


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: একটা সময় ছিল যখন বিদেশ সফরের পর ভারতীয় দলের তারকা ক্রিকেটাররা দীর্ঘদিন বিশ্রাম নিতেন। এড়িয়ে যেতেন ঘরোয়া টুর্নামেন্ট। সময়ের সঙ্গে চিন্তাভাবনার বদল এসেছে। শুভমান গিল ব্যতিক্রমী। ইংল্যান্ড সফরে ৭৫.৪০ গড়ে করেছেন রেকর্ড ৭৭৪ রান। পিছিয়ে থেকেও সিরিজ ড্র করেছে ভারত। অধিনায়ক হিসেবে প্রথম বিদেশ সফরে লেটার মার্কস নিয়ে উত্তীর্ণ পাঞ্জাব কা পুত্তর। গিল চাইলে সিনিয়রদের পথ অনুসরণ করতেই পারতেন। কিন্তু তা করেননি তিনি। উত্তরাঞ্চলের হয়ে দলীপ ট্রফিতে খেলবেন। নেতৃত্বও দেবেন। স্কোয়াডে গিলের সঙ্গে রয়েছেন অর্শদীপ সিং, অংশুল কম্বোজ এবং হর্ষিত রানা। প্রত্যেকেই ভারতীয় দলের ক্যাপ পরেছেন। সেপ্টেম্বরের শুরুতে এশিয়া কাপ। ওই টুর্নামেন্টে ভারতীয় দলে জায়গা পেলে তাঁদের অবশ্য দলীপ ট্রফিতে খেলানো হবে না। তাই ব্যাক-আপ রাখা হয়েছে স্কোয়াডে। কারণ, দলীপ ট্রফি শুরু ২৮ আগস্ট। ফাইনাল হবে ১১ সেপ্টেম্বর।
একই সঙ্গে মধ্যাঞ্চলও দলীপের দল ঘোষণা করেছে। অধিনায়ক হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে ধ্রুব জুরেলকে। ওভালে তিনি ঋষভ পন্থের পরিবর্ত হিসেবে খেলেছিলেন। শর্তসাপেক্ষে স্কোয়াডে আছেন রজত পাতিদার। ১৫ জনের দলে চায়নাম্যান স্পিনার কুলদীপ যাদবকেও রাখা হয়েছে। উল্লেখ্য, ইংল্যান্ড সফরে পাঁচটি ম্যাচেই ড্রেসিং-রুমে বসে থাকতে হয়েছিল কুলদীপকে। তবে ওভালে ঐতিহাসিক জয়ের সুবাদে ভারত সিরিজ ২-২ ড্র করায় যাবতীয় বিতর্ক ধামা পড়ে যায়। আর এক ভারতীয় ব্যাটার করুণ নায়ারও খেলবেন মধ্যাঞ্চলের হয়ে।
পশ্চিমাঞ্চলের হয়ে খেলবেন শ্রেয়স আয়ার, সরফরাজ খানরা। ক্যাপ্টেন্সি করবেন শার্দূল ঠাকুর। পাশাপাশি, যশস্বী জয়সওয়াল, ঋতুরাজ গায়কোয়াড়, তুষার দেশপাণ্ডেও স্কোয়াডে রয়েছেন। পূর্বাঞ্চল দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন ঈশান কিষান। তবে অভিমন্যু ঈশ্বরণকে কেন এই দায়িত্ব দেওয়া হল না, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। বাংলা দলের পেসার আকাশদীপ, মুকেশ কুমারও খেলবেন দলীপ ট্রফিতে। স্ট্যান্ডবাই হিসেবে রাখা হয়েছে বিস্ময় বালক বৈভব সূর্যবংশীকে। দক্ষিণাঞ্চলের অধিনায়ক নির্বাচিত হয়েছেন তিলক ভার্মা।