নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: শান্তিপুর বিডিও অফিসে বিজেপির পাল্টা কর্মসূচিতে নেমে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছিল। বিজেপির তরফে লিখিত অভিযোগ দায়েরও করা হয় শান্তিপুর থানায়। সেই ঘটনায় ফের আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। তৃণমূলের পাল্টা প্রত্যুত্তরকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে শান্তিপুর ব্লক রাজনীতির কাজিয়া।
Advertisement
চলতি সপ্তাহে বিডিও-র বিরুদ্ধে স্বজনপোষণ এবং তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতি ‘বিশেষ দুর্বলতা’র অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। বিডিওকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। এরই পাল্টা বিক্ষোভে ময়দানে নামে তৃণমূল। বুধবার তাদের তরফে বিজেপি পরিচালিত শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ঘরের সামনে অবস্থান বিক্ষোভ করা হয়। অভিযোগ, সেই অবস্থান চলাকালীন সভাপতি এবং সহকারী সভাপতি ঘর ভাঙচুর করা হয়। বুধবার সন্ধ্যায় বিজেপির তরফে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরকারি সম্পত্তি ভাঙচুরের অভিযোগ দায়ের করা হয় শান্তিপুর থানায়। কেন অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হল না, তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে তারা। শান্তিপুরের বিজেপি নেতা তথা সহকারী সভাপতি চঞ্চল চক্রবর্তী বলেন, বিডিও এবং তৃণমূলের মধ্যে প্রেম চলছে। তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টার বিষয়টি নিয়ে নিন্দা করেন শান্তিপুর ব্লকের সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক সন্দীপ ঘোষ। তিনি বলেন, এহেন মন্তব্য কাম্য নয়। একজন সরকারি আধিকারিকের কাছে সব দলই সমান। প্রথমে একটি দল তাদের রাজনৈতিক কর্মসূচি করেছে। তার পাল্টা অন্য দলও তাদের কর্মসূচি রেখেছে। এটা দু’টি রাজনৈতিক দলের রাজনৈতিক কর্মসূচি। শান্তিপুরের বিধায়ক ব্রজকিশোর গোস্বামী বলেন, তৃণমূল কখনওই প্রশাসনকে নিয়ন্ত্রণ করে না। আসলে প্রচারের আলোয় ভেসে থাকার জন্য বিজেপি আজকাল নিম্নরুচির মন্তব্য করাও শুরু করেছে।



