নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: বছর ঘুরলেই বিধানসভা নির্বাচন। শাসক-বিরোধী দুই শিবিরই সংগঠন নতুন করে সাজিয়ে ‘যুদ্ধে’ নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তখনই রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের সংগঠনের কঙ্কারসার চেহারা সামনে এসেছে। বুথস্তরের সংগঠন গড়া তো দূরের কথা, শিল্পাঞ্চলের সব মণ্ডল সভাপতির নামই ঘোষণা করতে পারল না বিজেপি। দুর্গাপুর বিধানসভা, রানিগঞ্জ, পাণ্ডবেশ্বর, জামুড়িয়া, বারাবনি সর্বত্রই একই ছবি। যা নিয়ে কটাক্ষ ছুড়ে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাংগঠনিক দুর্বলতার কথা স্বীকার করে নিলেও বয়সের সীমারেখাকে অজুহাত হিসেবে খাড়া করছে বিজেপি।
Advertisement
বিজেপির রাজ্য সম্পাদক লক্ষ্মণ ঘোড়ুই বলেন, কিছু জায়গায় সাংগঠনিক দুর্বলতা রয়েছে। দলের নিয়ম অনুযায়ী যেসব জায়গায় ৫০শতাংশ বুথ কমিটি গঠিত হয়নি সেখানে মণ্ডল সভাপতি করা যায়নি। এছাড়া অনেক মণ্ডল সভাপতির বয়স ৪৫ হয়ে যাওয়ায় তাঁরা বাদ পড়েছেন। তবে বিধানসভা ভোটে এর কোনও প্রভাব পড়বে না। তৃণমূলের প্রতি মানুষ বিরক্ত।
রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী তথা দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার বলেন, বাংলায় বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা সর্বজনবিদিত। বাংলাকে নানা কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চনা করায় তারা মানুষের কাছ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। আমরা বিজেপিকে দেখে রাজনীতি করি না। আমাদের আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। মানুষের পাশে সর্বক্ষণ থাকাই আমাদের নেত্রীর শিক্ষা।
২০২১সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভা আসনটি সিপিএমের দখলে ছিল। যদিও সেবার ওই আসনে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড়ি লড়াই হয়। তৃণমূল কংগ্রেস এই আসনে জয়লাভ করার পর মন্ত্রী হন প্রদীপবাবু। চার বছর ধরে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর এলাকায় সংগঠনে দাঁত ফোটাতে পারেনি বিজেপি। দুর্গাপুর শহর ও কাঁকসা ব্লকের তিনটি পঞ্চায়েত নিয়ে গড়ে ওঠা এই বিধানসভা এলাকায় বিজেপি সাংগঠনিকভাবে চারটি মণ্ডলে বিভক্ত। রবিবার প্রকাশিত তালিকায় দুর্গাপুর পূর্বের ৩ নম্বর মণ্ডল সভাপতির নাম ঘোষিত হলেও বাকি তিনটির নাম দিতে পারেনি গেরুয়া শিবির। এই এলাকায় আদি বিজেপি নেতাদের দাবি, গত বিধানসভা ভোটের পর থেকেই এলাকায় কোনও আন্দোলনই গড়ে তুলতে পারেনি বিজেপি। যারফলে বুথ কমিটিই গঠন করা যায়নি। সেকারণে নিয়ম অনুযায়ী মণ্ডল সভাপতির নামও ঘোষণা করা যায়নি।
একই দশা আসানসোল সাংগঠনিক জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকার। এখানকার বিধায়ক তৃণমূলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। সেই এলাকায় বিজেপির সংগঠন দুর্বল। তা ফের মণ্ডল সভাপতি ঘোষণা থেকেই স্পষ্ট হয়েছে। বিজেপি এই বিধানসভার ২ ও ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতির নাম ঘোষণা করতে পেরেছে। ১ ও ৪নম্বর মণ্ডলে ৫০শতাংশ বুথ কমিটিই গঠন করা যায়নি। যার জেরে মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন হয়নি। একইভাবে বারাবনি বরাবর তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায়ের নিজের বিধানসভা এলাকায় বিজেপি দু’টি মণ্ডলে সভাপতির নাম ঘোষণা করতে পেরেছে। রানিগঞ্জ ও জামুড়িয়া বিধানসভা এলাকায় দু’জন করে মণ্ডল সভাপতি ঘোষণা করেছে বিজেপি। আসানসোল সাংগঠনিক জেলার মধ্যে একমাত্র আসানসোল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ ও কুলটি বিধানসভা এলাকার সবক’টি মণ্ডলের সভাপতির নাম ঘোষণা সম্ভব হয়েছে। দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা এলাকারও চারটি মণ্ডলের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি।
রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী তথা দুর্গাপুর পূর্বের বিধায়ক প্রদীপ মজুমদার বলেন, বাংলায় বিজেপির সাংগঠনিক দুর্বলতা সর্বজনবিদিত। বাংলাকে নানা কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চনা করায় তারা মানুষের কাছ থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। আমরা বিজেপিকে দেখে রাজনীতি করি না। আমাদের আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই। মানুষের পাশে সর্বক্ষণ থাকাই আমাদের নেত্রীর শিক্ষা।
২০২১সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে দুর্গাপুর পূর্ব বিধানসভা আসনটি সিপিএমের দখলে ছিল। যদিও সেবার ওই আসনে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড়ি লড়াই হয়। তৃণমূল কংগ্রেস এই আসনে জয়লাভ করার পর মন্ত্রী হন প্রদীপবাবু। চার বছর ধরে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর এলাকায় সংগঠনে দাঁত ফোটাতে পারেনি বিজেপি। দুর্গাপুর শহর ও কাঁকসা ব্লকের তিনটি পঞ্চায়েত নিয়ে গড়ে ওঠা এই বিধানসভা এলাকায় বিজেপি সাংগঠনিকভাবে চারটি মণ্ডলে বিভক্ত। রবিবার প্রকাশিত তালিকায় দুর্গাপুর পূর্বের ৩ নম্বর মণ্ডল সভাপতির নাম ঘোষিত হলেও বাকি তিনটির নাম দিতে পারেনি গেরুয়া শিবির। এই এলাকায় আদি বিজেপি নেতাদের দাবি, গত বিধানসভা ভোটের পর থেকেই এলাকায় কোনও আন্দোলনই গড়ে তুলতে পারেনি বিজেপি। যারফলে বুথ কমিটিই গঠন করা যায়নি। সেকারণে নিয়ম অনুযায়ী মণ্ডল সভাপতির নামও ঘোষণা করা যায়নি।
একই দশা আসানসোল সাংগঠনিক জেলার পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকার। এখানকার বিধায়ক তৃণমূলের জেলা সভাপতি নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী। সেই এলাকায় বিজেপির সংগঠন দুর্বল। তা ফের মণ্ডল সভাপতি ঘোষণা থেকেই স্পষ্ট হয়েছে। বিজেপি এই বিধানসভার ২ ও ৩ নম্বর মণ্ডলের সভাপতির নাম ঘোষণা করতে পেরেছে। ১ ও ৪নম্বর মণ্ডলে ৫০শতাংশ বুথ কমিটিই গঠন করা যায়নি। যার জেরে মণ্ডল সভাপতি নির্বাচন হয়নি। একইভাবে বারাবনি বরাবর তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। আসানসোলের মেয়র বিধান উপাধ্যায়ের নিজের বিধানসভা এলাকায় বিজেপি দু’টি মণ্ডলে সভাপতির নাম ঘোষণা করতে পেরেছে। রানিগঞ্জ ও জামুড়িয়া বিধানসভা এলাকায় দু’জন করে মণ্ডল সভাপতি ঘোষণা করেছে বিজেপি। আসানসোল সাংগঠনিক জেলার মধ্যে একমাত্র আসানসোল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ ও কুলটি বিধানসভা এলাকার সবক’টি মণ্ডলের সভাপতির নাম ঘোষণা সম্ভব হয়েছে। দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা এলাকারও চারটি মণ্ডলের নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি।



