সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: সোমবার ভোররাত্রে সাগরদিঘির ১২ নম্বর জাতীয় সড়কে একটি লরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি বাড়িতে সোজা ঢুকে যায়। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। ঘরে কেউ না থাকায় বরাতজোড়ে বেঁচে গিয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। তবে মাটির তৈরি কাঁচা বাড়িটি সম্পূর্ণ ভেঙে পড়ে। ঘরের আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলে মালিকের দাবি। লরিচালক ঘুমিয়ে পড়ায় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে। লরি চালকের বুকে ও হাতে সামান্য আঘাত লেগেছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সাগরদিঘি থানার পুলিস। পুলিস এসে লরিটিকে সরিয়ে নিয়ে যায়। ক্ষতিপূরণ দাবি করেছেন বাড়ির মালিক।
Advertisement
এ প্রসঙ্গে সাগরদিঘি থানার পুলিস জানিয়েছে, একটি খালি লরি বীরভূম যাচ্ছিল। চালক ঘুমিয়ে পড়লে লরিটি একটি বাড়ির মধ্যে ঢুকে যায়। পরিবারের সদস্যরা পাশের বাড়িতে থাকায় সকলেই রক্ষা পেয়েছে। চালক সমান্য আঘাত পেয়েছে।
জানা গিয়েছে, এদিন গভীর রাতে মালদহ থেকে একটি ১৬ চাকার লরি বীরভূমের সাঁইথিয়া বালি আনতে যাচ্ছিল। ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ লরিটি আচমকাই মোরগ্রামের ভুরকুণ্ডা এলাকায় জাতীয় সড়কে পাশের বাড়িতে গিয়ে ঢুকে যায়। প্রচণ্ড আওয়াজ পেয়ে বাড়ির মালিক ও আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। বাড়ির সদস্যরা পাশেই অন্য একটি বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। বাড়িটি মাটির তৈরি হওয়ায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। ঘরের আসবাবপত্র সহ মজুত করে রাখা শস্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাড়ির মালিক আক্তার হোসেন বলেন, পাশের ঘরে থাকায় আমরা অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছি। বাড়িটি সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে, জমির শস্য রাখা ছিল। আসবাবপত্রও নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।
লরির চালক মহম্মদ জামাল বলেন, বালি লোড করতে বীরভূমে যাচ্ছিলাম। রাস্তায় ঘুম চলে আসায় গাড়ি একটি বাড়িতে গিয়ে ঢুকে যায়। আমার বুকে লেগেছে, হাত কেটে গিয়েছে, খালাসির কিছু হয়নি।
জানা গিয়েছে, এদিন গভীর রাতে মালদহ থেকে একটি ১৬ চাকার লরি বীরভূমের সাঁইথিয়া বালি আনতে যাচ্ছিল। ভোর সাড়ে ৩টে নাগাদ লরিটি আচমকাই মোরগ্রামের ভুরকুণ্ডা এলাকায় জাতীয় সড়কে পাশের বাড়িতে গিয়ে ঢুকে যায়। প্রচণ্ড আওয়াজ পেয়ে বাড়ির মালিক ও আশপাশের লোকজন ছুটে আসে। বাড়ির সদস্যরা পাশেই অন্য একটি বাড়িতে ঘুমিয়ে ছিলেন। বাড়িটি মাটির তৈরি হওয়ায় সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে। ঘরের আসবাবপত্র সহ মজুত করে রাখা শস্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাড়ির মালিক আক্তার হোসেন বলেন, পাশের ঘরে থাকায় আমরা অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছি। বাড়িটি সম্পূর্ণ ভেঙে গিয়েছে, জমির শস্য রাখা ছিল। আসবাবপত্রও নষ্ট হয়ে গিয়েছে। আমাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হোক।
লরির চালক মহম্মদ জামাল বলেন, বালি লোড করতে বীরভূমে যাচ্ছিলাম। রাস্তায় ঘুম চলে আসায় গাড়ি একটি বাড়িতে গিয়ে ঢুকে যায়। আমার বুকে লেগেছে, হাত কেটে গিয়েছে, খালাসির কিছু হয়নি।



