সংবাদদাতা, বনগাঁ: একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনায় ধৃত প্রহ্লাদ দাসের প্রথম টার্গেট ছিল নির্যাতিতার দিদি! পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত কয়েক বছর আগে তার দিদিকে নানাভাবে বিরক্ত করত। তাঁকে প্রেমের প্রস্তাবও দিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। বিষয়টি নিয়ে পরিবারে অশান্তি হয়েছিল। সেই সময় দিদির বিয়ে হয়ে যাওয়ায় পরবর্তীতে সেজো বোনকে টার্গেট করে প্রহ্লাদ। কিন্তু কোনোভাবেই তাকে রাজি করাতে পারছিল না। নির্যাতিতার মা বলেন, বড়ো মেয়ে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় সে সেজো মেয়েকে একই প্রস্তাব দিয়েছিল। পরিবারের দাবি, ঘটনার দিন সেজো মেয়ে অনুষ্ঠান দেখতে গেলে কাছেই একটি বাইকের উপর দীর্ঘক্ষণ বসেছিল ওই যুবক। রাত ১২টা নাগাদ কিশোরীকে ফোন করে ডেকে নিয়ে যায় সে। এরপর জোর করে ধর্ষণ করে খুন করে। এলাকার সকলের দাবি, দোষীর সর্বোচ্চ শাস্তি হোক।
রামচন্দ্রপুর বাজারে একটি সেলুনের দোকান রয়েছে প্রহ্লাদের। কিশোরী বাজারে এলে সে তাকে নানাভাবে উত্ত্যক্ত করত বলে স্থানীয়দের দাবি। তবে নিজের পাড়ায় বেশি সময় থাকত না অভিযুক্ত। এলাকাবাসীর সঙ্গেও সেভাবে মিশত না।



