গান্ধীনগর, ১৭ নভেম্বর: অনেকেরই বিশ্বাস শেষকৃত্যের পর মৃত ব্যক্তি মায়ার টানে তাঁর প্রিয়জনদের দেখতে আসেন। তবে এরকম তত্ত্বের বাস্তব রূপ দেখা যায়নি। কিন্তু গত শুক্রবার এরকমই এক আশ্চর্য ঘটনার সাক্ষী থাকল গুজরাতের মেহসনা। স্মরণসভা চলাকালীন সবাইকে স্তম্ভিত করে নিজেই হেঁটে সভাঘরে প্রবেশ করলেন ‘মৃত’ যুবক। এর পরই সেখানে হুলস্থূল পড়ে যায়। ঘটনাচক্রে কয়েক দিন আগেই তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়!
Advertisement
গত ২৭ অক্টোবর নিখোঁজ হয়ে যান ৪৩ বছর বয়সী ওই যুবক। তাঁর নাম ব্রিজেশ সুথার। তিনি গুজরাতের নরোদা এলাকার বাসিন্দা। অনেক খোঁজার পরও ব্রিজেশের কোনও হদিশ পাননি তাঁর পরিবারের লোকজন। অবশেষে পুলিসের দ্বারস্থ হন তাঁরা। লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত নামে পুলিস। এর পর গত ১০ নভেম্বর সবরমতী উড়ালপুলের কাছে এক ব্যক্তির পচা গলা দেহ উদ্ধার করে পুলিস। তবে দেহটির অবস্থা খারাপ হওয়ায় নিশ্চিত করার কোনও উপায় ছিল না। পরিবারের লোকজনের দাবি, দেহটির সঙ্গে ব্রিজেশের যথেষ্ট মিল ছিল। তাই ব্রিজেশ ভেবেই তাঁরা দেহটিকে নিয়ে এসে সৎকার করেন। পরিবারের আরও দাবি, বহুদিন ধরেই ব্রিজেশ আর্থিক সমস্যায় জেরবার ছিলেন। পাশাপাশি, তাঁর কিছু মানসিক সমস্যাও ছিল। তাঁদের বিশ্বাস, ব্রিজেশ আত্মহত্যা করেছেন।
গত শুক্রবার ব্রিজেশের পরিবারের লোকজন একটি স্মরণসভার আয়োজন করেন। কিন্তু সভাটি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই ঘটে সেই অঘটন। সবাইকে হতবাক করে পায়ে হেঁটে সভায় প্রবেশ করেন ব্রিজেশ! তাঁকে দেখেই আঁতকে ওঠে উপস্থিত মানুষজন।
ব্রিজেশের মা বলেন, “আমরা তাঁকে সব জায়গায় খুঁজেছিলাম। তাঁর ফোনও বন্ধ ছিল। এখন বুঝতে পারছি আমরা অন্য কারও দেহ সৎকার করেছি।”
ব্রিজেশের আচমকা ফিরে আসায় আশ্চর্য হয়ে গিয়েছেন পুলিস আধিকারিকরাও। তা হলে যে দেহটির সৎকার হয়েছে, সেটি কার? এই প্রশ্নই এখন ভাবাচ্ছে তদন্তকারী আধিকারিকদের। পুলিস নতুন করে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।
গত শুক্রবার ব্রিজেশের পরিবারের লোকজন একটি স্মরণসভার আয়োজন করেন। কিন্তু সভাটি শুরু হওয়ার কিছুক্ষণ পরই ঘটে সেই অঘটন। সবাইকে হতবাক করে পায়ে হেঁটে সভায় প্রবেশ করেন ব্রিজেশ! তাঁকে দেখেই আঁতকে ওঠে উপস্থিত মানুষজন।
ব্রিজেশের মা বলেন, “আমরা তাঁকে সব জায়গায় খুঁজেছিলাম। তাঁর ফোনও বন্ধ ছিল। এখন বুঝতে পারছি আমরা অন্য কারও দেহ সৎকার করেছি।”
ব্রিজেশের আচমকা ফিরে আসায় আশ্চর্য হয়ে গিয়েছেন পুলিস আধিকারিকরাও। তা হলে যে দেহটির সৎকার হয়েছে, সেটি কার? এই প্রশ্নই এখন ভাবাচ্ছে তদন্তকারী আধিকারিকদের। পুলিস নতুন করে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।



