বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়, বজবজ: রাজ্যে নগরায়নের বিস্তারের সঙ্গে সঙ্গে শহর ঘেঁষা গ্রামীণ এলাকার রাস্তাতেও ভারী পণ্যবাহী যান চলাচলের চাপ অনেক বেড়েছে। কিন্তু শহরের রাস্তার মতো পঞ্চায়েত এলাকার সেই সব রাস্তা ভারী যান চলাচলের ধকল নিতে পারছে না। এক থেকে দেড় বছরের মধ্যেই সেগুলি খারাপ হয়ে যাচ্ছে। এ নিয়ে এলাকার নাগরিকদের সমালোচনার মুখে পড়তে হচ্ছে প্রশাসনকে। নাগরিকদের ধারণা, ঠিকাদার ও ইঞ্জিনিয়াদের যোগসাজশে নিম্নমানের উপাদান দিয়ে রাস্তা তৈরি হচ্ছে। সেজন্যই এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। সমাজমাধ্যমেও তা রীতিমতো খোরাক হচেছ।
Advertisement
কলকাতা ঘেঁষা ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকে আশুতি-১ এবং আশুতি-২ পঞ্চায়েতের দু’টি রাস্তা, ময়নাগড় রোড এবং আশুতি মেন রোড দিয়ে হাঁটলেই বিষয়টি টের পাওয়া যাবে। সোনারপুর পঞ্চায়েত সমিতির খেয়াদহ-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ব্যানার্জিখোল থেকে জগাদিপোতা হয়ে বাইপাস ঘেঁষা মুকুন্দপুর এবং নেতাজি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ থেকে খুদেরাবাদ হয়ে উচ্ছেপোতা যাওয়ার গ্রামীণ রাস্তা দু’টিরও একই দশা। ঠাকুরপুকুর মহেশতলা পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি বিপ্লব মণ্ডল বলেন, রাস্তা দ্রুত খারাপ হয়ে যাচ্ছে বলে আমাদের প্রতিনিয়ত গালাগাল শুনতে হচ্ছে। একই কথা বলেছেন খেয়াদহ ২-এর পঞ্চায়েত সদস্য নরেন অধিকারী।
এদিকে, রাজ্যের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অধিকাংশ রাস্তা তৈরির দায়িত্ব এখন ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট রুরাল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (ডব্লু বিএসআরডিএ) হাতে। গ্রামীণ এলাকার রাস্তা দ্রুত ভেঙে যাওয়া সম্পর্কে ওই সংস্থার এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন শহর ঘেঁষা এলাকা থেকে এই রাস্তা ভেঙে যাওয়ার ব্যাপারে বিস্তর অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। তাতে কতকগুলি বিষয় উঠে এসেছে। প্রথম হল, রাস্তা কতটা পাকাপোক্ত হবে, তা দু’টি বিষয় যাচাই করে ঠিক করা হয় এবং সেই অনুসারে নকশাও তৈরি করা হয়। এজন্য সরকারি নির্দেশিকাও বেধে দেওয়া রয়েছে। শহরের রাস্তাতে প্রচুর হালকা ও ভারী গাড়ি চলাচল করে। শুধু তাই নয়, পণ্যবাহী গাড়িতে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ মাল বহন করার কথা। কিন্তু বাস্তবে তার চেয়ে বেশি পণ্য বহন করা হয়। এগুলি ধরে নিয়েই শহরের রাস্তার নকশা করা হয়। শুধু তাই নয়, রাস্তা খারাপ হওয়ার পিছনে গাড়ির অত্যধিক গতিও একটি কারণ। এজন্য সব রাস্তায় গাড়ির গতি বেঁধে দেওয়া হয়। তবে শহরাঞ্চলে রাস্তা তৈরির সময়ে সেই অনুসারে উপাদানও দেওয়া হয়। এজন্য শহর এলাকায় রাস্তার বাজেট বরাদ্দও হয় বেশি। কিন্তু সরকারি নিয়ম অনুসারে শহর ঘেঁষা হলেও পঞ্চায়েত এলাকার রাস্তার নকশা গ্রামীণ এলাকার নির্দেশিকা মেনেই তৈরি করা হয়। এমন জায়গায় ভারী গাড়ি গেলেও তা নকশা তৈরির সময়ে তা দেখা হয় না। কারণ সেই অনুসারে রাস্তার বাজেট বেশি হলে তা অনুমোদন পাবে না। স্বাভাবিকভাবে শহর ঘেঁষা গ্রামীণ এলাকার রাস্তা পণ্যবাহী গাড়ির ধকল নিতে পারে না। এজন্যই সেগুলি ভেঙেও যাচেছ দ্রুত। তবে চিন্তাভাবনা চলছে যাতে শহর ঘেঁষা গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির রাস্তা শহরের মতো করেই তৈরি করা যায়। এজন্য সেই সব রাস্তার একটি তালিকা দায়িত্বপ্রাপ্ত বাস্তুকারদের কাছে চেয়ে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, রাজ্যের সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অধিকাংশ রাস্তা তৈরির দায়িত্ব এখন ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট রুরাল ডেভেলপমেন্ট অথরিটির (ডব্লু বিএসআরডিএ) হাতে। গ্রামীণ এলাকার রাস্তা দ্রুত ভেঙে যাওয়া সম্পর্কে ওই সংস্থার এক শীর্ষ আধিকারিক বলেন, রাজ্যের বিভিন্ন শহর ঘেঁষা এলাকা থেকে এই রাস্তা ভেঙে যাওয়ার ব্যাপারে বিস্তর অভিযোগ এসেছে। বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। তাতে কতকগুলি বিষয় উঠে এসেছে। প্রথম হল, রাস্তা কতটা পাকাপোক্ত হবে, তা দু’টি বিষয় যাচাই করে ঠিক করা হয় এবং সেই অনুসারে নকশাও তৈরি করা হয়। এজন্য সরকারি নির্দেশিকাও বেধে দেওয়া রয়েছে। শহরের রাস্তাতে প্রচুর হালকা ও ভারী গাড়ি চলাচল করে। শুধু তাই নয়, পণ্যবাহী গাড়িতে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ মাল বহন করার কথা। কিন্তু বাস্তবে তার চেয়ে বেশি পণ্য বহন করা হয়। এগুলি ধরে নিয়েই শহরের রাস্তার নকশা করা হয়। শুধু তাই নয়, রাস্তা খারাপ হওয়ার পিছনে গাড়ির অত্যধিক গতিও একটি কারণ। এজন্য সব রাস্তায় গাড়ির গতি বেঁধে দেওয়া হয়। তবে শহরাঞ্চলে রাস্তা তৈরির সময়ে সেই অনুসারে উপাদানও দেওয়া হয়। এজন্য শহর এলাকায় রাস্তার বাজেট বরাদ্দও হয় বেশি। কিন্তু সরকারি নিয়ম অনুসারে শহর ঘেঁষা হলেও পঞ্চায়েত এলাকার রাস্তার নকশা গ্রামীণ এলাকার নির্দেশিকা মেনেই তৈরি করা হয়। এমন জায়গায় ভারী গাড়ি গেলেও তা নকশা তৈরির সময়ে তা দেখা হয় না। কারণ সেই অনুসারে রাস্তার বাজেট বেশি হলে তা অনুমোদন পাবে না। স্বাভাবিকভাবে শহর ঘেঁষা গ্রামীণ এলাকার রাস্তা পণ্যবাহী গাড়ির ধকল নিতে পারে না। এজন্যই সেগুলি ভেঙেও যাচেছ দ্রুত। তবে চিন্তাভাবনা চলছে যাতে শহর ঘেঁষা গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির রাস্তা শহরের মতো করেই তৈরি করা যায়। এজন্য সেই সব রাস্তার একটি তালিকা দায়িত্বপ্রাপ্ত বাস্তুকারদের কাছে চেয়ে পাঠানো হয়েছে।



