নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ক্ষমতায় আসার পর তিনি জানিয়েছিলেন রেফার, বেড না পেলে রোগী ভর্তি, রোগী পরিষেবায় নজরদারি সহ একাধিক কাজকর্ম রূপায়ণে স্বাস্থ্যভবনে ইন্টিগ্রেটেড কন্ট্রোল রুম চালু করা হবে। ১ জুলাই চিকিৎসক দিবসে স্বাস্থ্যভবনের দোতলায় চালু হয়েছে এই কন্ট্রোল রুম।
২৮ আধিকারিক-কর্মী নিয়ে পথ চলা শুরু করেছে সেটি। সেখানে থাকবেন চিকিৎসক, সিনিয়র নার্স, সহকারি বা ডেপুটি সুপার (নন মেডিকেল) এবং ডেটা এন্ট্রি অপারেটর। তিন শিফটে কাজ চলবে। সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টো। দুপুর ২টো থেকে রাত ৮টা এবং রাত ৮টা থেকে সকাল ৮টা, ২৪ ঘণ্টা ধরে সাতদিনই চালু থাকবে। এর সঙ্গে জুড়েছে রেফারেল কন্ট্রোল রুমও। স্বাস্থ্যদপ্তর সূত্রে খবর, এই কন্ট্রোল রুম প্রায় মিনি স্বাস্থ্যদপ্তরের ভূমিকা পালন করবে। এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে রোগী রেফার করা হলে তাঁকে পাঠানোর আগে রেফার্ড হাসপাতালের চিকিৎসক-প্রশাসকদের সঙ্গে কথা বলে বেড সুনিশ্চিত করে তবে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে। দ্বিতীয়ত, আউটডোর হোক বা ইনডোর, অপারেশন থিয়েটার হোক বা প্যাথোলজি—হাসপাতাল এবং চিকিৎসক-কর্মীদের পারফরমেন্সের দিকেও নজর রাখবে। তৃতীয়ত, মিডিয়ায় প্রচারিত বিভিন্ন খবর ট্র্যাক করে সেই অনুযায়ী জেলা প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। চতুর্থত, কোনো বড়ো ঘটনা বা দুর্ঘটনা বা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে আহত, জখমদের চিকিৎসার কাজে মনিটরিং করবে। পাঁচ, হাসপাতালে অবাঞ্ছিত এবং সন্দেহজনক মানুষের গতিবিধির দিকে লক্ষ্য রাখা ইত্যাদি কাজ করবে।
এগুলি সম্ভব হবে কীভাবে? দপ্তর সূত্রে খবর, হাসপাতাল এবং মেডিকেল কলেজের বহু গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বসানো আছে সিসিটিভি। তার ফিড চলে আসবে স্বাস্থ্যভবনের কন্ট্রোল রুমে। সেখানে পর্দায় উঠে আসবে বাস্তব পরিস্থিতির চিত্র। হাসপাতালগুলি যা দাবি করছে, বাস্তব চিত্রটা কি তেমনই, জানা যাবে নিমেষে।