মুম্বই: প্রায় দু’বছর মায়ের সঙ্গে সন্তানকে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। এজন্য স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে বম্বে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক মহিলা। মামলার শুনানিতে আদালত সাফ জানিয়ে দিয়েছে, এভাবে কোনও শিশুকে জোর করে জন্মদাত্রীর থেকে দূরে রাখা নিষ্ঠুরতা। সেইসঙ্গে মহিলার শ্বশুড়বাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর খারিজের আর্জিও খারিজ করেছে আদালত। বিচারপতি বিভা কনকনওয়াডি ও বিচারপতি রোহিত যোশির বেঞ্চ জানিয়েছে, শিশুসন্তানের থেকে আলাদা করে রাখা মায়ের মানসিক স্বাস্থ্যে গভীর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। কাজেই তা মানসিক হেনস্তা ছাড়া অন্য কিছু নয়। ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪৯৮-এ ধারায় তার উল্লেখ রয়েছে।
Advertisement
পর্যবেক্ষণে দুই বিচারপতির বেঞ্চ জানিয়েছে, জন্মদাত্রীকে নিত্যদিন মানসিক হেনস্থার মুখে পড়তে হচ্ছে। এটা ঠিক নয়। ইতিমধ্যেই নিম্ন আদালত ওই শিশুকে মায়ের হাতে তুলে বলেছিল। কিন্তু, সেই নির্দেশ অগ্রাহ্য করায় মহিলার স্বামী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে হাইকোর্ট।
আদালতে অভিযোগকারিনীর দাবি, ২০১৯ সালে তাঁর বিয়ে হয়। পরের বছর এক কন্যার জন্ম দেন তিনি। তারপরই স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ির লোকজন পণের জন্য চাপ দিচ্ছিল। তাঁকে মৌখিক ও শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হচ্ছিল। ২০২২ সালে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরও করে দেওয়া হয়। কিন্তু, তিনি সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেননি। এরপর শিশুটির কোনও খোঁজখবরও তার তাঁকে দেওয়া হচ্ছিল না। সেজন্য মহারাষ্ট্রের জালনা জেলায় স্বামী, তাঁর বাবা-মা ও ননদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন ওই মহিলা। মেয়েকে হেফাজতে চেয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। তাঁর পক্ষেই রায় দেয় আদালত। সেই রায়কে অগ্রাহ্য করেন স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এরপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। সেই মামলার শুনানিতে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে দুই বিচারপতির বেঞ্চ। শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজের আর্জি প্রত্যাখান করে হাইকোর্ট সাফ জানিয়েছেন, যারা আদালতের নির্দেশকে সম্মান করে না, তারা কোনও ছাড় পাওয়ার যোগ্য নন।
আদালতে অভিযোগকারিনীর দাবি, ২০১৯ সালে তাঁর বিয়ে হয়। পরের বছর এক কন্যার জন্ম দেন তিনি। তারপরই স্বামী ও শ্বশুড়বাড়ির লোকজন পণের জন্য চাপ দিচ্ছিল। তাঁকে মৌখিক ও শারীরিকভাবে নিগ্রহ করা হচ্ছিল। ২০২২ সালে শ্বশুরবাড়ি থেকে বেরও করে দেওয়া হয়। কিন্তু, তিনি সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে যেতে পারেননি। এরপর শিশুটির কোনও খোঁজখবরও তার তাঁকে দেওয়া হচ্ছিল না। সেজন্য মহারাষ্ট্রের জালনা জেলায় স্বামী, তাঁর বাবা-মা ও ননদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন ওই মহিলা। মেয়েকে হেফাজতে চেয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। তাঁর পক্ষেই রায় দেয় আদালত। সেই রায়কে অগ্রাহ্য করেন স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন। এরপরই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন ওই মহিলা। সেই মামলার শুনানিতে কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে দুই বিচারপতির বেঞ্চ। শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের বিরুদ্ধে এফআইআর খারিজের আর্জি প্রত্যাখান করে হাইকোর্ট সাফ জানিয়েছেন, যারা আদালতের নির্দেশকে সম্মান করে না, তারা কোনও ছাড় পাওয়ার যোগ্য নন।



