Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৩০ মার্চ নতুন রাজ্য সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে শাহ

সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসেই নয়া বঙ্গ বিজেপি সভাপতির নাম ঘোষণা হবে। ৩০ মার্চ নয়া রাজ্য সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

৩০ মার্চ নতুন রাজ্য সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে শাহ
  • ১৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে চলতি মাসেই নয়া বঙ্গ বিজেপি সভাপতির নাম ঘোষণা হবে। ৩০ মার্চ নয়া রাজ্য সভাপতির সঙ্গে বৈঠকে বসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ১৪ মার্চ বিজেপির ২৫টি সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতির নাম ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। পার্টি সূত্রের খবর, আগামী ২০২৬ সালের বিধানসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে এই সাংগঠনিক রদবদলে পুরনো নেতা-কর্মীদের বাড়তি অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তাঁদের অনেকেই ২০২১ বিধানসভা ভোটের আগে পর্যন্ত তৎকালীন ক্ষমতাসীন গোষ্ঠীর ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে। এক্ষেত্রে নয়া রাজ্য সভাপতি চয়নে আদি তথা পুরনো মুখই বেছে নেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। অপর একটি সূত্রের দাবি, ২৫ জন পরিবর্তিত জেলা সভাপতির নাম চূড়ান্ত করার ক্ষেত্রে আরএসএসের মতামত গুরুত্ব পেয়েছে।

Advertisement

এই মুহূর্তে বঙ্গ বিজেপির মোট ৪৩টি সাংগঠনিক জেলা রয়েছে। স্বভাবতই ১৮টি জেলা সভাপতির নাম ঘোষণা বাকি। সেই লক্ষ্যে রবিবার সল্টলেক বিজেপি অফিসে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে বসেন বর্তমান সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দিল্লির তরফে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসাল, রাজ্যের পর্যবেক্ষক মঙ্গল পান্ডে, সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য সহ রাজ্যের সাধারণ সম্পাদকরা হাজির ছিলেন। ম্যারাথন বৈঠকে বাকি ১৮ জেলা সভাপতির নাম নিয়ে ঐক্যমত্যে পৌঁছনো গিয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই তার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হতে পারে। এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই কেন্দ্রীয় বিজেপির তরফে নয়া রাজ্য সভাপতির নাম ঘোষণা করা হবে। 
এদিকে, আগামী ২৯ মার্চ রাজ্যে আসছেন বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহ। ওইদিন রাতে তাঁর কলকাতায় আসার কথা। পরদিন অর্থাৎ ৩০ মার্চ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পার্টির নেতাদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক সারবেন। পরের বছর বিধানসভা ভোটের প্রস্তুতি হিসেবে এই বৈঠক নিয়ে ইতিমধ্যেই দলের অন্দরে বাড়তি চর্চা শুরু হয়েছে। নতুন রাজ্য সভাপতিকে পরবর্তী এক বছরের সাংগঠনিক নানা টার্গেট সেই বৈঠকেই অমিত শাহ বেঁধে দেবেন, এমনটাই মত পার্টির একাংশের। 
অন্যদিকে, ২৫ সভাপতির নাম ঘোষণার পর থেকেই জেলায় জেলায় বিক্ষোভ শুরু হয়ে গিয়েছে। স্বভাবতই বাকি জেলা সভাপতি কিংবা রাজ্য সভাপতির নাম ঘোষণার পর পরিস্থিতি বাগে রাখাই এখন চ্যালেঞ্জ মূল গেরুয়া পার্টির।      

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ