নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: রাস্তার ধারে যত্রতত্র পড়ে থাকছে আবর্জনা। সাফাইয়ের কাজ করেও এলাকা পরিষ্কার রাখতে এই শীতেও কর্তৃপক্ষের কালঘাম ছুটছে। সেক্ষেত্রে এবার সিউড়ি পুরসভা কঠোর পদক্ষেপ করতে চলেছে। ঠিক হয়েছে, রাস্তা কিংবা ড্রেনে নোংরা ফেলার অভিযোগ উঠলে কাউকে রেয়াত করা হবে না। পুর এলাকা নোংরা করার অভিযোগে কর্তৃপক্ষএবার জরিমানারপথে হাঁটবে। সেক্ষেত্রে জরিমানার সর্বোচ্চ অঙ্ক পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। পুরকর্তাদের আশা, জরিমানার ভয়ে এবার থেকে রাস্তা ও ড্রেনে আবর্জনা ফেলা বন্ধ হবে। তবে, সিউড়ি শহরের চিত্রটা আদৌ বদলায় কি না, তা অবশ্য সময় বলবে।
Advertisement
সিউড়ি পুরসভা এলাকায় ২১টি ওয়ার্ড রয়েছে। প্রতিটি ওয়ার্ড পরিষ্কার রাখতে পুর কর্মীরা নিয়মিত সাফাই কাজ চালিয়ে যান। নিয়ম করে বাড়ি সহ দোকান থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করেন। এছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় রাস্তার ধারে স্তূপাকারে থাকা আবর্জনা সরিয়ে ফেলা হয়।ড্রেনও পরিষ্কার করা হয়।এরপরও অবশ্য একাধিক ওয়ার্ডের বিভিন্ন এলাকায় আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেইসঙ্গে ড্রেনেও আবর্জনা ফেলার অভিযোগ উঠছে। স্থানীয় বাসিন্দা সহ ব্যবসায়ীদের তরফে দিনের বিভিন্ন সময় সেসব ফেলার অভিযোগ রয়েছে। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই রাস্তা ও ড্রেনে নোংরা ফেলার অভিযোগে
একাধিক ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তাঁদের সতর্ক করেপুরসভার তরফে চিঠিও পাঠানো হয়েছিল। সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, ড্রেনে ও রাস্তায় আবর্জনা ফেললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিঠির সেই বার্তা যে কথার কথা নয়, পুর কর্তৃপক্ষ এবার তা স্পষ্ট করল।
বাড়ি কিংবা কোনও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের তরফে পুর এলাকা নোংরা করা হলেই কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বলচট্টোপাধ্যায়বলেন, আগামীতে ড্রেন ও রাস্তায় আবর্জনা ফেললেই জরিমানা করা হবে। এছাড়াও পুর কর্মীদের তরফে সাফাই কাজ শেষ করার পরও আবর্জনা ফেলা হলেও একই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তারপরও যদি পরিস্থিতির কোনও বদল না হয়, তবে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।
উল্লেখ্য, আগামী অর্থবর্ষের শুরু থেকে জঞ্জাল সাফাইয়ের জন্য পুরসভা সার্ভিস চার্জ আদায় করবে। গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশেইতা চালু হতে চলেছে।
একাধিক ব্যবসায়ীকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তাঁদের সতর্ক করেপুরসভার তরফে চিঠিও পাঠানো হয়েছিল। সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, ড্রেনে ও রাস্তায় আবর্জনা ফেললে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। চিঠির সেই বার্তা যে কথার কথা নয়, পুর কর্তৃপক্ষ এবার তা স্পষ্ট করল।
বাড়ি কিংবা কোনও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের তরফে পুর এলাকা নোংরা করা হলেই কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। পুরসভার চেয়ারম্যান উজ্জ্বলচট্টোপাধ্যায়বলেন, আগামীতে ড্রেন ও রাস্তায় আবর্জনা ফেললেই জরিমানা করা হবে। এছাড়াও পুর কর্মীদের তরফে সাফাই কাজ শেষ করার পরও আবর্জনা ফেলা হলেও একই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তারপরও যদি পরিস্থিতির কোনও বদল না হয়, তবে আইনি পদক্ষেপ করা হবে।
উল্লেখ্য, আগামী অর্থবর্ষের শুরু থেকে জঞ্জাল সাফাইয়ের জন্য পুরসভা সার্ভিস চার্জ আদায় করবে। গ্রিন ট্রাইব্যুনালের নির্দেশেইতা চালু হতে চলেছে।



