সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: অন্য জায়গার মতো ময়নাগুড়িতেও শত্রু সম্পত্তি চিহ্নিতকরণ চলছে। জমি মাপজোখ শুরু হতেই ভিটেমাটি খোয়ানোর আতঙ্ক ছড়িয়েছে গ্রামে। আজ, মঙ্গলবার ময়নাগুড়ির পূর্ব ধর্মপুর গ্রামে সার্ভে হওয়ার কথা। তার আগে সোমবার গ্রামবাসীরা একত্রিত হয়ে ময়নাগুড়ির ভূমি ও ভূমি রাজস্ব আধিকারিকের দপ্তরে স্মারকলিপি দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, জমি মাপজোখ করার পাশাপাশি গ্রামবাসীদের উচ্ছেদের হুমকি দেওয়া হয়েছে। কি হঠাত্ জমি মাপজোখের কারণও গ্রামবাসীকে জানানো হয়নি। যেসব জমি মাপজোখ করা হচ্ছে, সেখানে প্রচুর পাট্টার জমি রয়েছে। তাঁরাও এতে আতঙ্কিত।
Advertisement
যদিও বিষয়টি স্পষ্ট করেছেন ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তরের আধিকারিক দেবায়নি মিত্র। তিনি বলেন, সেন্ট্রালের একটি টিম মঙ্গলবার আমাদের দপ্তরের কর্মীদের নিয়ে সার্ভে করবেন। সেখানে কাউকে উচ্ছেদ করা হবে না। শত্রু সম্পত্তি চিহ্নিত করার জন্য সার্ভে হবে। যে এলাকায় এমন ঘটনা ঘটেছে, সেখানে প্রচুর জমি অগোছালোভাবে রয়েছে। এই সার্ভের ফলে গ্রামবাসীদের সুবিধাই হবে। সুতরাং আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। ময়নাগুড়ির পূর্ব ধর্মপুর গ্রামের ৬৩টি পরিবার মাধরবাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। গ্রামবাসীরা বাড়ি করে সেখানে তিন ফসলিয়া জমিতে কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। কিছু গ্রামবাসী ২০১১-১২ এবং ১৩ সালে ভূমি ও ভূমি রাজস্ব দপ্তর থেকে পাট্টা পেয়েছিলেন। গ্রামবাসীরা লক্ষ্য করছেন, তাঁদের জমির মাপজোখ চলছে। তাঁদের নাকি জমি ছেড়ে উঠে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। এতেই আতঙ্ক ছড়ায়।
হিতেন রায় নামে এক গ্রামবাসী বলেন, আমি এক বিঘা জমির পাট্টা পেয়েছি। এটাই আমার সম্বল। সন্তানদের নিয়ে এখন কোথায় যাব। আমরা মাপজোখ করতে দেব না। আরএক গ্রামবাসী বুলবুল ইসলাম বলেন, আমি প্রায় দেড় বিঘা জমির পাট্টা পেয়েছি। বছরে তিনবার ফসল চাষ হয়। এখানেই বাড়ি করেছি। এখন শুনছি, চলে যেতে হবে। অথচ এখানে আমাদের পূর্বপুরুষ থেকে বসবাস চলছে। সবটা লিখিত হিসেবে আধিকারিককে জানালাম।
হিতেন রায় নামে এক গ্রামবাসী বলেন, আমি এক বিঘা জমির পাট্টা পেয়েছি। এটাই আমার সম্বল। সন্তানদের নিয়ে এখন কোথায় যাব। আমরা মাপজোখ করতে দেব না। আরএক গ্রামবাসী বুলবুল ইসলাম বলেন, আমি প্রায় দেড় বিঘা জমির পাট্টা পেয়েছি। বছরে তিনবার ফসল চাষ হয়। এখানেই বাড়ি করেছি। এখন শুনছি, চলে যেতে হবে। অথচ এখানে আমাদের পূর্বপুরুষ থেকে বসবাস চলছে। সবটা লিখিত হিসেবে আধিকারিককে জানালাম।



