নিজস্ব প্রতিনিধি, বরানগর: স্কুল পড়ুয়াদের ঝামেলার জেরে দুই ওয়ার্ডের কাউন্সিলারের অনুগামীদের মারপিটে বরানগরের রবীন্দ্রনগরে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল। মারপিটে চারজন জখম হওয়ার পাশাপাশি বরানগর থানার ওসি সহ পুলিসকর্মীরাও বিক্ষোভের মুখে পড়েন। পুলিস দু’পক্ষের দু’জনকে আটক করেছে। পরে শাসক দলের দুই কাউন্সিলার ও স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব আলোচনায় বসে সমস্যা মিটিয়ে নেন। কোনওপক্ষই থানায় অভিযোগ দায়ের করেনি। বরানগর থানার পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগ দায়ের না হওয়ায় পদক্ষেপ নেওয়ার কোনও প্রশ্ন নেই।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার দুপুরে ডানলপ মোড়ের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের এক বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াদের মধ্যে ঝামেলা হয়। আলমবাজার এলাকার কয়েকজন পড়ুয়া সন্ধ্যায় দলবল নিয়ে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের রবীন্দ্রনগরে আসে। তারা এক একাদশ শ্রেণির পড়ুয়াকে মারধর করার পাশাপাশি তার বাবাকেও হেনস্তা করে বলে অভিযোগ। স্থানীয়রা তাদের আটকে রাখে। এরপর আলমবাজার এলাকার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলারের দুই ছেলে সহ দলবল ফের রবীন্দ্রনগরে আসে। তারা এলাকায় এসে মারধর শুরু করে বলে অভিযোগ। খবর পেয়ে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শান্তনু মজুমদারের দলবলও মাঠে নামে। দুই পক্ষের হাতাহাতিতে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। বরানগর থানার ওসির নেতৃত্বে বড় পুলিস বাহিনী এলে বিক্ষোভের মুখে পড়ে। পরে পুলিস দুই গোষ্ঠীর দু’জনকে আটক করে নিয়ে যায়।
৭ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল সভাপতি অজয় গুপ্তা বলেন, আমার বউদি ওয়ার্ড কাউন্সিলার। সমস্যার খবর শুনে আমার দুই ভাইপো রবীন্দ্রনগর গিয়েছিল। সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, মিটে গিয়েছে। ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শান্তনু মজুমদার বলেন, স্কুল পড়ুয়াদের ঝামেলা বড়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে বিধায়ক ও থানার ওসির মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।
৭ নম্বর ওয়ার্ড তৃণমূল সভাপতি অজয় গুপ্তা বলেন, আমার বউদি ওয়ার্ড কাউন্সিলার। সমস্যার খবর শুনে আমার দুই ভাইপো রবীন্দ্রনগর গিয়েছিল। সামান্য ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, মিটে গিয়েছে। ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার শান্তনু মজুমদার বলেন, স্কুল পড়ুয়াদের ঝামেলা বড়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছিল। পরে বিধায়ক ও থানার ওসির মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়েছে।



