


নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সপ্তাহে দু’দিন তৃণমূলের রাজ্য সদর দপ্তরে বসার নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছিল প্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়কে। সেখানে বসে কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলবেন। কর্মীদের অভাব-অভিযোগ-পরামর্শ থাকলে, সেটা শুনবেন এবং নথিভুক্ত করবেন। কিন্তু তৃণমূল ভবনের মধ্যেই আলোচনা চলছে, দল যাঁকে গুরু দায়িত্ব ন্যস্ত করল, তাঁকে আর দেখাই যাচ্ছে না। তিনি তৃণমূল ভবনে আসছেন না। কিন্তু তিনি কেন আসছেন না, সেই প্রশ্নটাই তুলেছেন দলের নেতারা। যদিও শোভনবাবু জানিয়েছেন, আমি নিয়মিত যোগাযোগ রাখি তৃণমূল ভবনের সঙ্গে। যাই-ও। মাঝে কয়েকদিন ব্যক্তিগত অন্য কাজে ব্যস্ত ছিলাম।
প্রসঙ্গত, তৃণমূল ভবনে নিয়মিত বসেন রাজ্য সভাপতি সুব্রত বক্সি এবং সহ সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। দলের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়মিত সাক্ষাৎ করেন তাঁরা। পাশাপাশি সপ্তাহের কোন দিন, কোন সময়, কোন নেতা তৃণমূল ভবনে বসবেন, তার জন্য একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে। সেই তালিকায় নাম রয়েছে অরূপ বিশ্বাস, ফিরহাদ হাকিম, নাদিমুল হক, কুণাল ঘোষ, দোলা সেন প্রমুখের। এই তালিকায় নাম রয়েছেপ্রাক্তন মন্ত্রী শোভন চট্টোপাধ্যায়েরও। সপ্তাহে দু’দিন তাঁর তৃণমূল ভবনে বসবার কথা। তৃণমূল ভবনে যাঁরা নিয়মিত আসেন, সেই নেতাদের বক্তব্য, দলের কঠিন সময়ে শোভনবাবুর উচিত ছিল, শুধুমাত্র সপ্তাহে নির্দিষ্ট দুটি দিন নয়, প্রতিদিন আসা। শোভনবাবুর বক্তব্য, আমি তৃণমূল ভবনে যাই। আগামীদিনেও যাব।
শোভন চট্টোপাধ্যায় দীর্ঘদিন তৃণমূলে থাকার পর বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। পরে আবার ২০২৫ সালের ৩ নভেম্বর তৃণমূলেই ফিরে আসেন। নিউটাউন কলকাতা ডেভলপমেন্ট অথরিটির চেয়ারম্যান পদে শোভন চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পালাবদলের পরও সেই পদ এখনও আঁকড়ে আছেন তিনি।