নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দু’বছর আগে ভারতে অনুপ্রবেশ। তারপর শহরে পাকাপাকিভাবে চাকরি। বেআইনিভাবে ভারতে প্রবেশ করে ১৫ জন বাংলাদেশিকে শহরে শেল্টার দিয়েছিল মারকুইস স্ট্রিটের হোটেল থেকে ধৃত সেলিম মাতব্বর। তাকে গ্রেপ্তারের পর শহরের নিরাপত্তা নিয়ে আরও তৎপর হয়েছে লালবাজার। শহরের সমস্ত ছোট-বড় হোটেলে তল্লাশি অভিযানের নির্দেশ দিয়েছেন পুলিস কমিশনার মনোজকুমার ভার্মা। সোমবার সমস্ত থানাকে এই নির্দেশ পাঠিয়েছেন তিনি।
Advertisement
লালবাজার সূত্রের খবর, যে সমস্ত হোটেলে বিদেশি রয়েছেন, তাঁদের পাসপোর্ট যাচাই করে দেখতে হবে। সেগুলির মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গিয়েছে কি না, তাও যাচাই করতে হবে। বিদেশিদের পাসপোর্ট সন্দেহজনক মনে হলে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করতে হবে। হোটেলে থাকা অন্যান্য আবাসিকের নথিপত্র যাচাই করতে হবে। প্রতিদিন নিয়ম করে এই কাজ করবেন থানার আধিকারিকরা। নিজ নিজ এলাকার হোটেলগুলিতে অভিযান চালাবেন তাঁরা। কোথাও কোনও সন্দেহ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে কন্ট্রোল রুমে তা জানাতে বলা হয়েছে।
লালবাজারের এক সূত্র জানিয়েছে, হোটেলে নাকা তল্লাশির পাশাপাশি শহরের সব প্রান্তিক থানায় বাড়তি নাকা চেকিংয়ের নির্দেশ দিয়েছেন সিপি। কোথাও কোনও নির্দিষ্ট জায়গায় না দাঁড়িয়ে সারপ্রাইজড নাকা তল্লাশি চালাবে পুলিস। গাড়ি ও বাইকের ক্ষেত্রে নথি খতিয়ে দেখবেন অফিসাররা। বেআইনি গাড়ি হলে তা বাজেয়াপ্ত করবে পুলিস। প্রতি বছর বড়দিনের সপ্তাহে শহরে নাকা তল্লাশি ও হোটেলে অভিযান চালায় লালবাজার। কিন্তু, এবার ডিসেম্বরের শুরু থেকেই তল্লাশি ও অভিযানে জোর দিতে বাহিনীকে কঠোর অনুশাসনে বাঁধলেন পুলিস কমিশনার।
লালবাজারের এক সূত্র জানিয়েছে, হোটেলে নাকা তল্লাশির পাশাপাশি শহরের সব প্রান্তিক থানায় বাড়তি নাকা চেকিংয়ের নির্দেশ দিয়েছেন সিপি। কোথাও কোনও নির্দিষ্ট জায়গায় না দাঁড়িয়ে সারপ্রাইজড নাকা তল্লাশি চালাবে পুলিস। গাড়ি ও বাইকের ক্ষেত্রে নথি খতিয়ে দেখবেন অফিসাররা। বেআইনি গাড়ি হলে তা বাজেয়াপ্ত করবে পুলিস। প্রতি বছর বড়দিনের সপ্তাহে শহরে নাকা তল্লাশি ও হোটেলে অভিযান চালায় লালবাজার। কিন্তু, এবার ডিসেম্বরের শুরু থেকেই তল্লাশি ও অভিযানে জোর দিতে বাহিনীকে কঠোর অনুশাসনে বাঁধলেন পুলিস কমিশনার।



