নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: ভেজাল ঘি ধরতে শান্তিপুরে ফের পুলিসি অভিযান। অভিযানে ব্যাপক সাফল্যও মিলেছে। উদ্ধার হয়েছে দুই হাজার ৯০০ কিলোগ্রাম ভেজাল ঘি ও ঘি তৈরির সরঞ্জাম। যার বর্তমান বাজারমূল্য আনুমানিক ২০ লক্ষ টাকা। ভেজাল উদ্ধারের পাশাপাশি এদিন তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে শান্তিপুর থানার পুলিস জানতে পেরেছে, ধৃতরা দীর্ঘদিন ধরেই নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে ভোজ্য ঘি বানাচ্ছিল।
Advertisement
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে শনিবার রাতে শান্তিপুর থানার পুলিস একটি বিশেষ অভিযান চালায়। শান্তিপুর থানা এলাকারই ফুলিয়া বুইচা ঘোষপাড়ায় একটি ঘি তৈরির কারখানায় ভেজালের সন্ধান মেলে। সন্তু ঘোষ নামে এক ঘি ব্যবসায়ীর বাড়ি এবং বাড়ি লাগোয়া সেই কারখানায় বেশ কয়েক হাজার কেজি নিম্নমানের ভোজ্য ঘি মজুত ছিল। অভিযানকারী পুলিসের দলটি ঘটনাস্থল থেকে সবমিলিয়ে ২ হাজার ৯০০ কিলোগ্রাম ভেজাল ঘি এবং ঘি তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। ওই কারখানা থেকেই তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতদের নাম গণেশ ঘোষ, অরবিন্দ ঘোষ এবং বিশ্বনাথ ঘোষ। তারা প্রত্যেকেই ফুলিয়ার বয়রা এলাকার বাসিন্দা। তবে অভিযানের খবর পেয়ে ঘি কারখানার মালিক তথা মূল অভিযুক্ত সন্তু ঘোষ পলাতক। তদন্তকারীরা জানান, ঘটনাস্থল থেকে ২ হাজার ৫০০ কিলোগ্রাম ভেজাল ঘি এবং ৪০০ কিলোগ্রাম রিফাইন ওয়েল উদ্ধার হয়েছে।
এবিষয়ে রানাঘাট পুলিস জেলার অতিরিক্ত সুপার লাল্টু হালদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই ফুলিয়ার বিভিন্ন জায়গায় ভেজাল ঘি তৈরি হচ্ছে বলে আমরা খবর পাচ্ছিলাম। সম্প্রতি আমরা জানতে পারি, বুইচা এলাকাতে ভেজাল ঘি-এর ব্যবসা ফুলেফেঁপে উঠেছে। সেইমতো শান্তিপুর থানার একটি বিশেষ দল সেখানে হানা দেয়। তারাই এই ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। ভবিষ্যতেও আমরা একইভাবে ভেজাল ধরতে লাগাতার অভিযান চালাব।
এবিষয়ে রানাঘাট পুলিস জেলার অতিরিক্ত সুপার লাল্টু হালদার বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই ফুলিয়ার বিভিন্ন জায়গায় ভেজাল ঘি তৈরি হচ্ছে বলে আমরা খবর পাচ্ছিলাম। সম্প্রতি আমরা জানতে পারি, বুইচা এলাকাতে ভেজাল ঘি-এর ব্যবসা ফুলেফেঁপে উঠেছে। সেইমতো শান্তিপুর থানার একটি বিশেষ দল সেখানে হানা দেয়। তারাই এই ব্যাপক সাফল্য পেয়েছে। ভবিষ্যতেও আমরা একইভাবে ভেজাল ধরতে লাগাতার অভিযান চালাব।



