নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: উৎসবের পরে খুলেছে স্কুল। এদিকে, দীর্ঘদিনের বৃষ্টিতে আগাছা জমেছে স্কুল চত্বরে। ছত্রাখান হয়ে রয়েছে কিচেন গার্ডেন। সুতরাং সাফাই প্রয়োজন। কিন্তু টাকা কোথায়? জঙ্গল সাফাই তো পরের কথা। শিক্ষাদানের আশু উপকরণ চক, ডাস্টার কেনার টাকাই বাড়ন্ত। কারণ, স্কুলের খরচ চালানোর জন্য সরকারের দেওয়া কম্পোজিট গ্রান্টের টাকাই ছাড়া হয়নি। বছর শেষ হতে চলল। অনেক কষ্টে টেনেটুনে চালানো গেলেও আর সম্ভব হচ্ছে না।
Advertisement
স্কুলগুলিকে রেকারিং খরচ চালানোর জন্য একটা থোক টাকা দেয় রাজ্য সরকার। ছাত্রসংখ্যার ভিত্তিতে সেই অঙ্ক ২৫ থেকে ৭৫ হাজার টাকা। তবে, কোনও স্কুলকেই সেই টাকা দেওয়া যায়নি। কারণ হিসেবে বিকাশ ভবনের এক কর্তা বলেন, কেন্দ্র নানা অছিলায় শিক্ষাখাতের টাকা আটকে রেখেছে। সমগ্র শিক্ষা অভিযান প্রকল্পেই আটকে রয়েছে প্রায় ১২০০ কোটি টাকা। ফলে এত বড় অঙ্কের টাকা এককভাবে রাজ্যের তহবিল থেকে সমস্ত স্কুলে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। আর কিছু স্কুলকে এই টাকা দিলেই তো হবে না। সেক্ষেত্রে উঠবে বঞ্চনার অভিযোগ। তাই সব স্কুলের টাকাই আটকে রাখতে হচ্ছে।
বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক এবং সাধারণ শিক্ষক সংগঠন কয়েক মাস ধরেই এ নিয়ে সরব হয়েছে। অতি সম্প্রতি বিকাশ ভবনেও গিয়েছে আবেদনের চিঠি। তাঁদের বক্তব্য, আর টানা সম্ভব হচ্ছে না। জঙ্গল সাফাই না করলে রয়েছে সাপখোপের ভয়। টেবিল, বেঞ্চি সংস্কারের ব্যাপারও রয়েছে। এছাড়া, দৈনন্দিন যে স্টেশনারি খরচ, সেটাও এখন অনেক বেড়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের প্রিন্ট আউট, প্রশ্নপত্র ছাপানো প্রভৃতির জন্যও এখন খরচ বেড়েছে। তাই অন্যান্য দপ্তরের বাড়তি খরচ কমিয়ে সরকার এই খাতের টাকা দিক, এমন দাবিতে সরব হচ্ছেন শিক্ষকরা। কেন্দ্রের কাছে টাকার দরবারের জন্যও রাজ্য সরকারকে আর্জি জানাচ্ছেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্কুল তৈরির ‘পিএমশ্রী’ নামে একটি প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য সরকার মউ স্বাক্ষরে সম্মত না হওয়ায় সমগ্র শিক্ষা মিশনের টাকা আটকে রেখেছে নয়াদিল্লি। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মিড ডে মিল প্রকল্পও। এই শর্তকে অমানবিক, অনৈতিক এবং নীতিবিরুদ্ধ হিসেবে আগেই সমালোচনা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
বিভিন্ন স্কুলের প্রধান শিক্ষক, প্রধান শিক্ষক এবং সাধারণ শিক্ষক সংগঠন কয়েক মাস ধরেই এ নিয়ে সরব হয়েছে। অতি সম্প্রতি বিকাশ ভবনেও গিয়েছে আবেদনের চিঠি। তাঁদের বক্তব্য, আর টানা সম্ভব হচ্ছে না। জঙ্গল সাফাই না করলে রয়েছে সাপখোপের ভয়। টেবিল, বেঞ্চি সংস্কারের ব্যাপারও রয়েছে। এছাড়া, দৈনন্দিন যে স্টেশনারি খরচ, সেটাও এখন অনেক বেড়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের প্রিন্ট আউট, প্রশ্নপত্র ছাপানো প্রভৃতির জন্যও এখন খরচ বেড়েছে। তাই অন্যান্য দপ্তরের বাড়তি খরচ কমিয়ে সরকার এই খাতের টাকা দিক, এমন দাবিতে সরব হচ্ছেন শিক্ষকরা। কেন্দ্রের কাছে টাকার দরবারের জন্যও রাজ্য সরকারকে আর্জি জানাচ্ছেন তাঁরা।
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় স্কুল তৈরির ‘পিএমশ্রী’ নামে একটি প্রকল্পের জন্য কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্য সরকার মউ স্বাক্ষরে সম্মত না হওয়ায় সমগ্র শিক্ষা মিশনের টাকা আটকে রেখেছে নয়াদিল্লি। ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মিড ডে মিল প্রকল্পও। এই শর্তকে অমানবিক, অনৈতিক এবং নীতিবিরুদ্ধ হিসেবে আগেই সমালোচনা করেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।



