লখনউ, ২৯ নভেম্বর: উত্তরপ্রদেশের সম্ভলে শাহি জামা মসজিদে সমীক্ষা সংক্রান্ত আর কোনও নির্দেশ দিতে পারবে না নিম্ন আদালত। আজ, শুক্রবার এমনই নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। গত রবিবার সম্ভলের এই মসজিদের সমীক্ষাকে কেন্দ্র করেই পরিস্থিতি রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে। পুলিসের সঙ্গে জনতার খণ্ডযুদ্ধ লেগে যায়। যার ফলে মৃত্যু হয় চারজনের। গোটা ঘটনার তদন্তে ইতিমধ্যেই একটি তিন সদস্যের কমিটি তৈরি করেছেন উত্তরপ্রদেশের রাজ্যপাল।
Advertisement
সম্ভল জেলার নিম্ন আদালতে এক আইনজীবী ওই মসজিদে সমীক্ষার জন্য আর্জি জানায়। তাঁর দাবি, ওই মসজিদের জায়গায় আগে হরিহর মন্দির ছিল। মুঘল যুগে বাবর সেই মন্দির ভেঙে মসজিদ নির্মাণ করেন। তাই শাহি জামা মসজিদে সমীক্ষার আর্জি জানিয়ে আদালতে এই আবেদন করা হয়। তাঁর আবেদনে সাড়া দিয়ে শাহি জামা মসজিদে সমীক্ষার নির্দেশ দেয় নিম্ন আদালত। গত শনিবার ওই মসজিদে প্রথম পর্যায়ে সমীক্ষাও হয়। কিন্তু গোল বাধে সমীক্ষার দ্বিতীয় দিন, অর্থাৎ রবিবার। পুলিস ও সমীক্ষকরা মসজিদ চত্বরে যেতেই ইট ছুড়তে শুরু করে ক্ষুব্ধ জনতা। পুলিসও পাল্টা লাঠিচার্জ করে ও টিয়ার গ্যাসের সেল ফাটায়। ঘটনায় চারজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। এরপরই নিম্ন আদালতের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় মসজিদ কর্তৃপক্ষ। যার শুনানিতে আজ, শুক্রবার বিশেষ মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট।
এদিন শীর্ষ আদালত জানায়, ‘শান্তি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সমীক্ষা নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। আমরা চাই না কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটুক। সেই জন্যই যাবতীয় অশান্তি এড়ানোর চেষ্টা করতে হবে।’ আগামী বছরের অর্থাৎ ২০২৫-এর ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ওই মসজিদে সমীক্ষার কোনও কাজ হবে না বলে নির্দেশও দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। সেই সময়সীমার মধ্যেই এলাহাবাদ হাইকোর্টে মসজিদ কমিটিকে সমীক্ষা সংক্রান্ত নতুন আবেদন জানাতে হবে। তারপরে এলাহাবাদ হাইকোর্টই সমীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দেশ দেবে। শীর্ষ আদালত এদিন এও বলে, এখনও পর্যন্ত যা সমীক্ষা করা হয়েছে, তার রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে আদালতে জমা দিতে হবে।
এদিন শীর্ষ আদালত জানায়, ‘শান্তি এবং সম্প্রীতি বজায় রাখাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই সমীক্ষা নিয়ে এখনই কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে না। আমরা চাই না কোনও অনভিপ্রেত ঘটনা ঘটুক। সেই জন্যই যাবতীয় অশান্তি এড়ানোর চেষ্টা করতে হবে।’ আগামী বছরের অর্থাৎ ২০২৫-এর ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ওই মসজিদে সমীক্ষার কোনও কাজ হবে না বলে নির্দেশও দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। সেই সময়সীমার মধ্যেই এলাহাবাদ হাইকোর্টে মসজিদ কমিটিকে সমীক্ষা সংক্রান্ত নতুন আবেদন জানাতে হবে। তারপরে এলাহাবাদ হাইকোর্টই সমীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে নির্দেশ দেবে। শীর্ষ আদালত এদিন এও বলে, এখনও পর্যন্ত যা সমীক্ষা করা হয়েছে, তার রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে আদালতে জমা দিতে হবে।



