Bartaman Logo
৭ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এসআইআর ডিজিটাইজেশন: শহরে ১০০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে শুধুমাত্র মানিকতলা বিধানসভায়

এসআইআর পর্বে এখন ভোটারদের পূরণ করা ইনিউমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজেশনের কাজ চলছে।

এসআইআর ডিজিটাইজেশন: শহরে ১০০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে শুধুমাত্র মানিকতলা বিধানসভায়
  • ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: এসআইআর পর্বে এখন ভোটারদের পূরণ করা ইনিউমারেশন ফর্ম ডিজিটাইজেশনের কাজ চলছে। সেই কাজ কোথায় কতটা এগোলো, তা নিয়ে প্রতিদিনই সব জেলা থেকে খোঁজখবর নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। বিভিন্ন জেলার একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে ১০০ শতাংশ ফর্ম ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন। সেই তুলনায় অনেকটাই পিছিয়ে আছে কলকাতা। রাজ্যের রাজধানী শহরে একমাত্র মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রে এই কাজ ১০০ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে। কলকাতার অন্যান্য বিধানসভাগুলিতে কাজ শেষ হতে আরও কিছুটা সময় লাগবে। সূত্রের খবর, টালিগঞ্জ, যাদবপুর, কসবা, বেহালা পূর্ব ও পশ্চিম বিধানসভায় ৯০ থেকে ৯৬ শতাংশ ফর্মের ডিজিটাইজেশন সম্পন্ন হয়েছে। 

Advertisement

কেন এই পরিস্থিতি? তার ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে নির্বাচনী আধিকারিকরা বলছেন, এক্ষেত্রে গ্রামের দিকে কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে, যা কলকাতার মতো শহরে মেলে না। এখানে ভোটার তালিকায় থাকা ঠিকানা দেখে বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিএলওরা দেখছেন, অনেকেই অন্যত্র চলে গিয়েছেন। কোনও কোনও বাড়িতে আবার তালা ঝুলছে। হাঁকডাক করেও কারও দেখা মিলছে না। এরকম একাধিক কারণে ফর্ম বিলি ও তা সংগ্রহ করার কাজ বিলম্বিত হয়েছে। তাছাড়া, বেশ কিছু আবাসনে প্রথম দিকে বিএলওদের ঢুকতেই দেওয়া হচ্ছিল না। তাতেও কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তাহলে মানিকতলায় ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষ করা সম্ভব হল কীভাবে? এই বিধানসভা কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত নির্বাচনী আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, মানিকতলায় ২৭৭টি বুথ। শুরু থেকেই বিএলওদের কাজ বুঝিয়ে নামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কোথাও তেমন কোনও বাধা বা ঝামেলার সম্মুখীন হতে হয়নি তাঁদের। মানিকতলা বিধানসভা এলাকায় যেমন একাধিক বস্তি অঞ্চল রয়েছে, তেমনই রয়েছে বহুতল আবাসন। কিন্তু কোনও ক্ষেত্রেই বিএলওদের বড় কোনও সমস্যায় পড়তে হয়নি। এসআইআর সংক্রান্ত অন্যান্য জটিলতাও তুলনামূলক কম ছিল এখানে। ফলে সময়ের অনেক আগে কাজ শেষ করা গিয়েছে। এখন চলছে ভেরিফিকেশনের পর্ব। 
কমিশনের শনিবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, ডিজিটাইজেশনের কাজ শেষ করে ফেলেছে রাজ্যের ৪৪টি বিধানসভা কেন্দ্র। এর মধ্যে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগর, হাওড়ার শ্যামপুর, বাগনান, আমতা, পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ ইত্যাদি কেন্দ্রগুলি রয়েছে। অনেক বিধানসভায় ৯৯.৯৯ শতাংশ ডিজিটাইজেশন শেষ হয়েছে। দু’-একদিনের তারা ১০০ শতাংশ ডিজিটাইজেশন সেরে ফেলবে। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, দু’টি এমন জেলা রয়েছে, যেখানে সব বিধানসভাতেই এই কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে। জেলা দু’টি হল দক্ষিণ দিনাজপুর ও আলিপুরদুয়ার। কয়েকটি জেলায় ৯৮-৯৯ শতাংশ কাজ শেষ। কমিশনের এক পদস্থ আধিকারিক জানান, অন্য রাজ্যগুলির তুলনায় পশ্চিমবঙ্গের সর্বত্র ডিজিটাইজেশনের হার সন্তোষজনক। মূলত শহরাঞ্চলে ডিজিটাইজেশনের কাজ পুরোপুরি শেষ করা যায়নি। আগামী ১১ তারিখের মধ্যে সেই কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিএলওদের।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ