নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত ও সংবাদদাতা, বনগাঁ: মাত্র ছয় বছরের শিশুকন্যাও রেহাই পেল না। সেই একরত্তিকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে শাসনে। আর এই কাণ্ড ঘটিয়েছে
Advertisement
তারই পিসেমশাই। এছাড়া বনগাঁতেও এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। বনগাঁতে অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করা গেলেও শাসনের গুণধর পিসেমশাই খবর লেখা পর্যন্ত পলাতক।
জানা গিয়েছে, শাসনে পিসির বাড়িতে এসে পিসেমশাইয়ের কাছে ধর্ষিতা হয়েছে ছ’বছরের ওই শিশুকন্যা। অভিযুক্ত পিসেমশাই অভিজিৎ ঘোষকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিস। কয়েকদিন আগে মধ্যমগ্রাম থেকে পিসির বাড়িতে গিয়েছিল ওই শিশু। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাড়ি ছিল না। সেই সুযোগে ফাঁকা বাঁশবনে নিয়ে গিয়ে অভিজিৎ তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তার পাশাপাশি ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। বুধবার বাড়ি ফিরলে ওই শিশুর শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের লোকজনের। এরপর শিশুটি সবকিছু তার মাকে জানায়। বৃহস্পতিবার সকালে নির্যাতিতাকে বারাসত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পাশাপাশি শাসন থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের হয়। নির্যাতিতার বাবা বলেন, মেয়ে যে পিসেমশাইয়ের কাছে এভাবে আক্রান্ত হবে, তা ধারণা ছিল না। আমরা চাই ওর উপযুক্ত শাস্তি। অন্যদিকে, গাইঘাটায় বন্ধুর জন্মদিনে পার্টিতে যাওয়ার নাম করে এক নাবালিকাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মদ খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতের নাম প্রদীপ ঘরামি ওরফে কুটু। অপমানে ওই নাবালিকা অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যা করতে যায় বলেও দাবি করেছেন নাবালিকার মা। বৃহস্পতিবার ধৃতকে বনগাঁ আদালতে তোলা হয়। বিচারক তার চারদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
নির্যাতিতা অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। রবিবার প্রদীপ রাস্তায় নাবালিকার থেকে তার ফোন নম্বর নেয়। এরপর বিকেলে ফোন করে নাবালিকাকে ডেকে বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে যাওয়ার জন্য বলে। কিন্তু আসলে কারও জন্মদিন ছিল না, এমনকী বন্ধুর বাড়িতে কেউ ছিলও না। সেই সুযোগে বন্ধুর বাড়িতেই
মদ্যপান করে তারা। অভিযোগ, এরপর নাবালিকা বেহুঁশ হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে প্রদীপ। বুধবার মাকে পুরো বিষয়টি জানায় নাবালিকা। তখন থানায় অভিযোগ করেন নাবালিকার মা। তার ভিত্তিতে পুলিস রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। নাবালিকার মায়ের অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক মেয়েকে রাস্তায় বিরক্ত করত। সেদিন মেয়েকে জোর করে ডেকে নিয়ে গিয়ে মদ খাইয়ে
ধর্ষণ করে। নিজস্ব চিত্র
জানা গিয়েছে, শাসনে পিসির বাড়িতে এসে পিসেমশাইয়ের কাছে ধর্ষিতা হয়েছে ছ’বছরের ওই শিশুকন্যা। অভিযুক্ত পিসেমশাই অভিজিৎ ঘোষকে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিস। কয়েকদিন আগে মধ্যমগ্রাম থেকে পিসির বাড়িতে গিয়েছিল ওই শিশু। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা বাড়ি ছিল না। সেই সুযোগে ফাঁকা বাঁশবনে নিয়ে গিয়ে অভিজিৎ তাকে শারীরিকভাবে হেনস্তার পাশাপাশি ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ। বুধবার বাড়ি ফিরলে ওই শিশুর শারীরিক পরিবর্তন দেখে সন্দেহ হয় পরিবারের লোকজনের। এরপর শিশুটি সবকিছু তার মাকে জানায়। বৃহস্পতিবার সকালে নির্যাতিতাকে বারাসত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পাশাপাশি শাসন থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের হয়। নির্যাতিতার বাবা বলেন, মেয়ে যে পিসেমশাইয়ের কাছে এভাবে আক্রান্ত হবে, তা ধারণা ছিল না। আমরা চাই ওর উপযুক্ত শাস্তি। অন্যদিকে, গাইঘাটায় বন্ধুর জন্মদিনে পার্টিতে যাওয়ার নাম করে এক নাবালিকাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মদ খাইয়ে ধর্ষণ করা হয়। অভিযুক্ত যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। ধৃতের নাম প্রদীপ ঘরামি ওরফে কুটু। অপমানে ওই নাবালিকা অ্যাসিড খেয়ে আত্মহত্যা করতে যায় বলেও দাবি করেছেন নাবালিকার মা। বৃহস্পতিবার ধৃতকে বনগাঁ আদালতে তোলা হয়। বিচারক তার চারদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
নির্যাতিতা অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। রবিবার প্রদীপ রাস্তায় নাবালিকার থেকে তার ফোন নম্বর নেয়। এরপর বিকেলে ফোন করে নাবালিকাকে ডেকে বন্ধুর জন্মদিনের পার্টিতে যাওয়ার জন্য বলে। কিন্তু আসলে কারও জন্মদিন ছিল না, এমনকী বন্ধুর বাড়িতে কেউ ছিলও না। সেই সুযোগে বন্ধুর বাড়িতেই
মদ্যপান করে তারা। অভিযোগ, এরপর নাবালিকা বেহুঁশ হয়ে পড়লে তাকে ধর্ষণ করে প্রদীপ। বুধবার মাকে পুরো বিষয়টি জানায় নাবালিকা। তখন থানায় অভিযোগ করেন নাবালিকার মা। তার ভিত্তিতে পুলিস রাতেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে। নাবালিকার মায়ের অভিযোগ, অভিযুক্ত যুবক মেয়েকে রাস্তায় বিরক্ত করত। সেদিন মেয়েকে জোর করে ডেকে নিয়ে গিয়ে মদ খাইয়ে
ধর্ষণ করে। নিজস্ব চিত্র



