Bartaman Logo
৩১ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

ক্যানিং পূর্ব রক্ষার পাশাপাশি ভাঙড় পুনরুদ্ধারে চষে বেড়াচ্ছেন শওকত

নিজের গড় ক্যানিং পূর্ব রক্ষা করা থেকে ভাঙড় বিধানসভা পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব যেন তাঁরই কাঁধে।

ক্যানিং পূর্ব রক্ষার পাশাপাশি ভাঙড় পুনরুদ্ধারে চষে বেড়াচ্ছেন শওকত
  • ২৭ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: নিজের গড় ক্যানিং পূর্ব রক্ষা করা থেকে ভাঙড় বিধানসভা পুনরুদ্ধারের দায়িত্ব যেন তাঁরই কাঁধে। তাই ভাঙড়ে প্রচার সেরে ক্যানিং পূর্বে তৃণমূল প্রার্থীকে নিয়ে প্রচারে ছুটছেন শওকত মোল্লা। স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, দুই কেন্দ্রেই ‘প্রেস্টিজ ফাইট’ শওকতের কাছে। যদিও জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী তিনি। দু’টি কেন্দ্রেই তৃণমূল জয় পাবে বলে আত্মবিশ্বাসী শওকত। উলটে ক্যানিং পূর্বে আরাবুলের জামানত জব্দ হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি। তৃণমূল প্রার্থীর দাবি, ভাঙড়ে এবার আইএসএফকে যোগ্য জবাব দেবে মানুষ। পালটা আইএসএফ নেতা তথা ক্যানিং পূর্বের প্রার্থী আরাবুল কটাক্ষ করে বলেছেন, শওকতের এখন বড়ো চাপ। দুই জায়গাতেই হারবে তৃণমূল। তাই তিনি ভুলভাল কথা বলছেন।

Advertisement

আরাবুল তৃণমূল ত্যাগ করতেই ভাঙড়ের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে গিয়েছে। এখানকার পর্যবেক্ষক শওকত মোল্লার সঙ্গে তাঁর লড়াই এখন ভোটের ময়দানে। আইএসএফে যোগদান করেই ক্যানিং পূর্বের প্রার্থী হয়েছেন আরাবুল। তৃণমূল অবশ্য ভাঙড়ের নেতা বাহারুল ইসলামকে দাঁড় করিয়েছে ক্যানিং পূর্বে। এই বিধানসভা নিজের গড় হিসাবেই মনে করেন শওকত। তবে আরাবুল প্রার্থী হওয়ায় লড়াইটা সেয়ানে সেয়ানে হবে, সেকথা মানছেন সাধারণ মানুষের একাংশ। তাই প্রার্থীকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার থেকে শুরু করে জনসংযোগ, সবই নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন এই কেন্দ্রের বিদায়ী বিধায়ক। প্রচারে ভালো সাড়া মিলছে, দাবি করেছেন তিনি। সাধারণত একজন প্রার্থী তাঁর নিজের কেন্দ্র নিয়েই বেশি ব্যস্ত থাকেন, এটাই দস্তুর। কিন্তু ভাঙড় ও ক্যানিং পূর্বের রাজনৈতিক পরিস্থিতি যা, তাতে কোনো কিছুই যে হালকা ভাবে নেওয়া যাবে না, তা শওকতের শরীরী ভাষাতেই স্পষ্ট। আরাবুলের অভিযোগ, গত বিধানসভা নির্বাচনে ভাঙড় ১ নম্বর ব্লকের অন্তর্গত যেসব পঞ্চায়েত ক্যানিং পূর্বের মধ্যে পড়ে, তার বেশিরভাগ অংশেই পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। এই পরিসংখ্যান যে খুব একটা সুখকর নয়, তা জানে তৃণমূল নেতৃত্ব। তাছাড়া লোকসভায় যে বিরাট লিড ভাঙড়ে পেয়েছিল তৃণমূল, তার উপর ভিত্তি করেই এবার আত্মবিশ্বাসী ঘাসফুল শিবির। কিন্তু এই আসনে জোড়াফুল ফোটাতে হলে আইএসএফের বাধা টপকাতে হবে। তাই বিভিন্ন পঞ্চায়েতে এক প্রকার মাটি কামড়ে পড়ে রয়েছেন শওকত। কর্মিসভা, জনসংযোগ— সবই চলছে পুরোদমে। তারই মধ্যে আইএসএফ ছেড়ে তৃণমূলে যোগদানের হিড়িক লেগেই আছে। এতে আরও উজ্জীবিত তৃণমূল। শওকত বলেন, খুব ভালো করলে ভাঙড়ের ১১টি অঞ্চলে জিতব। আর খুব খারাপ হলে ৯টাতে জিতবই।  নিজস্ব চিত্র

সম্পর্কিত সংবাদ