Bartaman Logo
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভোট প্রচারে সাম্যের বার্তা শমীকের মুখে

‘বিজেপি সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘুর ভিত্তিতে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির পক্ষে নয়। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জনগণ সমান এবং সকলের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা প্রদান করা সরকারের কাজ।

ভোট প্রচারে সাম্যের বার্তা শমীকের মুখে
  • ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

অভিষেক পাল, বহরমপুর: ‘বিজেপি সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘুর ভিত্তিতে ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির পক্ষে নয়। পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত জনগণ সমান এবং সকলের সার্বিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা প্রদান করা সরকারের কাজ। মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী জয়ী হলে এক বছরের মধ্যেই রেজিনগরের আকাশে শিল্পের ধোঁয়া উড়বে। রেজিনগরের দৃশ্যপট সাবির্কভাবে পরিবর্তন হবে।’ বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকারের মনোনয়ন জমার কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে এমনই দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য। বুধবার দুপুরে বিজেপি প্রার্থীর মনোনয়নের সময় সভাপতি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ, বিধায়ক সুব্রত মৈত্র, দলের বহরমপুর জেলা সভাপতি মলয় মহাজন প্রমুখ। 

Advertisement

সংখ্যালঘু অধ্যুষিত রেজিনগর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়ে বিজেপি এবার প্রমাণ করতে মরিয়া দেশের সংখ্যালঘু মানুষদের মধ্যে গেরুয়া শিবিরের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ছে। বিজেপি প্রার্থীর বর্ণাঢ্য মনোনয়ন যাত্রাকে ঘিরে আজ গোটা বহরমপুর শহর সেজে উঠেছিল গেরুয়া পতাকা আর বেলুনে। 
মনোনয়ন জমা দিয়ে বেরিয়ে এসে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যে সিন্ডিকেট মুছে গিয়েছে। সারা পৃথিবী থেকে মানুষ এখানে শিল্প স্থাপনের জন্য রাজ্যে আসছে। ইতিমধ্যে রাশিয়া, ইউরোপের বিভিন্ন শিল্পপতি আগ্রহ দেখিয়েছেন। রেজিনগরের আকাশে যাতে শিল্পের ধোঁয়া দেখা যায় তার দায়িত্ব বিজেপির। এখানকার মানুষকে ঠিক করতে হবে, তাঁরা মন্দির-মসজিদের লড়াই করবেন, ৭০ শতাংশ ৩০ শতাংশের  রাজনীতি করবেন, নাকি তাঁদের ছেলেমেয়েদের ঘরে রাখবেন। রেজিনগরের থমকে যাওয়া শিল্প তালুকে নতুন শিল্পের ধোঁয়া না ওঠা পর্যন্ত এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন সম্ভব নয়। কেন্দ্র সরকারের অধীনে বিশ্বজুড়ে এবং দেশে অর্থনৈতিক অগ্রগতি হচ্ছে। যার সুফল স্থানীয় স্তরেও পৌঁছানো প্রয়োজন। রেজিনগরের মানুষ সেটা ভেবেই ভোট দেবেন।’ রাজ্যের বিরোধী দলগুলির পরিস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সভাপতি মন্তব্য করেন, ‘তৃণমূল রাজ্যে নির্মূল হয়ে গিয়েছে। বামফ্রন্ট পরীক্ষিত এবং পরিত্যক্ত। এখানে নিজেদের মধ্যে লড়াই করছে ঋত আর মৃতরা। আর সাইনবোর্ড হয়ে যাওয়া কংগ্রেসও প্রার্থী দিয়েছে। তবে, কোনও লাভ হবে না।’ 
রেজিনগরের দলীয় প্রার্থী শাখারভ সরকারের দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার কথা মনে করিয়ে দিয়ে তিনি দাবি করেন, ‘রেজিনগর উপনির্বাচনে আমাদের দলের যিনি প্রার্থী হয়েছেন তিনি হঠাৎ জামা বদল করা প্রার্থী নন। মুর্শিদাবাদ জেলাকে চেনেন, মানুষদের  চেনেন। মানুষ তাঁর ওপর আস্থা রাখলে এক বছরের মধ্যে রেজিনগরের মানুষ পরিবর্তন দেখতে পাবে।’  শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘কেন্দ্রে অথবা রাজ্যে আগামী ২০ বছরের মধ্যে পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই। আমি আগেও সংখ্যালঘু মানুষদের উদ্দেশ্যে বলেছি, আর কতদিন সংখ্যালঘু হয়ে বেঁচে থাকবেন? ভারতীয় জনজীবনের মূল স্রোতে আসুন।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ