নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: শীত পড়ছে। কিন্তু হুগলির জেলা সদর চুঁচুড়া ও সংলগ্ন গ্রামীণ এলাকায় মশার তীব্র দাপট কমেনি। সাধারণত, শীতের প্রাক্কালে মশার দাপট প্রায় থাকেই না। এবার ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। দিন হোক বা রাত, সবসময়ই মশার কামড় খেতে হচ্ছে। আর তাতেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেকের দাবি, আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে পতঙ্গদের জীবনচক্রে বদল আসছে। যদিও বাসিন্দাদের দাবি, সাফসাফাই, মশা প্রতিরোধে পুরসভা ও পঞ্চায়েতের ভূমিকা বিশেষ ভালো নয়। সেই কারণেই মশার বাড়বাড়ন্ত, গরমের মতো শীতেও ভোগাচ্ছে। পুরসভা ও পঞ্চায়েতের কর্তারা অবশ্য সেই অভিযোগ মানতে চাননি।
Advertisement
চুঁচুড়ার বাসিন্দা বিভাস সরকার বলেন, ‘ঘরের বারান্দাতে পর্যন্ত বসা যাচ্ছে না। সকাল, সন্ধে, রাত, দিন, কোনও তফাত নেই। সবসময় মশা ঘিরে ধরছে। শীতের মরশুমের মুখেও মশার এমন দাপট দেখিনি। পুরসভার তরফে মশা প্রতিরোধের ব্যবস্থা খুব কার্যকরী নয়। সেই কারণেই সমস্যা তৈরি হচ্ছে।’ চুঁচুড়ার স্টেশন রোডের বাসিন্দা সঞ্জয় সানা বলেন, ‘ঘরে-বাইরে সর্বত্র মশার দাপটে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সারা বছর ডেঙ্গু সহ নানা পতঙ্গবাহিত রোগ নিয়ে সরকারি স্তরে প্রচার চলে। অথচ মশার দাপট কমে না। বহুদিন ধরে মশা লার্ভানাশক ছড়াতেও দেখা যায়নি।’ যদিও চুঁচুড়া পুরসভার চেয়ারম্যান অমিত রায় দাবি করেছেন, ‘মশার দাপট নিয়ে বাসিন্দাদের কোনও অভিযোগ পাইনি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে নানা কর্মসূচি নিয়ম করে পালন করা হয়। লার্ভানাশক ছড়ানোর কাজও নিয়মিত চলে। স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে ওই বিষয়ে খোঁজ নিয়ে পদক্ষেপ করব।’ চুঁচুড়া শহর লাগোয়া কোদালিয়া-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান দেবাশিস চক্রবর্তী বলেন, ‘শীতের শুরুতেও মশা আছে এটা সত্যি। তবে মশার দাপট খুব বেশি, এমন অভিযোগ পাইনি। পঞ্চায়েতের তরফে সাফাই অভিযান ও লার্ভানাশক ছড়ানোর কাজে কোনও ত্রুটি নেই। তবুও অন্য কি পদক্ষেপ করা যায় তা দেখব।’
বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, চুঁচুড়া শহরের সর্বত্র নভেম্বরের শেষপর্বে এসেও মশার ব্যাপক দাপট আছে। অলিতেগলিতে যেমন মশার প্রভাব আছে তেমনই মূল সড়ক পথের ধারেও মশার সমান দাপট দেখা যাচ্ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, খাদিনা মোড় থেকে মহাত্মা গান্ধী রোড ধরে দীর্ঘ অংশ শহরের অন্যতম প্রশস্ত ও অভিজাত এলাকা। কিন্তু সেখানেও দোকানপাটে সন্ধের সময় দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। পিপুলিপাতি থেকে হুগলি মোড় সর্বত্র মশার বাড়বাড়ন্ত সহজেই বোঝা যায়। অন্যদিকে, গ্রামীণ এলাকাতেও মশার দাপটে নাজেহাল বাসিন্দারা। রবীন্দ্রনগরের কিছু অংশ, লেনিন নগর, চুঁচুড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় মশার দাপট নিয়ে বাসিন্দাদের বিস্তর অভিযোগ আছে। সর্বত্রই বাসিন্দারা, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কার্যকরী ভূমিকার দাবি তুলছেন।
বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, চুঁচুড়া শহরের সর্বত্র নভেম্বরের শেষপর্বে এসেও মশার ব্যাপক দাপট আছে। অলিতেগলিতে যেমন মশার প্রভাব আছে তেমনই মূল সড়ক পথের ধারেও মশার সমান দাপট দেখা যাচ্ছে। বাসিন্দাদের অভিযোগ, খাদিনা মোড় থেকে মহাত্মা গান্ধী রোড ধরে দীর্ঘ অংশ শহরের অন্যতম প্রশস্ত ও অভিজাত এলাকা। কিন্তু সেখানেও দোকানপাটে সন্ধের সময় দাঁড়িয়ে থাকা যায় না। পিপুলিপাতি থেকে হুগলি মোড় সর্বত্র মশার বাড়বাড়ন্ত সহজেই বোঝা যায়। অন্যদিকে, গ্রামীণ এলাকাতেও মশার দাপটে নাজেহাল বাসিন্দারা। রবীন্দ্রনগরের কিছু অংশ, লেনিন নগর, চুঁচুড়া স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় মশার দাপট নিয়ে বাসিন্দাদের বিস্তর অভিযোগ আছে। সর্বত্রই বাসিন্দারা, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কার্যকরী ভূমিকার দাবি তুলছেন।



