নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপের বিভিন্ন বিলাসবহুল হোটেলে নিত্যনতুন গার্লফ্রেন্ডদের নিয়ে চলত দেদার হুল্লোড়। রাতভর পার্টি শেষে সেই হোটেলেই থাকার ব্যবস্থা। এক রাতে উড়ে যেত লক্ষ লক্ষ টাকা। সেই সঙ্গে সুন্দরী বান্ধবীদের জন্য দামী দামী উপহার তো আছেই। পশ্চিমবঙ্গ সহ গোটা দেশে ২৪০ কোটি টাকা সাইবার প্রতারণার অভিযুক্তদের এহেন ‘লাইফস্টাইল’ দেখে তাজ্জব রাজ্য পুলিসের সাইবার ক্রাইম উইংয়ের অফিসাররা।
Advertisement
অভিযুক্ত মায়াঙ্ক চৌধুরি, অমিত জিন্দাল ও অভিষেক বানশাল যে আর্থিকভাবে যথেষ্ট সচ্ছল পরিবারের ছেলে, তা বুঝতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। তাঁরা জেনেছেন, দুবাইতে প্লাস্টিকের ব্যবসা রয়েছে অমিতের। সেই সুবাদে তার নিয়মিত যাতায়াত ছিল সেখানে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের ঠকিয়ে দুবাইয়ে আশ্রয় নেওয়া এক অভিযুক্তের সঙ্গে সেখানকার এক ক্যাসিনোয় তার পরিচয় হয়। তার থেকেই সাইবার প্রতারণার ‘শিক্ষা’ পায় অমিত। এরপর ব্যবসার সূত্রে নেপালে গিয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগ হয় মায়াঙ্ক ও অভিষেকের। সেখান থেকেই তারা শেয়ার ট্রেডিংয়ের নামে প্রতারণার কারবার ফাঁদার পরিকল্পনা করে। এভাবেই দেশজুড়ে প্রতারণা চালিয়েছে তারা।
তদন্তকারীদের অভিযুক্তরা জানিয়েছে, তাদের দৈনিক রোজগার ছিল কোটিতে! প্রতিদিন এক-একজন চার থেরে পাঁচ লক্ষ টাকা খরচ করত। বিপুল পরিমাণ নগদ হাতে থাকায় তাদের যাতায়াত, খাওয়াদাওয়া, নাইট পার্টি সবটাই ছিল বৈভবে মোড়া। ইউরোপের সবচেয়ে দামি ব্র্যান্ডের শার্ট বা টি-শার্ট, জুতো, রোদ চশমা ব্যবহারে অভ্যস্ত ছিল তিনজনই। লেটেস্ট মডেলের গাড়ি ব্যবহার ছিল তাদের ফ্যাশন। নতুন যে কোনও গাড়ি বাজারে এলেই তারা কিনে ফেলত। কয়েকদিন ব্যবহারের পর আসত আবার একটি নতুন গাড়ি। শুধু তাই নয়, সবচেয়ে অভিজাত ও খরচবহুল এলাকায় ফ্ল্যাট নিয়েছিল সাইবার জালিয়াতরা। উইক-এন্ড কাটানোর জন্য কিনেছিল বাংলো। বান্ধবীদের নিয়ে থাইল্যান্ড, লন্ডন, মালেশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে ছুটি কাটাতে যেতে অভ্যস্ত ছিল তারা। যাতায়াত করত বিমানের এগজিকিউটিভ ক্লাসে। এমনকী, লাতিন আমেরিকা থেকে আমদানি করা বহুমূল্যের মাদক সেবন করত তারা। সেই সঙ্গে ক্যাসিনোয় গিয়ে জুয়া খেলে লক্ষ লক্ষ টাকা উড়িয়ে দেওয়া তাদের কাছে জলভাত ছিল। প্রতি রাতে পার্টি করে তারা চার-পাঁচ লক্ষ টাকা উড়িয়ে দিত বলে নিজেরাই জানিয়েছে ওই অভিযুক্তরা। তাদের একটি প্রাইভেট জেট কেনার পরিকল্পনাও চলছিল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, অমিতের প্লাস্টিকের ব্যবসা সহ দুবাইতে রিয়েল এস্টেটে তিন অভিযুক্তের টাকা খাটছে। সেখানে খোলা হয়েছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। ধরা পড়ার আগের রাতেও কলকাতার একটি হোটেলে পার্টি করেছে সবাই মিলে। সেই পার্টি থেকেই তাদের জালে তোলে পুলিস।
তদন্তকারীদের অভিযুক্তরা জানিয়েছে, তাদের দৈনিক রোজগার ছিল কোটিতে! প্রতিদিন এক-একজন চার থেরে পাঁচ লক্ষ টাকা খরচ করত। বিপুল পরিমাণ নগদ হাতে থাকায় তাদের যাতায়াত, খাওয়াদাওয়া, নাইট পার্টি সবটাই ছিল বৈভবে মোড়া। ইউরোপের সবচেয়ে দামি ব্র্যান্ডের শার্ট বা টি-শার্ট, জুতো, রোদ চশমা ব্যবহারে অভ্যস্ত ছিল তিনজনই। লেটেস্ট মডেলের গাড়ি ব্যবহার ছিল তাদের ফ্যাশন। নতুন যে কোনও গাড়ি বাজারে এলেই তারা কিনে ফেলত। কয়েকদিন ব্যবহারের পর আসত আবার একটি নতুন গাড়ি। শুধু তাই নয়, সবচেয়ে অভিজাত ও খরচবহুল এলাকায় ফ্ল্যাট নিয়েছিল সাইবার জালিয়াতরা। উইক-এন্ড কাটানোর জন্য কিনেছিল বাংলো। বান্ধবীদের নিয়ে থাইল্যান্ড, লন্ডন, মালেশিয়া সহ বিভিন্ন দেশে ছুটি কাটাতে যেতে অভ্যস্ত ছিল তারা। যাতায়াত করত বিমানের এগজিকিউটিভ ক্লাসে। এমনকী, লাতিন আমেরিকা থেকে আমদানি করা বহুমূল্যের মাদক সেবন করত তারা। সেই সঙ্গে ক্যাসিনোয় গিয়ে জুয়া খেলে লক্ষ লক্ষ টাকা উড়িয়ে দেওয়া তাদের কাছে জলভাত ছিল। প্রতি রাতে পার্টি করে তারা চার-পাঁচ লক্ষ টাকা উড়িয়ে দিত বলে নিজেরাই জানিয়েছে ওই অভিযুক্তরা। তাদের একটি প্রাইভেট জেট কেনার পরিকল্পনাও চলছিল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, অমিতের প্লাস্টিকের ব্যবসা সহ দুবাইতে রিয়েল এস্টেটে তিন অভিযুক্তের টাকা খাটছে। সেখানে খোলা হয়েছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট। ধরা পড়ার আগের রাতেও কলকাতার একটি হোটেলে পার্টি করেছে সবাই মিলে। সেই পার্টি থেকেই তাদের জালে তোলে পুলিস।



