প্যারিস, ২৮ জুন: ফ্রান্সে বড়োসড়ো বিমান দুর্ঘটনা। স্থানীয় সময় রবিবার সকালে ফ্রান্সের তঁম ব্লেঁ এলাকায় স্কাইডাইভিং অভিযানে ব্যবহৃত একটি ছোট যাত্রীবাহী বিমান উড়ানের কিছুক্ষণের পরই ভেঙে পড়ার ঘটনায় অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় প্রশাসন এবং সংবাদ মাধ্যমের প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।
স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, স্কাইডাইভারদের একটি দলকে নিয়ে বিমানটি অবতরণ করেছিল। নির্ধারিত উচ্চতায় পৌঁছে স্কাইডাইভিং শুরু হওয়ার আগেই বিমানটিতে হঠাৎ যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দেয়। আকাশেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বিমানটি। এরপর সেটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাটিতে আঁছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জরুরি পরিষেবা, দমকল এবং উদ্ধারকারী দল। ধ্বংসস্তূপে তল্লাশি চালানো হলেও প্রাথমিকভাবে কোনও জীবিত ব্যক্তির সন্ধান মেলেনি বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে,পাইলট এবং পাঁচজন শিক্ষার্থী ও পাঁচজন প্রশিক্ষকসহ ১০ জন যাত্রীই নিহত হয়েছেন বিমানটি কী কারণে ভেঙে পড়ল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। যান্ত্রিক ত্রুটি, প্রতিকূল আবহাওয়া নাকি অন্য কোনও কারণ এই দুর্ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। বিমানের ব্ল্যাক বক্সসহ অন্যান্য প্রযুক্তিগত তথ্যও পরীক্ষা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত নিহতদের পরিচয় প্রকাশ করেনি ফ্রান্স প্রশাসন। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে বিমান নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পৃথক তদন্তও শুরু হয়েছে। ঘটনার পর গোটা এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত ওই অঞ্চলে স্কাইডাইভিং-সংক্রান্ত বিমান চলাচলের ওপর সাময়িক বিধিনিষেধ জারি করা হতে পারে বলে স্থানীয় মহলের ধারণা।