Bartaman Logo
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

স্কুলের পড়ুয়াদের আর দেওয়া হবে না স্মার্ট ফোন ও ট্যাব, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আর স্মার্ট ফোন-ট্যাব প্রভৃতি দেবে না সরকার। এমনটাই জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জানুয়ারি মাসে এটা দেওয়া হত।

স্কুলের পড়ুয়াদের আর দেওয়া হবে না স্মার্ট ফোন ও ট্যাব, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
  • ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের আর স্মার্ট ফোন-ট্যাব প্রভৃতি দেবে না সরকার। এমনটাই জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জানুয়ারি মাসে এটা দেওয়া হত। শিক্ষা দপ্তরের দুই মন্ত্রী ও সচিবকে ইতিমধ্যে জানিয়ে দিয়েছি, মোবাইল আর দেওয়া যাবে না। তার বদলে পড়াশোনার জন্য অন্য কোনো আধুনিক জিনিস দেওয়ার বিষয়টি দেখতে বলেছি।’ স্কুলের ছাত্রছাত্রীদের মোবাইল ব্যবহারের অপকারিতা নিয়ে কিছুদিন ধরে সোচ্চার মুখ্যমন্ত্রী। কয়েকদিন আগে তিনি জানান, এ ব্যাপারে অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে। পড়ুয়ারা রাত জেগে মোবাইল দেখছে। এতে তাদের ক্ষতি হচেছ। এদিনের অনুষ্ঠানেও মুখ্যমন্ত্রী বিষয়টি নিয়ে শিক্ষকদের আরও সচেতন ও দায়িত্বশীল হওয়ার কথা বলেন।

Advertisement

তৃণমূল সরকার ২০২২ সালে উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পড়ুয়াদের স্মার্ট ফোন দেওয়ার প্রকল্পটি চালু করা হয়।  প্রকল্পের নাম দেওয়া হয় ‘তরুণের স্বপ্ন’। মোবাইল কেনার জন্য ছাত্রদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১০ হাজার টাকা পাঠানো হত। স্মার্ট ফোন বা ট্যাব যে অন্তত ১০ হাজার টাকা খরচ করে কেনা হয়েছে, তার বিল পেশ করতে হত ছাত্রদের। প্রথমে দ্বাদশ শ্রেণিতে ওঠার পর মোবাইল দেওয়া হত। পরবর্তীকালে একাদশ শ্রেণিতেই দেওয়া শুরু হয়। করোনাকালে অনলাইনে স্কুলের পড়াশোনা হত। সেই পরিপ্রেক্ষিতে পড়াশোনার সুবিধার জন্য এই প্রকল্প শুরু করা হয়। সরকারের আর্থিক অনুদানে চলা সব স্কুল-মাদ্রাসাতে এই প্রকল্প কার্যকর হয়। কয়েক বছর আগে এই প্রকল্প ঘিরে রাজ্যজুড়ে অভিযোগ ওঠে, বেশ কিছু ক্ষেত্রে ছাত্রের বদলে অন্যের অ্যাকাউন্টে টাকা গিয়েছে বলে। পুলিশ তদন্ত করে কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করে। এদিনে এই অনুষ্ঠান এবং তার আগে কেষ্টপুরে একটি গণেশ পুজোর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী জানান, রাজ্যে ধর্মীয় ও সনাতনী ঐতিহ্য বজায় রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে। ৩৪ বছরের বাম শাসন ও তারপর ১৫ বছরের তৃণমূল কংগ্রেসের রাজত্বে এই বিষয়টি অবহেলিত হয়েছে। পুজো প্রাঙ্গণে সিপিএমের বইয়ের স্টল নিয়ে এদিনও কটাক্ষ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ওই সব স্টলে গীতা, বেদ, বিবেকানন্দ, রামকৃষ্ণ, শ্রীচৈতন্যর উপর কোনো বই থাকে না। মাও সে তুং, কার্ল মার্ক্স, লেনিনের উপর বই থাকে।’ আগের মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে মহালয়ার আগে পিতৃপক্ষে পুজোর উদ্বোধন করতেন, তারও সমালোচনা করেন শুভেন্দুবাবু। এবার মহালয়ার দিন থেকে মাতৃপক্ষে পুজোর উদ্বোধন হবে।’

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ