নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: বিজেপির বুথ কমিটি গঠন নিয়ে গোষ্ঠী কোন্দল প্রকাশ্যে এল। ঘটনাটি শালবনী বিধানসভার তিলাবনী ২৬৭ নম্বর বুথের। ইতিমধ্যেই নব গঠিত বুথ কমিটির এক সদস্যের তরফে বিজেপির উচ্চ নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ করা হয়েছে। এনিয়ে ক্ষুব্ধ বিজেপির নেতা-কর্মীরা। অভিযোগ, শক্তিকেন্দ্র রিটার্নিং অফিসারের উপস্থিতিতে বুথ কমিটি গঠন হলেও তা প্রত্যাহার করার জন্য নেতা-কর্মীদের চাপ দেওয়া হচ্ছে। এক বিজেপি নেতার কথায়, জেলার বেশিরভাগ বুথ এলাকায় গোষ্ঠী কোন্দল রয়েছে। এতেই পিছিয়ে যাচ্ছে দল। দলের উচ্চ নেতৃত্বের তরফে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
Advertisement
তিলাবনী ২৬৭ নং বুথের বিজেপির সক্রিয় সদস্য সৌমেন ঘোষ বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টিতে পক্ষপাতের কোনও জায়গা নেই। তিলাবনী বুথের কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে ২৫ জানুয়ারি তৈরি করা হয়েছে। বৈঠকে উপস্থিত ১০০ শতাংশ সদস্যের মতামতের ভিত্তিতেই কমিটি করে জমা দেওয়া হয়।
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, নিরপেক্ষ বুথ কমিটি গঠনের কথা মাথায় রেখেই বিজেপি দলের তরফে শক্তিকেন্দ্র রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়। কয়েকটি বুথ নিয়ে তৈরি হয় শক্তিকেন্দ্র। এরপর কয়েকটি শক্তিকেন্দ্র নিয়ে তৈরি হয় মণ্ডল কমিটি। অভিযোগ শক্তি কেন্দ্রগুলিতে নিরপেক্ষভাবে বুথ কমিটি গঠন হলেও তা মানতে চাইছেন না বিজেপির নেতা-কর্মীরা। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, ২৫ জানুয়ারি বুথ কমিটি গঠনের জন্য শালবনী বিধানসভার তিলাবনী ২৬৭ নম্বর বুথে সভা হয়। সেই সভায় এসকেপি ( শক্তিকেন্দ্র প্রমুখ) এসকেআরও (শক্তিকেন্দ্র রিটার্নিং অফিসার) উপস্থিত ছিলেন। সভার মাধ্যমে কমিটিতে ১২ জন সদস্যকে বেছে নেওয়া হয়। এই বুথ কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন সাগেন হেমব্রম। এরপরেই বুথ কমিটি নিয়ে বিরোধিতা শুরু করেন বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মী। এতেই ক্ষুব্ধ বুথ কমিটির সদস্যরাও।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বেশ ভালো ফল করেছিল বিজেপি। মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম লোকসভা আসনও গিয়েছিল গেরুয়া শিবিরের দখলে। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি গেরুয়া শিবির। পরে পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির ফলাফল ভালো হয়নি। তার অন্যতম কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা। একইসঙ্গে গোষ্ঠীকোন্দল চরমে ওঠায় বিপাকে পড়ে বিজেপি নেতৃত্ব। তাই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বুথস্তরে সংগঠন বৃদ্ধি করে ঝাঁপাতে চাইছে বিজেপি। তবে তার মধ্যে এই ঘটনা সামনে আসায় বেশ অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির।
এক কমিটির সদস্য বলেন, উচ্চ নেতৃত্বকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সবক্ষেত্রেই পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে। এভাবে সংগঠন বাড়বে কীভাবে। আসলে সংগঠন বৃদ্ধির বিষয়ে কারও নজর নেই। ক্ষমতায় আসার আগেই বিভিন্ন এলাকার গোষ্ঠী কোন্দল চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই প্রতিটি নির্বাচনে দলের ফলাফল খারাপ হচ্ছে।
এদিন জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার কিছুই নেই। তাই বিজেপি নেতারা গোষ্ঠী কোন্দল নিয়েই থাকেন।
বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, নিরপেক্ষ বুথ কমিটি গঠনের কথা মাথায় রেখেই বিজেপি দলের তরফে শক্তিকেন্দ্র রিটার্নিং অফিসার নিয়োগ করা হয়। কয়েকটি বুথ নিয়ে তৈরি হয় শক্তিকেন্দ্র। এরপর কয়েকটি শক্তিকেন্দ্র নিয়ে তৈরি হয় মণ্ডল কমিটি। অভিযোগ শক্তি কেন্দ্রগুলিতে নিরপেক্ষভাবে বুথ কমিটি গঠন হলেও তা মানতে চাইছেন না বিজেপির নেতা-কর্মীরা। বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, ২৫ জানুয়ারি বুথ কমিটি গঠনের জন্য শালবনী বিধানসভার তিলাবনী ২৬৭ নম্বর বুথে সভা হয়। সেই সভায় এসকেপি ( শক্তিকেন্দ্র প্রমুখ) এসকেআরও (শক্তিকেন্দ্র রিটার্নিং অফিসার) উপস্থিত ছিলেন। সভার মাধ্যমে কমিটিতে ১২ জন সদস্যকে বেছে নেওয়া হয়। এই বুথ কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হন সাগেন হেমব্রম। এরপরেই বুথ কমিটি নিয়ে বিরোধিতা শুরু করেন বেশ কয়েকজন বিজেপি নেতা-কর্মী। এতেই ক্ষুব্ধ বুথ কমিটির সদস্যরাও।
প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে বেশ ভালো ফল করেছিল বিজেপি। মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম লোকসভা আসনও গিয়েছিল গেরুয়া শিবিরের দখলে। তবে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি গেরুয়া শিবির। পরে পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনেও বিজেপির ফলাফল ভালো হয়নি। তার অন্যতম কারণ সাংগঠনিক দুর্বলতা। একইসঙ্গে গোষ্ঠীকোন্দল চরমে ওঠায় বিপাকে পড়ে বিজেপি নেতৃত্ব। তাই ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বুথস্তরে সংগঠন বৃদ্ধি করে ঝাঁপাতে চাইছে বিজেপি। তবে তার মধ্যে এই ঘটনা সামনে আসায় বেশ অস্বস্তিতে গেরুয়া শিবির।
এক কমিটির সদস্য বলেন, উচ্চ নেতৃত্বকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। সবক্ষেত্রেই পক্ষপাতিত্ব করা হচ্ছে। এভাবে সংগঠন বাড়বে কীভাবে। আসলে সংগঠন বৃদ্ধির বিষয়ে কারও নজর নেই। ক্ষমতায় আসার আগেই বিভিন্ন এলাকার গোষ্ঠী কোন্দল চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। তাই প্রতিটি নির্বাচনে দলের ফলাফল খারাপ হচ্ছে।
এদিন জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুজয় হাজরা বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার কিছুই নেই। তাই বিজেপি নেতারা গোষ্ঠী কোন্দল নিয়েই থাকেন।



