নিজস্ব প্রতিনিধি, ফলতা: ডুপ্লিকেট ভোটারদের বাদ দিতে হবে। কোনো অবৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকায় না থাকে। এক ব্যক্তির একাধিক জায়গায় ভোটার কার্ড রাখা যাবে না। থাকলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর সময় নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এমনই বার্তা দেওয়া হয়েছিল বিএলও থেকে জেলার নির্বাচনি আধিকারিকদের। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনে এই প্রক্রিয়াটাই প্রশ্নের মুখে পড়ে গেল। কারণ এসআইআরের কাজ যে ঠিক মতো হয়নি, তার হাতেগরম উদাহরণ মিলল এদিনের ভোটে। সৌজন্যে অবশ্যই তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খানের বাহিনী। বেলসিংহা ১ নম্বর পঞ্চায়েত এলাকায় ভোট দিতে এসেছিলেন জয় সাহা নামে এক ভোটার। ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বেরিয়ে আসার পর তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে সামনে আনলেন তাঁর বাহিনীর আরও এক কীর্তি। তিনি বলেন, আমার বাড়ি ফলতায়। সেই সূত্রে এখানে ভোটার কার্ড বানিয়েছিলাম। কিন্তু বাবা-মা থাকেন ডায়মন্ডহারবারে। পরে আমিও সেখানে চলে যাওয়ার যাই। সেখানে এসআইআরের ফর্ম পূরণ করে নতুন ভোটার কার্ড তৈরি করি। ফলতা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট বিএলওকে পদক্ষেপ করার কথা বলেছিলাম। কিন্তু ওই তৃণমূল নেতার চাপেই বিএলও এ বিষয়ে আর আগে বাড়েননি। ফলে ডায়মন্ডহারবারের পাশাপাশি ফলতার ভোটার তালিকায় আমার নাম থেকে যায়।



