নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: শীত পড়তেই বারাসত ও বসিরহাটের বিভিন্ন গ্রামে বেড়েছে শিয়ালের উৎপাত। আতঙ্কিত মানুষ। মাঝেমধ্যেই গ্রামে ঢুকে খাঁচা থেকে হাঁস, মুরগি নিয়ে চলে যাচ্ছে শিয়াল। বাধা দিতে গিয়ে গ্রামবাসীদের অনেকে আঁচড়, কামড় খাচ্ছেন। কখনও আলু জমিতে গর্ত খুঁড়ে চাষের কাজের ক্ষতি করছে প্রাণীগুলি। ফসল বাঁচাতে চাষের জমি জাল দিয়ে ঘিরে রাখতে হচ্ছে কৃষকদের। শীতের রাতে গ্রামের ভিতর শেয়ালের হুক্কা হুয়া ডাকে ঘুম ছুটেছে সবার। হাড়োয়া, কদম্বগাছি, দেগঙ্গা, মিনাখাঁর একাধিক গ্রামে প্রায়শই হানা দিচ্ছে প্রাণীগুলি। আশপাশে আবর্জনা জমে থাকার কারণেই শিয়ালের উৎপাত বাড়ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য, আবর্জনার মধ্যে থাকা খাবারের খোঁজেই শিয়াল ঢুকছে গ্রামে।
Advertisement
গ্রামীণ এলাকায় সাধারণত পথ কুকুরের সংখ্যাই বেশি। কিন্তু এখন তাদের এলাকা দখল করছে শিয়ালের দল। নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি থেকে বেড়েছে উপদ্রব। বিকেলের পর দলে দলে গ্রামে ঢুকছে। রাস্তাঘাট দখল করে নিচ্ছে। সূর্য ডুবে যাওয়ার পরই চাষের জমিতে উৎপাত চালাচ্ছে। রীতিমতো চিন্তিত কৃষকরা।
শিবু মালিক নামে দেগঙ্গার চৌরাশির এক বাসিন্দা বলেন, ‘বিকেল সাড়ে চারটের পর থেকেই শিয়াল ঢোকে। দল বেধে তারা মাঠে ঘোরাফেরা করে। শীতের ফসলেরও ক্ষতি করে। মাঠের আলু একেবারেই নষ্ট করে দিচ্ছে। এমনিতেই আমাদের অবস্থা খারাপ। তার উপর শীতের ফসল নষ্ট হওয়ায় চিন্তা বেড়েছে।’ আবুল গাজি নামে হাড়োয়ার এক ব্যক্তি বলেন, ‘ফসল বাঁচাতে চাষের জমি জাল দিয়ে ঘিরে দিতে হয়েছে। শিয়াল তাড়াতে গিয়ে শিশুরা জখম হয়েছে। জমিতে এসে দাপাচ্ছে জন্তুগুলি। ফলে বিকেলের পর থেকেই কার্যত গৃহবন্দি দশা। সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না।’
শিয়ালের উপদ্রবের কারণ কি শুধুই জমে থাকা আবর্জনা? পরিবেশবিদরা বলছেন, ‘করোনা অতিমারিতে অনেক শ্রমিক কাজ হারিয়ে ভিন রাজ্য থেকে গ্রামে ফিরেছেন। গ্রামের ভিতরে রকমারি দোকান করেছেন। অনেকেই দোকানের আবর্জনা গ্রামের ভিতরই জমা করে রাখছেন। সেই আবর্জনার মধ্যে থাকা খাবারের টানেই শিয়ালের দল আসছে। তাছাড়া নির্বিচারে ঝোপ জঙ্গল নষ্ট করায় তারা সাময়িক আশ্রয়ের খোঁজেও গ্রামের ভিতর চলে আসছে।’
শিবু মালিক নামে দেগঙ্গার চৌরাশির এক বাসিন্দা বলেন, ‘বিকেল সাড়ে চারটের পর থেকেই শিয়াল ঢোকে। দল বেধে তারা মাঠে ঘোরাফেরা করে। শীতের ফসলেরও ক্ষতি করে। মাঠের আলু একেবারেই নষ্ট করে দিচ্ছে। এমনিতেই আমাদের অবস্থা খারাপ। তার উপর শীতের ফসল নষ্ট হওয়ায় চিন্তা বেড়েছে।’ আবুল গাজি নামে হাড়োয়ার এক ব্যক্তি বলেন, ‘ফসল বাঁচাতে চাষের জমি জাল দিয়ে ঘিরে দিতে হয়েছে। শিয়াল তাড়াতে গিয়ে শিশুরা জখম হয়েছে। জমিতে এসে দাপাচ্ছে জন্তুগুলি। ফলে বিকেলের পর থেকেই কার্যত গৃহবন্দি দশা। সন্ধ্যার পর বাড়ির বাইরে কেউ বের হন না।’
শিয়ালের উপদ্রবের কারণ কি শুধুই জমে থাকা আবর্জনা? পরিবেশবিদরা বলছেন, ‘করোনা অতিমারিতে অনেক শ্রমিক কাজ হারিয়ে ভিন রাজ্য থেকে গ্রামে ফিরেছেন। গ্রামের ভিতরে রকমারি দোকান করেছেন। অনেকেই দোকানের আবর্জনা গ্রামের ভিতরই জমা করে রাখছেন। সেই আবর্জনার মধ্যে থাকা খাবারের টানেই শিয়ালের দল আসছে। তাছাড়া নির্বিচারে ঝোপ জঙ্গল নষ্ট করায় তারা সাময়িক আশ্রয়ের খোঁজেও গ্রামের ভিতর চলে আসছে।’



