নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বন্যপ্রাণীদের রক্ষা করতে হবে। তাদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, সেদিকে দৃষ্টি দেওয়া প্রত্যেক সচেতন নাগরিকের কর্তব্য। সে দিকে খেয়াল রেখে শীতের মরশুমে জঙ্গলে পিকনিক করা নিয়ে কড়াকড়ি করছে রাজ্যের বনদপ্তর। স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, নিজেদের আনন্দের জন্য এমন কিছু করবেন না, যাতে বন্যপ্রাণীদের অসুবিধা হয়।
Advertisement
কালীপুজোর পর থেকেই শীতের আমেজ। নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে আবহাওয়ায় পরিবর্তন। জাঁকিয়ে ঠান্ডা না পড়লেও হালকা শীতের আমেজ পাওয়া যাচ্ছে। এই মরশুমে নভেম্বর থেকে জানুয়ারি মাস পর্যন্ত লাগাতার পিকনিক হয়। তা ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত গড়ায়। শীতের মরশুমে পিকনিক- করতে গিয়ে কোথাও যেন বন্যপ্রাণীদের উপর আঘাত করা না হয়, সেই বার্তা দেওয়া হয়েছে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে। ইদানীং প্রায়শই হাতি লোকালয়ে চলে আসছে। ফলে দুর্ঘটনাও ঘটছে। এই পরিস্থিতিতে পিকনিকের মরশুম শুরুর প্রাক্কালে রাজ্যের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত বনমন্ত্রী বিরবাহা হাঁসদা জানিয়েছেন, বনজঙ্গল ক্ষতিগ্রস্ত করে কোনওভাবেই যেন পিকনিক করা না হয়। পিকনিক করার আগে অনুমতি নিয়ে নির্দেশ মেনে চলতে হবে। বনজঙ্গল কোনওভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট পিকনিক পার্টির বিরুদ্ধে।
শীতের মরশুমে বনদপ্তরের আধিকারিকরা এবং স্থানীয় কমিটি জঙ্গলের উপর কড়া নজর রাখবে। আগুন জ্বালানো, খাবারের থালা-গ্লাস ফেলে রাখা, বনের মধ্যে মদ্যপান করার উপর কড়া নজরদারি চালাবে বনদপ্তর। এমনকি ডিজে বা তারস্বরে মাইক বাজিয়ে বন্যপ্রাণীদের স্বাভাবিক চলাফেরার পরিবেশ ব্যাহত করার চেষ্টা হলেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।
শীতের মরশুমে বনদপ্তরের আধিকারিকরা এবং স্থানীয় কমিটি জঙ্গলের উপর কড়া নজর রাখবে। আগুন জ্বালানো, খাবারের থালা-গ্লাস ফেলে রাখা, বনের মধ্যে মদ্যপান করার উপর কড়া নজরদারি চালাবে বনদপ্তর। এমনকি ডিজে বা তারস্বরে মাইক বাজিয়ে বন্যপ্রাণীদের স্বাভাবিক চলাফেরার পরিবেশ ব্যাহত করার চেষ্টা হলেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।



