সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: বৃহস্পতিবার দুপুরে সাগরদিঘির বেলিয়াপুকুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে চলন্ত গ্যাস ট্যাঙ্কারে আচমকা আগুন ধরে যায়। ট্যাঙ্কারটি দাউদাউ করে জ্বলে উঠতেই এলাকায় প্রচণ্ড আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আশপাশের লোকজন যে যেদিকে পারেন, পালিয়ে যান। ট্যাঙ্কারের চালকও অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন। সাগরদিঘি থানার পুলিস এসে দমকলে খবর দেয়। দমকলের একটি ইঞ্জিন এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এঘটনায় সাময়িকভাবে জাতীয় সড়কের একটি লেন দিয়ে যান চলাচল বন্ধ করে দেয় পুলিস।
Advertisement
সাগরদিঘি থানার পুলিস জানিয়েছে, গ্যাস ট্যাঙ্কারের কেবিন থেকে ধোঁয়া বের হলে চালক জাতীয় সড়কেই গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেন। এরপরই তাতে দাউদাউ করে আগুন ধরে যায়। আশপাশের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়। জাতীয় সড়কে বেশ কিছুক্ষণ যান চলাচল বন্ধ রাখা হয়।
একটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থার এলপিজি গ্যাস ট্যাঙ্কার বুধবার সন্ধ্যায় হলদিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। ওই ট্যাঙ্কারের গন্তব্যস্থল ছিল বিহারের পূর্ণিয়া। এদিন দুপুরে ট্যাঙ্কারটি সাগরদিঘির বাহালনগরে এসে পৌঁছয়। এরপর সেখান থেকে বেলিয়াপুকুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে আসতেই চালক কেবিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থামিয়ে নেমে যান। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ট্যাঙ্কারের সামনের অংশে আগুন ধরে যায়। ওই ট্যাঙ্কার গ্যাসভর্তি থাকায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ট্যাঙ্কারের গ্যাস নিরাপদেই ছিল। পুলিস এসে প্রথমে জাতীয় সড়কের একটি লেন বন্ধ করে দেয়। অপর লেন দিয়ে দু’দিকের গাড়িই ডাইভার্ট করে দেওয়া হয়। এর জেরে জাতীয় সড়কে সাময়িক যানজট দেখা দেয়।
মোরগ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আজারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি পরে জেনেছি। পুলিসই দমকলে খবর দিয়েছিল। কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
জঙ্গিপুর দমকলকেন্দ্রের ওসি এম রহমান বলেন, খবর পেয়েই আমাদের ইঞ্জিন নিয়ে গিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়। ট্যাঙ্কারের গ্যাসে অগ্নিসংযোগ হলে বড়সড় বিপদ ঘটতে পারত।
একটি রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থার এলপিজি গ্যাস ট্যাঙ্কার বুধবার সন্ধ্যায় হলদিয়া থেকে যাত্রা শুরু করেছিল। ওই ট্যাঙ্কারের গন্তব্যস্থল ছিল বিহারের পূর্ণিয়া। এদিন দুপুরে ট্যাঙ্কারটি সাগরদিঘির বাহালনগরে এসে পৌঁছয়। এরপর সেখান থেকে বেলিয়াপুকুর বাসস্ট্যান্ডের কাছে আসতেই চালক কেবিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে গাড়ি থামিয়ে নেমে যান। কয়েক মুহূর্তের মধ্যে ট্যাঙ্কারের সামনের অংশে আগুন ধরে যায়। ওই ট্যাঙ্কার গ্যাসভর্তি থাকায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে ট্যাঙ্কারের গ্যাস নিরাপদেই ছিল। পুলিস এসে প্রথমে জাতীয় সড়কের একটি লেন বন্ধ করে দেয়। অপর লেন দিয়ে দু’দিকের গাড়িই ডাইভার্ট করে দেওয়া হয়। এর জেরে জাতীয় সড়কে সাময়িক যানজট দেখা দেয়।
মোরগ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আজারুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি পরে জেনেছি। পুলিসই দমকলে খবর দিয়েছিল। কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।
জঙ্গিপুর দমকলকেন্দ্রের ওসি এম রহমান বলেন, খবর পেয়েই আমাদের ইঞ্জিন নিয়ে গিয়ে আগুন নিভিয়ে ফেলা হয়। ট্যাঙ্কারের গ্যাসে অগ্নিসংযোগ হলে বড়সড় বিপদ ঘটতে পারত।



