Bartaman Logo
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

টেট দিতে হবে নরমাল সেকশনের শিক্ষকদেরও? স্বচ্ছ নির্দেশিকার দাবি

কর্মরত শিক্ষকদের টেট-এ বসানোর জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে পরীক্ষা গ্রহণের নির্দেশ। তা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি হয়েছে শিক্ষকমহলে।

টেট দিতে  হবে নরমাল সেকশনের শিক্ষকদেরও? স্বচ্ছ নির্দেশিকার দাবি
  • ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কর্মরত শিক্ষকদের টেট-এ বসানোর জন্য স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি) এবং প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে পরীক্ষা গ্রহণের  নির্দেশ। তা নিয়ে রীতিমতো আতঙ্ক তৈরি হয়েছে শিক্ষকমহলে। মূলত প্রশ্ন উঠছে, বিশেষত এই রাজ্যে চালু স্বতন্ত্র নর্মাল সেকশনের শিক্ষকদেরও কি এর আওতায় ফেলা হবে? উচ্চ প্রাথমিক স্তর পৃথক হওয়ার আগে এই সেকশনের শিক্ষকরা ষষ্ঠ থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস নিতেন। বাস্তবে এখনও নিতে হয় বহু স্কুলে। তাঁরা অনার্স বা স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী হলেও সেই অনুযায়ী বেতন পেলেও নর্মাল সেকশনে পড়ানোর জন্য নিযুক্ত হয়েছিলেন। তাঁরা কেন অনেক পরে চালু হওয়া উচ্চ প্রাথমিক স্তরের আওতায় আসবেন, সেই প্রশ্ন তুলছেন তাঁরা। মাধ্যমিক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা অনিমেষ হালদার বলেন, ‘বহু শিক্ষকই এসএসসি’র স্নাতকোত্তর স্তরের পরীক্ষায় বসতেন। তাঁরা স্কুলে যোগ দেওয়ার পর তাঁদের নরমাল সেকশনের দায়িত্ব দেওয়া হত। এতে তাঁদের কোনো অপরাধ নেই। তবে যেহেতু তাঁরা ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ক্লাস নেন, তাই তাঁদেরও যদি বাধ্যতামূলকভাবে টেট-এ বসতে হয় সেটা অন্যায়।’ এই বিষয়টি রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টকে জানাক, এই দাবি তুলছেন শিক্ষকরা। এদিকে অন্য একটি দাবিও উঠছে। ডিএলএড বা বিএড ডিগ্রিধারী ছাত্র-ছাত্রী এবং সংগঠনগুলি দাবি জানাচ্ছে, শুধু কর্মরত শিক্ষকদের জন্য টেট হতে পারে না। সবাইকেই সুযোগ দিতে হবে। আর সেভাবে টেট হলে নিয়মিত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার চর্চার মধ্যে থাকা ফ্রেশার প্রার্থীদের কাছে পিছিয়ে পড়তে পারেন কর্মরত শিক্ষকরা। ফলে তাঁদের চাকরির ভাগ্যও অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। অল পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের নেতা চন্দন গরাই বলেন, ‘কাদের পরীক্ষা দিতে হবে, তা নিয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশিকা দিক রাজ্য। কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক থেকে এই সংক্রান্ত রিপোর্ট ১০ মাস আগে চেয়ে পাঠানো হয়েছিল, তার কী উত্তর দেওয়া হয়েছে, সেটাও রাজ্য সরকার প্রকাশ করেনি।’

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ