Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

শতবর্ষের আলোকে উদ্ভাসিত শীতলকুচির বারোমাসিয়া গভর্নমেন্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়

শতবর্ষের আলোকে উদ্ভাসিত শীতলকুচির বারোমাসিয়া গভর্নমেন্ট প্রাথমিক বিদ্যালয়
  • ৩১ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
প্রকৃতিরঞ্জন সরকার, শিলিগুড়ি: ১৯২৫ সালে শুরু হয়েছিল পথচলা। সেই থেকে প্রত্যন্ত এলাকায় শিক্ষার মশাল জ্বেলে জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে কোচবিহার জেলার শীতলকুচি ব্লকের লালবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের বারোমাসিয়া গভঃ প্রাথমিক বিদ্যালয়। বুধবার সকালে শোভাযাত্রা ও দিনভর নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে শুধু হল এই স্কুলের বছর ব্যাপী শতবর্ষ উদ্‌যাপন। এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লালবাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান অনিমেষ রায়, উপ প্রধান গোলাম রব্বানি, পঞ্চায়েত সমিতির স্থানীয় সদস্য সাজ্জাদুর হোসেন বুলন, স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গির মিয়াঁ সহ অন্যান্যরা। 
Advertisement
শোভাযাত্রায় অংশ নেওয়া অভিভাবকরা বলেন, ব্রিটিশ আমলে এই স্কুল স্থাপিত হয়েছে। সেই থেকে এলাকায় শিক্ষার প্রসারে এই স্কুল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। কয়েক বছর আগেও এই স্কুলই ছিল এলাকার একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এই স্কুলে পড়াশোনা করে বহু ছাত্রছাত্রী আজ নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। এই স্কুল আমাদের আবেগ। তাই আমরা চাই স্কুলের সর্বাঙ্গীন উন্নতি। কয়েক বছর আগে স্কুলটির অবস্থা বেহাল হয়ে পড়েছিল। কিন্তু বর্তমানে স্কুল আবার সেজে উঠেছে। সবুজের সমারোহে কচিকাঁচাদের কলরবে মুখরিত স্কুল প্রাঙ্গণ, এটা খুব ভালো লাগে। 
স্কুলের প্রধান শিক্ষক অভিষেক সরকার বলেন, শতবর্ষ উদ্‌যাপনের বর্ষব্যাপী অনুষ্ঠানের শুভারম্ভ হল। শোভাযাত্রায় প্রাক্তন ও বর্তমান ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক-শিক্ষিকা, অভিভাবক ও এলাকাবাসী মিলে পাঁচ শতাধিক মানুষ অংশ নিয়েছিল। এনিয়ে আমরা অভিভূত। গোটা বছর নানান অনুষ্ঠান, কর্মসূচি, খেলাধুলোর মধ্যদিয়ে এগিয়ে গিয়ে ডিসেম্বর মাসে দু’দিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে এর সমাপ্তি ঘটবে। স্কুলে আরও শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজন রয়েছে। পুরনো ঘরগুলি সংস্কার সহ শতবর্ষের স্মারক হিসেবে একটি তোরণ নির্মাণের জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। 
স্কুল পরিচালন কমিটির সভাপতি জাহাঙ্গির মিয়াঁ বলেন, ঐতিহ্যবাহী এই স্কুল বর্তমানে খুব ভালোভাবে চলছে। স্কুলের আরও কিছু পরিকাঠামোগত উন্নয়ন প্রয়োজন। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী প্রত্যন্ত এলাকায় স্কুলটি হলেও নানাদিক দিয়ে আমরা এগিয়ে রয়েছি।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ