লখনউ: উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে হিংসার ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির খরচ এবার হামলাকারীদের থেকেই তুলবে যোগী প্রশাসন। ২০২০ সালে সিএএ-বিরোধী আন্দোলনের সময়েও একই পদক্ষেপ নিয়েছিল তারা। বুধবার যোগী সরকারের এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, হিংসার ঘটনায় যুক্তদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পাথরবাজ ও দুষ্কৃতীদের ছবি প্রকাশ্যে সাঁটিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যত টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তার পুরোটাই অভিযুক্তদের থেকে আদায় করবে প্রশাসন। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারিতে সাহায্য করলে পুরস্কারেরও ঘোষণা করেছে রাজ্য।
Advertisement
গত রবিবার কোট গারভি এলাকার শাহি জামা মসজিদে সমীক্ষা ঘিরে ধুন্ধুমার বেধে যায়। পুলিসকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে স্থানীয়দের বিরুদ্ধে। পাল্টা পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে, লাঠি চালায় পুলিস। সম্বলের ওই হিংসার ঘটনায় পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, পুলিসকর্মী সহ বহু মানুষ জখম হয়েছেন। প্রশাসন সূত্রে খবর, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি অজ্ঞাত পরিচয় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাতটি এফআইআর দায়ের হয়েছে। মামলা করা হয়েছে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ জিয়া-উর-রহমান, স্থানীয় বিধায়কের ছেলে সোহেল ইকবালের বিরুদ্ধেও।
এর মধ্যেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। তাঁর দাবি, সম্বলে হিংসার ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে উত্তরপ্রদেশ পুলিস হুমকি দিচ্ছে। জোর করে সাদা কাগজে বুড়ো আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় নিহতদের পরিবারকে সুবিচার দিতে সুপ্রিম কোর্টকে মধ্যস্থতা করার আর্জি জানিয়েছেন অখিলেশ। এক্স হ্যান্ডলে সপা সুপ্রিমো লিখেছেন, হিংসার ঘটনায় নইম নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল। ঘটনার পরদিন রাতে ২০ জন পুলিসকর্মী তাঁর বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেয়। পরিবারের সদস্যদের সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে বারণ করা হয়। নইমের ভাই তাসলিমের অভিযোগ, সাদা কাগজে তাঁর বুড়ো আঙুলের ছাপ নিয়ে গিয়েছেন পুলিসকর্মীরা। এরপরই অখিলেশ জানিয়েছেন, কাউকে হুমকি দেওয়া, জোর করে সাদা কাগজে আঙুলে ছাপ নেওয়া অপরাধ। সুপ্রিম কোর্ট অবিলম্বে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিক।
এর মধ্যেই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন সমাজবাদী পার্টির সুপ্রিমো অখিলেশ যাদব। তাঁর দাবি, সম্বলে হিংসার ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে উত্তরপ্রদেশ পুলিস হুমকি দিচ্ছে। জোর করে সাদা কাগজে বুড়ো আঙুলের ছাপ নেওয়া হয়েছে। এই অবস্থায় নিহতদের পরিবারকে সুবিচার দিতে সুপ্রিম কোর্টকে মধ্যস্থতা করার আর্জি জানিয়েছেন অখিলেশ। এক্স হ্যান্ডলে সপা সুপ্রিমো লিখেছেন, হিংসার ঘটনায় নইম নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছিল। ঘটনার পরদিন রাতে ২০ জন পুলিসকর্মী তাঁর বাড়িতে গিয়ে হুমকি দেয়। পরিবারের সদস্যদের সংবাদমাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে বারণ করা হয়। নইমের ভাই তাসলিমের অভিযোগ, সাদা কাগজে তাঁর বুড়ো আঙুলের ছাপ নিয়ে গিয়েছেন পুলিসকর্মীরা। এরপরই অখিলেশ জানিয়েছেন, কাউকে হুমকি দেওয়া, জোর করে সাদা কাগজে আঙুলে ছাপ নেওয়া অপরাধ। সুপ্রিম কোর্ট অবিলম্বে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করে দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিক।



