নয়াদিল্লি: ভারতীয় শুটিংয়ে বিষাদের ছায়া। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত যশপাল রানা। মাত্র ৪৯ বছর বয়সেই না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন কিংবদন্তি শুটার। ১৯৯৪ সালের হিরোশিমা এশিয়ান গেমসে ২৫ মিটার পিস্তলে সোনা জেতেন তিনি, যা ছিল এই আসরে ১৬ বছর পর ভারতের প্রথম বড়ো সাফল্য। ২০০৬ দোহা এশিয়ান গেমসে যশপাল একাই জেতেন তিনটি সোনা। তারমধ্যে একটি দলগত ও দু’টি ব্যক্তিগত ইভেন্টে। এড়াছাও এশিয়াডে দু’টি রুপো ও দু’টি ব্রোঞ্জ রয়েছে তাঁর। কমনওয়েলথে গেমসেও দাপট দেখিয়েছেন যশপাল। এই আসরে রয়েছে মোট ৯টি সোনা।
শুটিং বিশ্বকাপ শেষে জার্মানি থেকে গত ১ জুন দেশে ফেরার সময় বিমানে বুকে ব্যথা অনুভব করেন যশপাল। দ্রুত রাজধানীর ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। আর্টারিতে ব্লকেজ ধরা পড়ায় স্টেন্ট বসানো হয়। তা সত্ত্বেও তাঁর শারীরিক অবস্থা ক্রমশ খারাপের দিকে যায়। বৃহস্পতিবার ভোরের দিকে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন যশপাল। তাঁর স্ত্রী, দুই সন্তান, বাবা ও দুই ভাই-বোন জীবিত। এই দুঃসংবাদে ভারতীয় শুটিং জগতে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। উল্লেখ্য, খেলা ছাড়ার পর কোচিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন যশপাল। ২০২৪ প্যারিস ওলিম্পিকসে জোড়া ব্রোঞ্জজয়ী মানু ভাকেরের কোচ ছিলেন তিনি।
যশপালের প্রয়াণে স্তম্ভিত ক্রীড়ামহল। অভিনব বিন্দ্রা, গগন নারাং, বিজয় কুমাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় স্মৃতিচারণ করেছেন। ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ গৌতম গম্ভীরও পাঠিয়েছেন শোকবার্তা। এদিকে, কোচের প্রয়াণে মানু ভাকের মানসিকভাবে বিধ্বস্ত। তাঁর মা জানিয়েছেন, যশপালের মৃত্যু মেনে নিতে পারছেন না ওলিম্পিকসে জোড়া পদকজয়ী।