ঝাঁসি ও লখনউ: করিডরের মেঝেতে পড়ে রয়েছেন এক মাঝ বয়সি মহিলা। শোকে মুহ্যমান। মাথার কাছে পরিবারেরই এক সদস্য। মাথায় হাত বুলিয়ে সান্ত্বনা দেওয়া ‘ব্যর্থ’ চেষ্টা করে চলেছেন। কারণ যতবারই ওই মহিলার সন্তান-শোক কাটানোর চেষ্টা করছেন, ততবারই তিনি অস্ফুটে বলে উঠছেন, ‘মেরা বাচ্চা জ্বল গয়া’। গোয়ালিয়রের বাসিন্দা হলেও উত্তরপ্রদেশের ঝাঁসিতে থাকছিলেন ভাগবতী নামে ওই মহিলা। শনিবারের আগুন কেড়ে নিয়েছে সন্তানকে। সদ্যোজাতদের বিভাগে আগুন আরও ১০ দম্পতির কোল খালি করে দিয়েছে। তাঁদের কান্নাই যেন অনুরণিত হচ্ছে হাসপাতাল চত্বরজুড়ে। ১০ সদ্যোজাত ঝলসে যাওয়ার পর প্রশ্ন উঠেছে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও। যদিও সেই অভিযোগ মানতে চাননি রাজ্যের উপ মুখ্যমন্ত্রী তথা স্বাস্থ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক। হাসপাতালকে লেটার মার্কস দিয়েছেন তিনি। এর মধ্যেই এক নার্সের বিরুদ্ধেও গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার দিন ওই বিভাগেই ছিলেন ভগবান দাস নামে ব্যক্তি। তাঁর সন্তান চিকিৎসাধীন ছিল নিকুতে। ভগবানের দাবি, দুর্ঘটনার কয়েক সেকেন্ড আগে দেশলাই কাঠি জ্বালিয়ে অক্সিজেন সিলিন্ডারের পাইপ জোড়া লাগানোর চেষ্টা করছিলেন একজন নার্স। নিকুতে অক্সিজেনের মাত্রা বেশি ছিল। মুহূর্তে মধ্যে সেখানে আগুন ধরে যায়।



