সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ড্রেনে জল ফেলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের প্রাক্তন প্রধান ও বর্তমান পঞ্চায়েত সদস্যের ভাশুরের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ ইসলামপুরের মাটিকুণ্ডা ১ পঞ্চায়েতের দক্ষিণ মাটিকুণ্ডা এলাকায়। শুক্রবার রাতে এই সংঘর্ষে দু’পক্ষের ৪ জন জখম হয়েছেন। রাতেই জখমদের ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। রাতে বিশাল পুলিস বাহিনী ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ইসলামপুর থানার এক আধিকারিক বলেন, দু’পক্ষই অভিযোগ করেছে। একজনকে আটক করা হয়েছে।
Advertisement
তৃণমূলের পঞ্চায়েতের সদস্য আজমিরা খাতুনের ভাশুর শাহনওয়াজ আলমের ভাইকে খুনের অভিযোগে জেলে গিয়েছিলেন প্রাক্তন প্রধান মেহেবুব আলম। বর্তমানে জামিনে মুক্ত তিনি। কিন্তু অপর গোষ্ঠীর ভয়ে এখনও এলাকায় ঢোকেন না। অন্যত্র থাকেন। তবে তাঁর ভাই ও আত্মীয়রা দক্ষিণ মাটিকুণ্ডায় থাকেন। সম্প্রতি বাংলার বাড়ি প্রাপক একজনের কাছ থেকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে জেলে যান শাহনওয়াজ। মেহেবুব ও শাহনওয়াজের দুই গোষ্ঠী বছর দুয়েক একে অপরের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে আছে। ওই দুই গোষ্ঠীই শুক্রবার রাতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
জখম শাহনওয়াজের ভাই নওয়াজিস আলম বলেন, প্রাক্তন প্রধানের আমলে পাড়াতে একটি নিকাশিনালা তৈরি হয়েছে। ওই নালায় কাউকে জল ফেলতে দেবে না বলে কিছুদিন আগেই হুমকি দিয়েছিল প্রাক্তন প্রধানের লোকজন। আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে অভিযোগ জানিয়েছি। সেই রাগেই রাতে আমাকে একা পেয়ে গালিগালাজ করে। এবং লাঠি দিয়ে মারধর করে।
মেহেবুব বলেন, আমি এখন নিজের গ্রামে থাকি না। আমার ভাইয়েরাও ভিনরাজ্যে কাজ করে। পরিবারে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভাইয়েরা বাড়ি ফিরেছে। তাদের উপর শাহনওয়াজের ভাইয়েরা আক্রমণ চালিয়েছে। আমাকে যেভাবে গ্রামে থাকতে দিচ্ছে না, ভাইদেরও একইভাবে থাকতে দেবে না। এটাই শাহনওয়াজের উদ্দেশ্য। ড্রেনে জল ফেলার গল্পটা অছিলা মাত্র।
পঞ্চায়েত সমিতির স্থানীয় সদস্য রাজু মহম্মদ বলেন, ড্রেনের জল গিয়ে আমাদের জমিতে পড়ছে। তাই আমার বাবা বলেছিল, ড্রেনের জল যাতে অন্যত্র পড়ে, তার ব্যবস্থা করতে। এর সঙ্গে রাতের সংঘর্ষের যোগ নেই। মাটিকুণ্ডা তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি শফিক আলম বলেন, জেল থেকে জামিন পাওয়ার পর মেহেবুবকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে ধৃত শাহনওয়াজকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সংঘর্ষের বিষয়টি পুলিস খতিয়ে দেখছে।
ইসলামপুর পুলিস জেলার এসপি জবি থমাস বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। মামলা রুজু হয়েছে। এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে।
জখম শাহনওয়াজের ভাই নওয়াজিস আলম বলেন, প্রাক্তন প্রধানের আমলে পাড়াতে একটি নিকাশিনালা তৈরি হয়েছে। ওই নালায় কাউকে জল ফেলতে দেবে না বলে কিছুদিন আগেই হুমকি দিয়েছিল প্রাক্তন প্রধানের লোকজন। আমরা প্রতিবাদ জানিয়ে প্রশাসনের বিভিন্ন মহলে অভিযোগ জানিয়েছি। সেই রাগেই রাতে আমাকে একা পেয়ে গালিগালাজ করে। এবং লাঠি দিয়ে মারধর করে।
মেহেবুব বলেন, আমি এখন নিজের গ্রামে থাকি না। আমার ভাইয়েরাও ভিনরাজ্যে কাজ করে। পরিবারে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ভাইয়েরা বাড়ি ফিরেছে। তাদের উপর শাহনওয়াজের ভাইয়েরা আক্রমণ চালিয়েছে। আমাকে যেভাবে গ্রামে থাকতে দিচ্ছে না, ভাইদেরও একইভাবে থাকতে দেবে না। এটাই শাহনওয়াজের উদ্দেশ্য। ড্রেনে জল ফেলার গল্পটা অছিলা মাত্র।
পঞ্চায়েত সমিতির স্থানীয় সদস্য রাজু মহম্মদ বলেন, ড্রেনের জল গিয়ে আমাদের জমিতে পড়ছে। তাই আমার বাবা বলেছিল, ড্রেনের জল যাতে অন্যত্র পড়ে, তার ব্যবস্থা করতে। এর সঙ্গে রাতের সংঘর্ষের যোগ নেই। মাটিকুণ্ডা তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি শফিক আলম বলেন, জেল থেকে জামিন পাওয়ার পর মেহেবুবকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে ধৃত শাহনওয়াজকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সংঘর্ষের বিষয়টি পুলিস খতিয়ে দেখছে।
ইসলামপুর পুলিস জেলার এসপি জবি থমাস বলেন, আমরা অভিযোগ পেয়েছি। মামলা রুজু হয়েছে। এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে।



