Bartaman Logo
২৮ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

এসআইআর: মৃতদের পরিবারের পাশে থাকতে প্রতিনিধি পাঠালেন অভিষেক

এসআইআর আতঙ্কে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আত্মহত্যার ঘটনা সামনে আসছে। অসহায় পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল।

এসআইআর: মৃতদের পরিবারের পাশে থাকতে প্রতিনিধি পাঠালেন অভিষেক
  • ৯ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: এসআইআর আতঙ্কে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে আত্মহত্যার ঘটনা সামনে আসছে। অসহায় পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল। এর জন্য দলের নেতা, জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে একটি টিম তৈরি করছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই টিমের সদস্যরা পরিবারগুলির কাছে যাচ্ছেন। তাঁদের পাশে থাকা এবং সবরকম সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হচ্ছে। 

Advertisement

গত ৪ নভেম্বর থেকে এসআইআরের কাজ শুরু হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের ইনিউমারেশন ফর্ম বিতরণ করছেন বুথ লেভেল অফিসার বা বিএলওরা। এর সঙ্গেই এসআইআর নিয়ে রাজ্যবাসীর মধ্যে বাড়ছে উদ্বেগ, আতঙ্ক। তৃণমূলের দাবি, তার জেরেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটছে আত্মহত্যার ঘটনা। শুধু তাই নয়, ওই সব পরিবারের একাধিক সদস্যও তেমনই দাবি করেছেন। কোনও কোনও ক্ষেত্রে সুইসাইড নোটে আত্মহত্যার কারণ হিসেবে এসআইআর আতঙ্ককেই দায়ী করা হয়েছে। তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, বাংলা বিরোধী বিজেপি কেন্দ্রীয় সরকারকে কাজে লাগিয়ে এসআইআরের চক্রান্ত করছে। এর প্রতিবাদে মিছিল এবং সভা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন অভিষেকও। এই প্রেক্ষাপটেই নির্বাচন কমিশনকে বিজেপির সহকারী সংস্থা আখ্যা দিয়েছেন তিনি। আগামী দিনে বাংলার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলন দিল্লি পর্যন্ত নিয়ে যাওয়ার কর্মসূচি রয়েছে তৃণমূলের। তার আগেই এসআইআর আতঙ্কে যাঁরা আত্মহত্যা করেছেন, সেই পরিবারগুলির পাশে থাকার সংকল্প নিয়েছে তৃণমূল। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যাযয়ের তৈরি করে দেওয়া টিমের সদস্যরা শনিবার থেকে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যাওয়া শুরু করেছেন। 
এসআইআর আতঙ্কে প্রথম মর্মান্তিক ঘটনা সামনে আসে উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি থেকে। আত্মহত্যা করেন প্রদীপ কর। পানিহাটিতে গিয়ে অভিষেক আওয়াজ তোলেন, ‘সারা বাংলার একটাই স্বর, জাস্টিস ফর প্রদীপ কর।’ সেই সূত্রেই শনিবার প্রদীপ করের বাড়িতে যান তৃণমূল সাংসদ পার্থ ভৌমিক এবং সামিরুল ইসলাম। এই জেলারই টিটাগড়ে মারা গিয়েছেন কাকলি সরকার। তাঁর বাড়িতে এদিন গিয়েছিলেন মন্ত্রী শশী পাঁজা এবং তৃণমূলের ছাত্রনেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য। ডানকুনিতে মারা গিয়েছেন হাসিমা বেগম। তাঁর বাড়িতে যান মন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তৃণমূলের যুব নেতা সুদীপ রাহা। পাশাপাশি, হুগলির শ্রীরামপুরে প্রয়াত বিতি দাসের বাড়িতে যান তৃণমূল বিধায়ক অরিন্দম গুই এবং নেত্রী জয়া দত্ত। উলুবেড়িয়ায় প্রয়াত জাহির মালের বাড়িতে গিয়েছিলেন মন্ত্রী পুলক রায় এবং তৃণমূল নেতা অরূপ চক্রবর্তী। পরিবারগুলি যেন কোনওভাবেই অসহায় বোধ না কর এবং তৃণমূল সবসময় তাদের পাশে আছে—এই বার্তাই দিয়ে এসেছেন তাঁরা। - ফাইল চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ