নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এবার ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠল স্কটিশ চার্চ কলেজের মতো নামী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। বিএ জেনারেলের এক ছাত্রীকে শারীরশিক্ষার এক শিক্ষক বহুদিন ধরেই উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন বলে অভিযোগ। তাঁর জ্বালায় মাঠে শারীরশিক্ষার প্র্যাকটিক্যালেও যাওয়া বন্ধ করে দিতে হয় ওই তরুণীকে। এরপরে শুরু হয় মেসেজে বিরক্ত করা। তবে, খুব সুচতুরভাবে মেসেজ পাঠিয়ে সেগুলি মুছে দিতেন অভিযুক্ত শিক্ষক। অনেক সময় নাকি ছাত্রীকে ভয় দেখিয়েও সেগুলি মুছে ফেলা হতো। পাঠানো হতো অশ্লীল ভিডিও। অবশেষে কিছু প্রমাণ জুটিয়ে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে কলেজে অভিযোগ জানান ওই তরুণী। অভিযোগ পাওয়ার পরে বৃহস্পতিবার ওই শিক্ষককে সাসপেন্ড করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। তাঁর বিরুদ্ধে তদন্তও শুরু হয়েছে।
Advertisement
অভিযুক্ত শিক্ষককে দ্রুত শাস্তির দাবিতে কলেজের গেটের সামনে বিক্ষোভও হয়। খবর পেয়ে কলেজে যায় পুলিস। তবে পুলিসের দাবি, কলেজের অধ্যক্ষা মধুমঞ্জরী মণ্ডল তাদের জানিয়েছেন, এটি অভ্যন্তরীণ বিষয়। পুলিসকে অভিযোগ জানানোর কিছু নেই। অন্যদিকে, উল্টোডাঙার গুরুদাস কলেজে এক ছাত্রীকে মারধরের অভিযোগ ওঠে বুধবার। এদিন সেই ছাত্রী অধ্যক্ষের কাছে অভিযোগও জানান। ছাত্রীর অভিযোগ, পরীক্ষার ফর্ম ফিলাপ নিয়ে অব্যবস্থার অভিযোগ তোলায় তাঁকে বাসস্ট্যান্ড থেকে ডেকে আনেন মহিলা রক্ষী। সঙ্গে বেশ কিছু ছাত্রীও ছিলেন। মূলত, এক পুরুষ শিক্ষাকর্মীর নির্দেশেই তাঁকে টেনে এনে ইউনিয়ন রুমে ঢুকিয়ে যথেচ্ছ কিল-ঘুসি চালানো হয়। অধ্যক্ষকে অভিযোগ জানাতে গেলে পাল্টা ওই ছাত্রীর বিরুদ্ধেই আগে গালিগালাজ করার অভিযোগ করা হয়েছে। সংবাদ মাধ্যমের সামনে অধ্যক্ষ এবং অভিযুক্ত শিক্ষাকর্মী সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।



