নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: স্কুলছাত্রকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছিল বাস কন্ডাক্টরের বিরুদ্ধে। পাল্টা অভিভাবকদের বিরুদ্ধে ওই কন্ডাক্টরকে মারধরের অভিযোগ তুলেছেন বাসকর্মীরা। এঘটনায় বাসকর্মী ও অভিভাবকদের ঝামেলার জেরে মঙ্গলবার নৃসিংহপুর ঘাট থেকে কৃষ্ণনগর ও রানাঘাটগামী বাস চলাচল বন্ধ থাকল। ফলে নিত্যযাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন। খবর পেয়ে শান্তিপুর থানার পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তাদের মধ্যস্থতায় অবশেষে বাস পরিষেবা স্বাভাবিক হয়।
Advertisement
ঠিক কী ঘটেছিল? দু’পক্ষের তরফেই ভিন্নভিন্ন দাবি করা হয়েছে। তবে পুলিস জানিয়েছে, মূল ঘটনাটি সোমবার ঘটে। সেদিন চলন্ত বাসের দরজায় এক স্কুলছাত্র দাঁড়িয়ে ছিল। কন্ডাক্টর তাকে বারবার বাসের ভিতরে ঢুকতে বলছিলেন। কিন্তু ওই ছাত্র সেকথায় কর্ণপাত না করে দরজাতেই ঠায় দাঁড়িয়েছিল। এর ফলে কন্ডাক্টর ওই পড়ুয়াকে বাস থেকে নামিয়ে দেন। অভিযোগ, সেসময় ওই পড়ুয়াকে ধাক্কা দেওয়া হয়। ফলে ওই পড়ুয়ার চোখ থেকে চশমা খুলে ভেঙে যায়।
সমস্যার সূত্রপাত ওই ঘটনা থেকেই। এরপর মঙ্গলবার শান্তিপুরের কাশ্যপপাড়া এলাকায় ওই বাসটি আটকে একদল অভিভাবক বিক্ষোভ দেখান। বাসকর্মীদের অভিযোগ, সেসময় অভিযুক্ত কন্ডাক্টরকে মারধর করা হয়েছে। এরই প্রতিবাদে কৃষ্ণনগর-কালনাঘাট, কৃষ্ণনগর-রানাঘাট-কালনাঘাট সহ একাধিক রুটে বাস চালানো বন্ধ করে দেন তাঁরা। ফলে ব্যাপক যাত্রীদুর্ভোগ দেখা দেয়। প্রতিদিন বহু যাত্রী এসমস্ত রুটে যাতায়াত করেন। কিন্তু এদিন হুগলি, বর্ধমান সহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে বহু নিত্যযাত্রী এসে বাস না পেয়ে প্রচণ্ড সমস্যায় পড়েন।
ওই বাসের চালক বুলান মাহাত বলেন, ওই পড়ুয়া অনেকক্ষণ ধরে বাসের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। ফলে অন্য যাত্রীদের ওঠানামায় অসুবিধা হচ্ছিল। বারবার বলাতেও সে না সরায় তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এদিন আমার বাসের কন্ডাক্টরকে নামিয়ে মারধর করা হয়। ঝামেলার খবর পেয়ে শান্তিপুর থানার পুলিস এলাকায় পৌঁছে যায়। তারা প্রথমে অভিযুক্ত বাস কন্ডাক্টরকে আটক করে। তবে কোনও পক্ষের তরফেই পুলিসের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। সেকারণে পুলিস দু’পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া হয়। তবে দীর্ঘক্ষণ বাস পরিষেবা বন্ধ থাকার কারণে যাত্রী ভোগান্তির বিষয়টি পুলিস স্বীকার করেনি। তাদের দাবি, সাময়িকভাবে বাস চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। তবে পরে তা স্বাভাবিক হয়ে যায়।
সমস্যার সূত্রপাত ওই ঘটনা থেকেই। এরপর মঙ্গলবার শান্তিপুরের কাশ্যপপাড়া এলাকায় ওই বাসটি আটকে একদল অভিভাবক বিক্ষোভ দেখান। বাসকর্মীদের অভিযোগ, সেসময় অভিযুক্ত কন্ডাক্টরকে মারধর করা হয়েছে। এরই প্রতিবাদে কৃষ্ণনগর-কালনাঘাট, কৃষ্ণনগর-রানাঘাট-কালনাঘাট সহ একাধিক রুটে বাস চালানো বন্ধ করে দেন তাঁরা। ফলে ব্যাপক যাত্রীদুর্ভোগ দেখা দেয়। প্রতিদিন বহু যাত্রী এসমস্ত রুটে যাতায়াত করেন। কিন্তু এদিন হুগলি, বর্ধমান সহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে বহু নিত্যযাত্রী এসে বাস না পেয়ে প্রচণ্ড সমস্যায় পড়েন।
ওই বাসের চালক বুলান মাহাত বলেন, ওই পড়ুয়া অনেকক্ষণ ধরে বাসের দরজার সামনে দাঁড়িয়ে ছিল। ফলে অন্য যাত্রীদের ওঠানামায় অসুবিধা হচ্ছিল। বারবার বলাতেও সে না সরায় তাকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এদিন আমার বাসের কন্ডাক্টরকে নামিয়ে মারধর করা হয়। ঝামেলার খবর পেয়ে শান্তিপুর থানার পুলিস এলাকায় পৌঁছে যায়। তারা প্রথমে অভিযুক্ত বাস কন্ডাক্টরকে আটক করে। তবে কোনও পক্ষের তরফেই পুলিসের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়নি। সেকারণে পুলিস দু’পক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসে। আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে নেওয়া হয়। তবে দীর্ঘক্ষণ বাস পরিষেবা বন্ধ থাকার কারণে যাত্রী ভোগান্তির বিষয়টি পুলিস স্বীকার করেনি। তাদের দাবি, সাময়িকভাবে বাস চলাচল ব্যাহত হয়েছিল। তবে পরে তা স্বাভাবিক হয়ে যায়।



