নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: কলকাতা পুরসভার সাম্প্রতিক ডিজিটাল সমীক্ষা শেষে নথিভুক্ত হকারদের এবার ভেন্ডিং সার্টিফিকেট বা হকার শংসাপত্র দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর, স্টল বা ডালা বসানোর জায়গা নিয়ে যাঁদের সমস্যা নেই, তাঁদেরই এই শংসাপত্র দেওয়া হবে। এই সংখ্যা কমবেশি ৪০ হাজার। চলতি মাসের শেষদিকে বসতে চলেছে টাউন ভেন্ডিং কমিটির (টিভিসি) বৈঠক। সেখানে এই প্রস্তাব পাশ হওয়ার কথা। তারপর এই শংসাপত্র বিলি করা হবে। তবে, বিলি বণ্টনের আগে সেই হকার ওই জায়গায় ব্যবসা করেন কি না, তা ফের একবার যাচাই করা হবে। পুর কর্তৃপক্ষের মত, শংসাপত্র হাতে পেলে বিভিন্ন দিক থেকে হকাররা লাভবান হবেন। তবে, সমীক্ষায় যে ১৪ হাজারের কিছু বেশি হকারের বসার জায়গা নিয়ে সমস্যা রয়েছে, তাঁদের বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
Advertisement
পুজোর আগে শহরের হকারদের নিয়ে সমীক্ষা করেছিল পুরসভা। সেখানে ৫৪ হাজার ১৭৮ জন হকারের নাম নথিভুক্ত করা হয়। সমীক্ষায় কোন হকার কোন এলাকার ফুটপাতের কোথায় কতটা জায়গা নিয়ে বসে আছেন, তার লোকেশন জিপিএস ট্যাগিং করা হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁদের আধার ও প্যান কার্ডের কপি নেওয়া হয়েছে। পুরসভা সূত্রে খবর, হকারদের একাংশের জায়গা বা নথি নিয়ে কিছু সমস্যা রয়েছে। এই সংখ্যা ১৪ হাজারের কিছু বেশি। বাকি ৪০ হাজার হকারকে শংসাপত্র দিতে অসুবিধা নেই। চলতি মাসের শেষের দিকে টাউন ভেন্ডিং কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাবে সিলমোহর দেওয়া হতে পারে। এ প্রসঙ্গে পুরসভার হকার পুনর্বাসন সংক্রান্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমার বলেন, টাউন ভেন্ডিং কমিটিতে আলোচনার পর হকারদের দ্রুত শংসাপত্র দেওয়া হবে।
তবে বাকি ১৪ হাজার হকারের ভবিষ্যৎ কী হবে? তাঁরা কি আদৌ ওই শংসাপত্র পাবেন? এ ব্যাপারে পুরসভা এখনও কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হয়নি। এ ব্যাপারে এক পুরকর্তা বলেন, যাঁরা ফুটপাতে বসে ব্যবসা করেন, আমরা শুধু সেই হকারদেরই সমীক্ষার আওতায় এনেছি। দেখা গিয়েছে, ফুটপাতের নির্দিষ্ট জায়গায় স্টল গড়ে ব্যবসা করছেন কমবেশি ৪০ হাজার হকার। তাঁদের নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। বাকি ১৪ হাজার নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এই অংশের হকারদের কারও একাধিক ডালা রয়েছে, কেউ রাস্তার দিকে মুখ করে ব্যবসা করছেন, কেউ ফুটপাতের দু’দিকে স্টল করেছেন, কেউ আবার বিভিন্ন মোড়ে বা ক্রসিংয়ের ফুটপাতে নির্দিষ্ট জায়গা না ছেড়ে ব্যবসা করছেন। আপাতত তাঁদের শংসাপত্র দেওয়া হবে না। তাঁদের ভবিষ্যৎ ঠিক হবে টাউন ভেন্ডিং কমিটিতে।
তবে বাকি ১৪ হাজার হকারের ভবিষ্যৎ কী হবে? তাঁরা কি আদৌ ওই শংসাপত্র পাবেন? এ ব্যাপারে পুরসভা এখনও কোনও সিদ্ধান্তে উপনীত হয়নি। এ ব্যাপারে এক পুরকর্তা বলেন, যাঁরা ফুটপাতে বসে ব্যবসা করেন, আমরা শুধু সেই হকারদেরই সমীক্ষার আওতায় এনেছি। দেখা গিয়েছে, ফুটপাতের নির্দিষ্ট জায়গায় স্টল গড়ে ব্যবসা করছেন কমবেশি ৪০ হাজার হকার। তাঁদের নিয়ে কোনও সমস্যা নেই। বাকি ১৪ হাজার নিয়ে জটিলতা রয়েছে। এই অংশের হকারদের কারও একাধিক ডালা রয়েছে, কেউ রাস্তার দিকে মুখ করে ব্যবসা করছেন, কেউ ফুটপাতের দু’দিকে স্টল করেছেন, কেউ আবার বিভিন্ন মোড়ে বা ক্রসিংয়ের ফুটপাতে নির্দিষ্ট জায়গা না ছেড়ে ব্যবসা করছেন। আপাতত তাঁদের শংসাপত্র দেওয়া হবে না। তাঁদের ভবিষ্যৎ ঠিক হবে টাউন ভেন্ডিং কমিটিতে।



