নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: শাকসব্জি থেকে কালো নুনিয়া চাল। মাশরুম থেকে ডিম। এবার বাঙালির নিত্যপ্রয়োজনীয় ওই দ্রব্যগুলি মিলবে শিলিগুড়ি শহরের সৃষ্টিশ্রী স্টলে। সেগুলি উৎপাদন করছে মহিলা স্বনির্ভরগোষ্ঠী। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ওই সামগ্রীগুলি স্টলে বিক্রির পরিকল্পনা করা হয়েছে। এজন্য শপিংমলের আদলে সংশ্লিষ্ট স্টল সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে আনন্দধারা প্রকল্পের মিশন ম্যানেজমেন্ট ইউনিট। ইতিমধ্যে তারা এ ব্যাপারে বিভিন্ন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে বৈঠকও করেছে।
Advertisement
শিলিগুড়ির আনন্দধারা প্রকল্পের অতিরিক্ত জেলা মিশন অধিকর্তা মৌসুমি পাত্র বলেন, বর্তমানে সর্বস্তরের মানুষই এক জায়গা থেকেই সংসারের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস ক্রয় করতে চান। তাই শপিংমলের আদলে সৃষ্টিশ্রী স্টল সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এজন্যই এবার থেকে জৈব প্রযুক্তিতে প্রস্তুত শাকসব্জি, কালো নুনিয়া চাল, মাশরুম, ডিম প্রভৃতি ওই স্টলে রাখা হবে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশেই এমন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে স্টলে ক্রেতার সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশা করছি।
শহরের হরেণ মুখার্জি রোডের ধারে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ভবন। পাশেই আনন্দধারা প্রকল্পের জেলা অফিস। সেখানেই অবস্থিত সৃষ্টিশ্রী স্টল। এটা শহরের অভিজাত এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম। এই এলাকার আশপাশে সরকারি আধিকারিক ও বিচারকদের আবাসন, অসংখ্য আবাসন। এলাকাটি জনবহুল। এজন্যই সংশ্লিষ্ট স্টল শপিংমলের আদলে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আনন্দধারা প্রকল্পের মিশন ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের এক আধিকারিক বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে ওই স্টল চালু করা হয়েছিল। মাঝে কিছুদিন বন্ধ ছিল। তারপর সেটি আবার চালু হয়েছে। বর্তমানে সেখান থেকে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তৈরি ঘর সাজানোর উপকরণ, আর্টিফিসিয়াল জুয়েলারি, পাটের তৈরি উপকরণ, রেডিমেড পোশাক প্রভৃতি বিক্রি হচ্ছে। সেখানকার দায়িত্বে রয়েছেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দু’জন মহিলা। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশ্লিষ্ট স্টলে মিলবে শাকসব্জি, কালো নুনিয়া চাল, আদা, মাশরুম, ডিম প্রভৃতি। মহকুমার বেশকিছু স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন করছে।
প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগে সংশ্লিষ্ট স্টল থেকে আলু, পেঁয়াজ, টম্যাটো প্রভৃতি সরকার নির্ধারিত দরে বিক্রি করা হয়েছিল। আনন্দধারা প্রকল্পের এক আধিকারিক বলেন, সেই সময় ক্রেতাদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া মিলেছিল। সেজন্যই স্টলটিকে শপিংমলের আদলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাজার দর থেকে কিছুটা কম দামেই সংশ্লিষ্ট স্টল থেকে শাকসব্জি, চাল, ডিম মিলবে। এতে স্বনির্ভরগোষ্ঠীর মহিলাদের উৎপাদিত সামগ্রী সহজেই বাজারজাত হবে। তাঁদের আয়ও কিছুটা বাড়বে।
শহরের হরেণ মুখার্জি রোডের ধারে শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের ভবন। পাশেই আনন্দধারা প্রকল্পের জেলা অফিস। সেখানেই অবস্থিত সৃষ্টিশ্রী স্টল। এটা শহরের অভিজাত এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম। এই এলাকার আশপাশে সরকারি আধিকারিক ও বিচারকদের আবাসন, অসংখ্য আবাসন। এলাকাটি জনবহুল। এজন্যই সংশ্লিষ্ট স্টল শপিংমলের আদলে সাজানোর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
আনন্দধারা প্রকল্পের মিশন ম্যানেজমেন্ট ইউনিটের এক আধিকারিক বলেন, বেশ কয়েক বছর আগে ওই স্টল চালু করা হয়েছিল। মাঝে কিছুদিন বন্ধ ছিল। তারপর সেটি আবার চালু হয়েছে। বর্তমানে সেখান থেকে মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর তৈরি ঘর সাজানোর উপকরণ, আর্টিফিসিয়াল জুয়েলারি, পাটের তৈরি উপকরণ, রেডিমেড পোশাক প্রভৃতি বিক্রি হচ্ছে। সেখানকার দায়িত্বে রয়েছেন স্বনির্ভর গোষ্ঠীর দু’জন মহিলা। আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে সংশ্লিষ্ট স্টলে মিলবে শাকসব্জি, কালো নুনিয়া চাল, আদা, মাশরুম, ডিম প্রভৃতি। মহকুমার বেশকিছু স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলা ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে সংশ্লিষ্ট দ্রব্যসামগ্রী উৎপাদন করছে।
প্রসঙ্গত, কয়েক মাস আগে সংশ্লিষ্ট স্টল থেকে আলু, পেঁয়াজ, টম্যাটো প্রভৃতি সরকার নির্ধারিত দরে বিক্রি করা হয়েছিল। আনন্দধারা প্রকল্পের এক আধিকারিক বলেন, সেই সময় ক্রেতাদের কাছ থেকে ব্যাপক সাড়া মিলেছিল। সেজন্যই স্টলটিকে শপিংমলের আদলে সাজানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বাজার দর থেকে কিছুটা কম দামেই সংশ্লিষ্ট স্টল থেকে শাকসব্জি, চাল, ডিম মিলবে। এতে স্বনির্ভরগোষ্ঠীর মহিলাদের উৎপাদিত সামগ্রী সহজেই বাজারজাত হবে। তাঁদের আয়ও কিছুটা বাড়বে।



