রাঁচি: বিজেপি যতদিন রয়েছে, সংখ্যালঘুদের জন্য আলাদা সংরক্ষণ করতে দেওয়া হবে না। ঝাড়খণ্ডের পালামৌয়ে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন, কংগ্রেস দেশে ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের কথা বলছে। কিন্তু সংবিধানে এমন সংরক্ষণের কোনও সংস্থান নেই। আমরা কোনও ধর্মের জন্যই সংরক্ষণের ব্যবস্থা করব না। মহারাষ্ট্রে কিছু উলেমা কংগ্রেসের কাছে স্মারকলিপি দিয়ে দাবি করেছে, ১০ শতাংশ সংরক্ষণ চাই। প্রদেশ কংগ্রেস সভপিতি তাদের আশ্বাসও দিয়েছেন। এরপরই রাহুল গান্ধীকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে শাহ বলেন, রাহুল বাবা, যতই ষড়যন্ত্র তোমার মাথায় আসুক, বিজেপি যতদিন থাকবে ততদিন সংখ্যালঘুদের জন্য সংরক্ষণ সম্ভব হবে না।
Advertisement
জাতিগণনা ও সংবিধান রক্ষা নিয়ে রাহুল গান্ধীর আক্রমণ লোকসভা ভোটে বিজেপিকে চাপের মুখে ফেলেছিল। সেই আক্রমণ জারি রেখেছেন রায়বেরিলির সাংসদ। এবার ঝাড়খণ্ড ও মহারাষ্ট্রের আসন্ন ভোটের প্রচারে বিরোধী দলনেতাকে নিশানা করতে গিয়ে মেরুকরণের এই কৌশল বেছে নিয়েছে গেরুয়া শিবির। শনিবার ঝাড়খণ্ডে প্রচারে এসে একদিকে সংবিধান ও অন্যদিকে মেরুকরণের অস্ত্রে শান দিলেন স্বয়ং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন শাহ বলেছেন, রাহুল সংবিধানের ‘ভুয়ো’ কপি দেখাচ্ছেন। এভাবে তিনি সংবিধান নিয়ে প্রহসন চালাচ্ছেন। জাতিভিত্তিক জনগণনার দাবিতে সুর চড়াচ্ছেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি। তিনি সংরক্ষণের ৫০ শতাংশ তুলে দেওয়ার কথা বলছেন। অনগ্রসর শ্রেণির জন্য রাহুলের এই কৌশলের ঢাল হিসেবে মেরুকরণকে হাতিয়ার করেছেন শাহ। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস আসলে ওবিসি, আদিবাসী ও দলিতদের সংরক্ষণ ছিনিয়ে নিয়ে সংখ্যালঘুদের দিতে চাইছে।
এদিকে, আর এক সভায় বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা বলেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারী বাবা ও আদিবাসী মায়ের সন্তানকে উপজাতির অধিকার দেওয়া হবে না। বিজেপি অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করবে না।
এদিকে, আর এক সভায় বিজেপি সভাপতি জে পি নাড্ডা বলেছেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশকারী বাবা ও আদিবাসী মায়ের সন্তানকে উপজাতির অধিকার দেওয়া হবে না। বিজেপি অনুপ্রবেশ বরদাস্ত করবে না।



