতি সামাল দিতে শুক্রবারই রাজভবনে উপস্থিত হন ভাস্করবাবু। কারণ, একদিকে তিনি যাদবপুরের স্থায়ী উপাচার্য পদপ্রার্থী। অথচ রাজ্যপালকে চটিয়ে ফেলেছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যপাল ছাত্রস্বার্থে পদক্ষেপ করবেন বলে আশ্বাস দিলেও সমাবর্তনে যাবেন কি না, নিশ্চিত করেননি। শেষ পর্যন্ত স্থায়ী উপাচার্য হিসেবে ভাস্করবাবুর নামে তিনি সিলমোহর দেন কি না, সেটাও দেখার।
Advertisement
এদিন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গীয় গ্রন্থাগার পরিষদের একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল। সমাবর্তন প্রসঙ্গে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘সবকিছুই নিয়ম মেনে করা উচিত। এক সপ্তাহের মধ্যে এত ছাত্রছাত্রীর ডিগ্রির শংসাপত্রে স্বাক্ষর করব কীভাবে?’ সমাবর্তনে তিনি যাবেন কি না, সেই প্রসঙ্গ এখানেও এড়িয়ে গিয়েছেন রাজ্যপাল। ভাস্করবাবুর ঘনিষ্ঠদের দাবি, রাজ্যপাল বলতে চাইছেন, ১৭ ডিসেম্বর ইসি বৈঠকে সমাবর্তনের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। আসলে তা নয়। ২৭ অক্টোবরের ইসিতে সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটা শুধু ভাস্করবাবুর সিদ্ধান্ত নয়।
স্থায়ী উপাচার্য যতদিন না আসছেন, ততদিন যাদবপুরের সাংবাদিকতা বিভাগের জটিলতাও কাটছে না। উত্তরপত্র না দেখে নম্বর দেওয়া সংক্রান্ত বিতর্কে দোষী অধ্যাপকদের শাস্তিপ্রদান বা উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়নের বিষয়টিও ঝুলে রয়েছে। তবে শুক্রবার অবশেষে স্থায়ী উপাচার্য পেয়েছে আলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়। অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে স্থায়ী উপাচার্য হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের তরফে। তাঁকে নিয়োগপত্রও পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। 
সম্পর্কিত সংবাদ