


নয়াদিল্লি: পাকিস্তানে খুন হচ্ছে একের পর এক জঙ্গি। একই কায়দায়। মোটর সাইকেলে করে আসছে দুই দুষ্কৃতী। এরপর জঙ্গিদের খুব সামনে থেকে গুলি করে নিরাপদে পালিয়ে যাচ্ছে। গত দু’-তিন বছরে এটাই পরিচিত দৃশ্য। এই ধারায় নবতম সংযোজন লস্কর-ই-তোইবার সহ প্রতিষ্ঠাতা আমির হামজা। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, পাকিস্তানের মাটিতে গত দু’বছরে খুন হয়েছে লস্কর, জয়েশ-ই-মহম্মদ এবং হিজবুল মুজাহিদিনের বহু সদস্য। এদের প্রত্যেককেই ওয়ান্টেড ঘোষণা করেছিল ভারত। পাকিস্তানও এই খুনগুলির জন্য ভারতের দিকে আঙুল তুলেছিল। যদিও নিজেদের দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ দিতে পারেনি ইসলামাবাদ।
হামজার উপর হামলার ঠিক আগে জয়েশ-ই-মহম্মদ প্রধান মাসুদ আজহারের ভাই মাহমুদ তাহির আনোয়ারের দেহ উদ্ধার হয় লাহোরেই। এভাবেই ২০২৩ সালে মাত্র সাত মাসের ব্যবধানে সাতজন জঙ্গিকে নিকেশ করা হয় পাকিস্তানে। এদের মধ্যে রয়েছে খালিস্তানি জঙ্গি পরমজিত সিং পাঞ্জর। তাকে লাহোরেই খুন করা হয়। রয়েছে হাপিজ সইদের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত মুফতি কাইসার ফারুক। তালিকায় রয়েছে ২০১৬ সালে পাঠানকোট হামলায় জড়িত জয়েশ জঙ্গি শহিদ লতিফ। ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর তাকে খুন করা হয় শিয়ালকোটে। আমির হামজা।