ইন্দ্রজিৎ রায়, বোলপুর: বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের স্মৃতি ও ইতিহাস মুছে ফেলতে বাংলাদেশে এখন কার্যত ধ্বংসলীলা চানানো হচ্ছে। একদা দেশনায়কের সমস্ত স্মৃতিই বুলডোজারে গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। চলছে অবাধ লুট। ঠিক তার উল্টো ছবি কবিগুরুর কর্মভূমি বিশ্বভারতীতে। শান্তিনিকেতনে আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ ভবনে সুরক্ষিত রয়েছে বঙ্গবন্ধু মুজিবুর রহমানের ছবি সহ ওপার বাংলার নানা ইতিহাস। অবিভক্ত বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নানা সামগ্রী সযত্নে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ভবনের মিউজিয়ামে। এতে কিছুটা হলেও ইতিহাস অক্ষত থাকবে, এই ভেবে স্বস্তিতে বাংলাদেশ থেকে আসা বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা।
Advertisement
উল্লেখ্য, সরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবারের সংরক্ষণের প্রতিবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়েছিল। তারপর থেকে সমস্ত আক্রোশ গিয়ে পড়ে মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের উপর। বঙ্গবন্ধুর মূর্তি থেকে শুরু করে ঘরবাড়ি, সবকিছু ধ্বংস করা শুরু করে আন্দোলনকারীরা। তার সঙ্গে বাড়ছে ভারত বিদ্বেষ। অথচ বিশ্বভারতীতে আন্তর্জাতিক বাংলাদেশ ভবনে সেদেশের ইতিহাস সুরক্ষিত রাখা হয়েছে।
বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ সংক্রান্ত ইতিহাসের মূল্যবান ছবি, পুঁথি, ইতিহাস ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী মিউজিয়ামে সযত্নে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ কীভাবে পূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠল তার সম্পূর্ণ কাহিনি সংক্ষিপ্তরূপে বাংলাদেশ ভবনের মিউজিয়ামে তুলে ধরা হয়েছে। অবিভক্ত বাংলা, একুশের ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ প্রভৃতি বিষয়গুলি বিভিন্ন গ্যালারিতে সাজানো রয়েছে। এছাড়াও রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষদের(ঠাকুর বাড়ির) পূর্ববঙ্গের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস ও পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের রেপ্লিকা অত্যন্ত যত্নে রাখা হয়েছে। ভবনে ঢোকার মুখেই রয়েছে বঙ্গবন্ধুর বিশাল ছবি। মিউজিয়ামে শিল্পী শ্যামল চৌধুরী নির্মিত বঙ্গবন্ধুর একটি ভাস্কর্য রয়েছে। এই মিউজিয়াম আরও বড় আকারে করার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বভারতীর বৈঠক হয়েছিল। তারপরই পদ্মাপাড়ের দেশে অশান্তিতে সেই প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। তাই যেটুকু স্মৃতি বাংলাদেশ ভবনে রয়েছে সেগুলিকেই সুরক্ষিত রাখতে কর্তৃপক্ষ কোনও খামতি রাখবে না বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। যদিও এই মুহূর্তে সংস্কারের কারণে মিউজিয়ামটি পর্যটকদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ভবনের মুখ্য সমন্বয়ক মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়। তবে পড়ুয়াদের পঠনপাঠন ও গবেষণার কাজ বন্ধ হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে আসা সুস্মিতা দাস, আবু সাঈদ বলেন, যেভাবে ইতিহাস নষ্ট করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। আশা করি, বাংলাদেশের অস্থির অবস্থা খুব দ্রুত মিটে যাবে। ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য বিশ্বভারতীকে ধন্যবাদ জানাই। বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, আমরা কখনোই ইতিহাস নষ্ট করার পক্ষে নয়। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অত্যন্ত নিবিড় যোগ রয়েছে। সেটা অবশ্যই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্য। কিন্তু বর্তমানে সেদেশে যা হচ্ছে, তা অনভিপ্রেত। বাংলাদেশ ভবনে যা কিছু রয়েছে তা সুরক্ষিত রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।
বিশ্বভারতী সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ সংক্রান্ত ইতিহাসের মূল্যবান ছবি, পুঁথি, ইতিহাস ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী মিউজিয়ামে সযত্নে রেখেছে কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশ কীভাবে পূর্ণ রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠল তার সম্পূর্ণ কাহিনি সংক্ষিপ্তরূপে বাংলাদেশ ভবনের মিউজিয়ামে তুলে ধরা হয়েছে। অবিভক্ত বাংলা, একুশের ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীনতার পর বাংলাদেশ প্রভৃতি বিষয়গুলি বিভিন্ন গ্যালারিতে সাজানো রয়েছে। এছাড়াও রবীন্দ্রনাথের পূর্বপুরুষদের(ঠাকুর বাড়ির) পূর্ববঙ্গের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ইতিহাস ও পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শনের রেপ্লিকা অত্যন্ত যত্নে রাখা হয়েছে। ভবনে ঢোকার মুখেই রয়েছে বঙ্গবন্ধুর বিশাল ছবি। মিউজিয়ামে শিল্পী শ্যামল চৌধুরী নির্মিত বঙ্গবন্ধুর একটি ভাস্কর্য রয়েছে। এই মিউজিয়াম আরও বড় আকারে করার জন্য বাংলাদেশের সঙ্গে বিশ্বভারতীর বৈঠক হয়েছিল। তারপরই পদ্মাপাড়ের দেশে অশান্তিতে সেই প্রক্রিয়া স্থগিত হয়ে যায়। তাই যেটুকু স্মৃতি বাংলাদেশ ভবনে রয়েছে সেগুলিকেই সুরক্ষিত রাখতে কর্তৃপক্ষ কোনও খামতি রাখবে না বলে জানিয়েছেন আধিকারিকরা। যদিও এই মুহূর্তে সংস্কারের কারণে মিউজিয়ামটি পর্যটকদের জন্য বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ভবনের মুখ্য সমন্বয়ক মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়। তবে পড়ুয়াদের পঠনপাঠন ও গবেষণার কাজ বন্ধ হয়নি বলে তিনি জানিয়েছেন। বাংলাদেশ থেকে আসা সুস্মিতা দাস, আবু সাঈদ বলেন, যেভাবে ইতিহাস নষ্ট করা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। আশা করি, বাংলাদেশের অস্থির অবস্থা খুব দ্রুত মিটে যাবে। ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য বিশ্বভারতীকে ধন্যবাদ জানাই। বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ বলেন, আমরা কখনোই ইতিহাস নষ্ট করার পক্ষে নয়। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের অত্যন্ত নিবিড় যোগ রয়েছে। সেটা অবশ্যই বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্য। কিন্তু বর্তমানে সেদেশে যা হচ্ছে, তা অনভিপ্রেত। বাংলাদেশ ভবনে যা কিছু রয়েছে তা সুরক্ষিত রাখতে আমরা বদ্ধপরিকর।



