সুব্রত ধর, শিলিগুড়ি: ‘চিকেন নেক’ শিলিগুড়ি সংলগ্ন বাংলাদেশ সীমান্তের নজরদারি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অভিযোগ, বিএসএফের একাংশের গাফিলতির জেরেই শ্রমিকের বেশে চোরাপথে সীমান্ত টোপকে ‘শিলিগুড়ি করিডর’ দিয়ে ভিনরাজ্যে পাড়ি দিচ্ছে বাংলাদেশিরা। হিন্দি সিনেমার স্টার সইফ আলি খানের উপর হামলার ঘটনায় বাংলাদেশি যুবক গ্রেপ্তারের পর এমন সওয়াল করেছে বিভিন্ন মহল। কারণ ধৃত শিলিগুড়ি করিডর হয়েই মায়ানগরী মুম্বইয়ে পাড়ি দিয়েছিল বলে খবর। একইসঙ্গে বাংলাদেশি জঙ্গি সংগঠন ও চীনের টার্গেট ‘চিকেন নেক’-এর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উপঠছে।
Advertisement
বিএসএফের উত্তরবঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের অফিসাররা অবশ্য গাফিলতির অভিযোগ মানতে নারাজ। বিএসএফের শীর্ষ কর্তারা জানান, জওয়ানরা সীমান্তে সর্বদা সক্রিয় রয়েছেন। এজন্যই মাঝেমধ্যেই বিভিন্ন সীমান্ত থেকে গোরুপাচারকারী, চোরাচালানকারী ও বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়ছে। শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেট ও দার্জিলিং জেলা পুলিসের অফিসাররা জানান, চিকেন নেকের সুরক্ষায় তারা গ্রামে ও শহরের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে নজরদারি বাড়িয়েছে। বিভিন্ন স্থানে নাকা তল্লাশি চলছে। পাশাপাশি বিএসএফ ও এসএসবি’র সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হয়েছে।
কয়েকদিন আগে মুম্বইয়ের পতৌদি হাউসে হানা দেয় এক বাংলাদেশি দুষ্কৃতী। সেই দুষ্কৃতীর হামলায় জখম হন হিন্দি সিনেমার সুপার স্টার সইফ। সেই ঘটনায় ধৃত বাংলাদেশি দুষ্কৃতীর সঙ্গে শিলিগুড়ির সংস্রব মিলছে বলে খবর। এনিয়ে রবিবার দিনভর শহরের হাট, বাজার ও চায়ের দোকানে, ঠেকে জোর চর্চা হয়েছে। শিলিগুড়ির একটি কলেজের অধ্যাপক নিতাই সাহা বলেন, বালিউড স্টারের উপর হামলার ঘটনার সঙ্গে এখানকার যোগসূত্র মিলবে, তা ভাবতেই পারছি না। বিষয়টি ভয়ঙ্কর। শহরের আরএক ইংরেজির শিক্ষক দেবব্রত কর বলেন, সইফের উপর হামলাকারী এই শহরের উপর দিয়ে মুম্বই পাড়ি দিয়েছে, তা ভাবতেই অবাক লাগছে। বিষয়টি উদ্বেগের।
দেবব্রত বা নিতাইদের মতো ব্যবসায়ী অলোক দাস, বেসরকারি সংস্থার কর্মী দুলাল দে সকলেই ঘটনাটি নিয়ে বিস্মিত। তাঁরা শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি নিয়ে খামতি রয়েছে। এজন্যই চোরাপথে বাংলাদেশিরা এপারে এসে অপরাধ সংগঠিত করছে। এ ব্যাপারে বিএসএফ ও পুলিসকে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। তা না হলে চিকেন নেকে যেকোনও সময় হামলা চালাতে পারে জেহাদি জঙ্গি সংগঠন।
উত্তরবঙ্গ তো বটেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা শিলিগুড়ি করিডর। দেশের মানচিত্রে এই করিডরের আকৃতি মুরগির ঘাড়ের মতো। সংশ্লিষ্ট সঙ্কীর্ণ এলাকার অধীনে শিলিগুড়ি, মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, ফাঁসিদেওয়া, চোপড়া এবং ইসলাপুরের কিছু অংশ রয়েছে। যা ‘চিকেন নেক’ হিসেবে পরিচিত। এর পূর্বে নেপাল ও পশ্চিমে বাংলাদেশ। এখনও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ফাঁসিদেওয়া, জলপাইগুড়ির বেরুবাড়ি, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ প্রভৃতি এলাকার বেশকিছু জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ হয়নি। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি উন্মুক্ত। কিছু জায়গায় নদীও আছে। বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর উত্তরবঙ্গে সীমান্ত এলাকাগুলি ক্রমশ স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। সেই এলাকাগুলি থেকে শিলিগুড়ির দূরত্ব খুব বেশি নয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি থেকে সড়ক পথে সহজেই এখানে আসা যায়।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, একদা শিলিগুড়ি করিডর ব্যবহার করে আল কায়েদা জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা গুজরাটে পাড়ি দিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। হামলা চালিয়ে সংশ্লিষ্ট করিডরকে উত্তর-পূর্ব ভারতকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়াই আনসারুল্লা বাংলা টিমের (এবিটি) টার্গেট। এমন প্রেক্ষাপটে সইফের উপর হামলায় ধৃত বাংলাদেশির সঙ্গে এই করিডরের যোগসূত্র মেলার বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে। ফাইল চিত্র।
কয়েকদিন আগে মুম্বইয়ের পতৌদি হাউসে হানা দেয় এক বাংলাদেশি দুষ্কৃতী। সেই দুষ্কৃতীর হামলায় জখম হন হিন্দি সিনেমার সুপার স্টার সইফ। সেই ঘটনায় ধৃত বাংলাদেশি দুষ্কৃতীর সঙ্গে শিলিগুড়ির সংস্রব মিলছে বলে খবর। এনিয়ে রবিবার দিনভর শহরের হাট, বাজার ও চায়ের দোকানে, ঠেকে জোর চর্চা হয়েছে। শিলিগুড়ির একটি কলেজের অধ্যাপক নিতাই সাহা বলেন, বালিউড স্টারের উপর হামলার ঘটনার সঙ্গে এখানকার যোগসূত্র মিলবে, তা ভাবতেই পারছি না। বিষয়টি ভয়ঙ্কর। শহরের আরএক ইংরেজির শিক্ষক দেবব্রত কর বলেন, সইফের উপর হামলাকারী এই শহরের উপর দিয়ে মুম্বই পাড়ি দিয়েছে, তা ভাবতেই অবাক লাগছে। বিষয়টি উদ্বেগের।
দেবব্রত বা নিতাইদের মতো ব্যবসায়ী অলোক দাস, বেসরকারি সংস্থার কর্মী দুলাল দে সকলেই ঘটনাটি নিয়ে বিস্মিত। তাঁরা শিলিগুড়ি করিডরের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁদের অভিযোগ, বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি নিয়ে খামতি রয়েছে। এজন্যই চোরাপথে বাংলাদেশিরা এপারে এসে অপরাধ সংগঠিত করছে। এ ব্যাপারে বিএসএফ ও পুলিসকে আরও বেশি সতর্ক হতে হবে। তা না হলে চিকেন নেকে যেকোনও সময় হামলা চালাতে পারে জেহাদি জঙ্গি সংগঠন।
উত্তরবঙ্গ তো বটেই দেশের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা শিলিগুড়ি করিডর। দেশের মানচিত্রে এই করিডরের আকৃতি মুরগির ঘাড়ের মতো। সংশ্লিষ্ট সঙ্কীর্ণ এলাকার অধীনে শিলিগুড়ি, মাটিগাড়া, নকশালবাড়ি, ফাঁসিদেওয়া, চোপড়া এবং ইসলাপুরের কিছু অংশ রয়েছে। যা ‘চিকেন নেক’ হিসেবে পরিচিত। এর পূর্বে নেপাল ও পশ্চিমে বাংলাদেশ। এখনও বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী ফাঁসিদেওয়া, জলপাইগুড়ির বেরুবাড়ি, কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ প্রভৃতি এলাকার বেশকিছু জায়গায় কাঁটাতারের বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ হয়নি। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি উন্মুক্ত। কিছু জায়গায় নদীও আছে। বাংলাদেশে শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর উত্তরবঙ্গে সীমান্ত এলাকাগুলি ক্রমশ স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে। সেই এলাকাগুলি থেকে শিলিগুড়ির দূরত্ব খুব বেশি নয়। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলি থেকে সড়ক পথে সহজেই এখানে আসা যায়।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, একদা শিলিগুড়ি করিডর ব্যবহার করে আল কায়েদা জঙ্গি সংগঠনের সদস্যরা গুজরাটে পাড়ি দিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। হামলা চালিয়ে সংশ্লিষ্ট করিডরকে উত্তর-পূর্ব ভারতকে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়াই আনসারুল্লা বাংলা টিমের (এবিটি) টার্গেট। এমন প্রেক্ষাপটে সইফের উপর হামলায় ধৃত বাংলাদেশির সঙ্গে এই করিডরের যোগসূত্র মেলার বিষয়টি ভাবিয়ে তুলেছে। ফাইল চিত্র।



